‘সুন্দরবন রক্ষা’র দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান শাকিল, ক্যানবেরা: স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকালে ক্যানবেরাতে অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্টের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের বিরোধিতা করেন। এ ধরনের প্রকল্পের ফলে সুন্দরবনের আশপাশের প্রাণ-প্রকৃতি কিভাবে হুমকির মুখে পড়বে, তা যুক্তিসহ তুলে ধরেন বক্তারা।
বক্তারা সরকারকে সব হীন স্বার্থ থেকে মুক্ত হয়ে দেশের মানুষের স্বার্থে জনবিরোধী ও হঠকারী এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান। এ সময় দেশে তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলনের সংহতি জানান বক্তারা।
বিক্ষোভ সমাবেশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ‘সেভ সুন্দরবন, স্টপ রামপাল’, ‘সুন্দরবন ধ্বংস করে বিদ্যুৎকেন্দ্র চাই না’ ইত্যাদি লেখা প্লাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে আসেন ।
বিক্ষোভ শেষে বাংলাদেশিদের পক্ষ থেকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন প্রবাসীরা। এরপর অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন অফিসে হাইকমিশনারের কাছেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
বিক্ষোভ এবং স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান শাকিল, সিদ্দিকুর রহমান কমল, নিউটন মুহুরী, কামরুল আহসান খানসহ আরো অনেক বাংলাদেশি ও অস্ট্রেলিয়ার সচেতন নাগরিক।
Related Articles
বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান
জাতিসংঘে’র কাছে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান জানিয়েছেন। গত ২১ ফেব্রূয়ারী ২০১৬ কেনবেরাতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলখ্যে ‘একুশে রেডিও’র সাথে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে অস্ট্রেলিয়াতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাস্ট্রদুত হিজ এক্সিলেন্সি কাজী ইমতিয়াজ হোসাইন বলেন, বাংলাভাষাকে বাংলাদেশের সর্বস্তরে চালু করার সরকারী পদক্ষেপের পাশাপাশি বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের জন্যে জাতিসংঘে’র কাছে প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান জানিয়েছেন। বিশ্বজুরে বাংলা ভাষার ব্যপক ব্যপৃতির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাস্ট্রদুত হোসাইন বলেন, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ দেশে বাংলা ভাষা ভাষি লোকেদের বিচরন রয়েছে। এসব দেশে বাংলা’র প্রচলন ও চর্চার মধ্যে দিয়ে বাংলাকে আরো ব্যপৃত করার সুজোগ রয়েছে। বাংলা ভাষার মধ্য দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয় আরো নিগুড় হবে বলে তিনি মনে করেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে’র স্বার্থকতা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন ১৯৯৯ সালে এউনেস্কো ২১ ফেব্রূয়ারী’কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষনা করার পর পৃথিবীর সর্বত্রই সব ভাষাভাষির লোকেরা গর্বের সাথে এই দিন টিকে উদযাপন করে আসছে।মাজিক কর্মকান্ড সহ জন জীবনের প্রতিটি কাজে ভাষার প্রয়োজনীয়তাটাকে স্মরন করার একাটা সুজোগ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন। বাংলাকে সর্বস্তরে চালু করার সরকারী উদ্দোগ থাকা স্বত্তেও ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বাংলাভাষার ব্যবহার তেমনভাবে দেখা যায় না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন- বাংলাদেশ একটা রপ্তানী মুখী দেশ। আর ব্যাবসায়িক
Hon. Speaker Abdul Hamid, MP's interview with Bangla Radio
Bangla Radio Canberra – 8 March 2010 This week’s program presented: (1) brief discussion about the impact of global financial
মহিলাদের সুরক্ষা এবং শিশু নির্যাতন বা শ্লীলতাহানি থেকে উদ্ধার
আজ Gaan Baksho এর আলোচনার বিষয়বস্তু “সুরক্ষা” যার কেন্দ্র বিন্দুতে সমস্ত নারী জগৎ। এটা কেবল Australia- এর নয় পৃথিবীর সমস্ত





