এবার তামিমের টেস্ট
ফজলুল বারী, ক্রাইস্টচার্চ থেকে
পুরো নিউজিল্যান্ড সফরে এখন পর্যন্ত দলের কোন জয় নেই। সফরের শেষ প্রান্তে এসে শেষ খেলা ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের আগে নিয়মিত ক্যাপ্টেন মুশফিকুর রহিমের চোটের কারনে দলের ভারপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব পেয়েছেন তামিম ইকবাল। কী অবস্থা দলের? যেখানে দলে চোটের মিছিল, দল একটি মিনি হাসপাতাল, তেমন একটি দল নিয়ে দেশে ফেরার আগে কি আশা করেন? বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নটা তামিমকে করা হয়েছিল। প্রশ্নটায় নেতিবাচক একটি সুর ছিলো। কিন্তু নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্রাইস্টচার্চ ক্যাপ্টেনের মুখে আশার সুর। আমরাতো এখানে ভালো ক্রিকেট খেলতে এসেছিলাম। নিউজিল্যান্ডের মতো দেশেও দেশের পরিবেশেও আমরা যে ভালো ক্রিকেট খেলেছি তা মাঠে যে সব দর্শক এসেছিলেন তারা দেখেছেন। খেলাগুলোয় আমরা বেশ সুযোগ সৃষ্টি করেছি এবং কোন কোন সময় মনে হয়েছে আমরা জিততে চলেছি। কিছু ভুলের কারনে হয়তো আমরা জয় পাইনি, কিন্তু সে ভুলগুলোকে শুধরে ইতিবাচক অর্জনগুলোকে সঙ্গী করে ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট বাংলাদেশ দলের জন্যে চ্যালেঞ্জিং হবে, তামিমের তা আশা করেন।
ভারপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন বলেন দলের সার্বিক অবস্থায় তিনি মোটেই হতাশ না। প্রায় সাত বছর পর নিউজিল্যান্ডে খেলতে এসে ছেলেরা যা খেলেছে তা দেখে তিনি খুবই গর্বিত-অভিভূত। এখন আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুসারে যদি আরও কঠোর পরিশ্রম করতে পারি, ইতিবাচক ফলাফল আসবেই। তামিম বলেন, পুরো সফর জুড়ে খেলোয়াড়দের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল ইতিবাচক। সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে না পারায় এখানে আমরা পরাজিত পক্ষ। কিন্তু দর্শক সাক্ষী প্রথম ওয়ানডে থেকে ওয়েলিংটন টেস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ খুব ভালো ক্রিকেট খেলেছে। প্রতিটা খেলায় সুযোগ সৃষ্টি ছাড়াও খেলাটা এক সময় বাংলাদেশের হাতে ছিল। আশা করি ক্রাইস্টচার্চ টেস্টেও আমাদের সুযোগ আসবে। যদি আগের খেলাগুলোর চাইতে যদি পরিস্থিতিতেকে ভালো করে সামাল দিতে পারি তাহলে নিশ্চয় ভালো কিছু হবে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে।
Related Articles
ডঃ জাফরুল্লাহ স্মরণে
হিথরো এয়ারপোর্টে সেবার আট ঘণ্টা ট্রানজিট লাউঞ্জে থাকতে হয়েছিল। বিরক্তি নিয়ে ভাবছিলাম আবারও হয়তো সিগারেটের ধূয়া সহ্য করতে করতে ঢাকায়
পরবাসিনী রোজার ‘বাংলা আগুন’এ কবি গুরুর ‘আলোক-লোক ফাঁকা’
পরবাসের জীবন একেক জনের কাছে এক এক রকম হয়ে ধরা দেয়। তার কারণ হল একেক জনের দেখার চোখ এক এক
ছেলেবেলার ঈদ : ওয়াসিম খান পলাশ প্যারিস থেকে
সাহিত্যের গভীরতায় আমি যেতে পারিনি কোনো দিন। এখনো না। একটি গল্প লিখতে গেলে তালগোল পাকিয়ে ফেলি। কল্পনার প্রখরতা একদকম নেই।


