রায় ষ্টুডিও
যেদিন তুমি বললে,”চলে যাচ্ছি”
বুকের ভেতর হুড়মুড় করে ভেঙে পড়লো কিছু একটা ।
নদীর পাড় কি এমনি ভেঙে পরে তারপর সব শুনশান শুধু ছলাৎ ছলাৎ জলের বয়ে চলা।
তেমনি চোখের কোলে জলের ধারা।
বললে ,”একবার শেষবার দেখা করতে চাই”!
খুব জোড়ে যেমন হাওয়া ঘুরে ওঠে,ব্যাকুল বাতাসে বৃক্ষরা দোলে,ছিন্ন পাতার ছোটাছুটি চলে-
বিক্ষিপ্ত মন ছুটছে তোমার কাছে,আঁকড়ে ধরতে চাই
কোনো ঠাঁই নাই-
আমার দীর্ঘশ্বাস ঠিকানাবিহীন আমাকেই খুঁজে ফেরে।
একবার মুখ তুলে চেয়ে বললে,”এবার তবে যাই “
মুহূর্তেই শরতের সব শিউলিরা ব্যাথাতুর ঝড়ে পরলো একসাথে-
সারা গাছ জুড়ে যে শূন্যতা তা চেপে বসলো আমার বুকে।নি:শ্বাস বন্ধ ,তোমার ছায়াও অদৃশ্য ।
তুমি চোখের আড়াল হলে।
সেই শেষবার আশ্বিনের সকালে তোমার সাথে আমার রায় স্টুডিওতে দেখা হয়েছিল-
আর তারপর থেকে আমার জীবনে তুমি নেই নদী নেই বৃক্ষ নেই শিউলি নেই – শুধু নেই আর নেই
তুমি না থাকাতে আসলে শূন্যতা ছাড়া আমার আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

Related Articles
Poem on 26th March
একটি নক্ষত্রের আলোয় ভরা আমার বাংলাদেশ (১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ থেকে ১৯৭১’র ২৬শে মার্চ) ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ টুঙ্গীপাড়ায় জন্ম
মন্দিরে কাঁদে পাষাণ দেবতা
মায়ায় ভরা এ সংসারে কেউ নয়কো আপনজন, মিছে মায়ায় আবদ্ধ হয়ে থাকিস কেন ওরে মন। সত্যি কথা বললে গেলে মনে
গাঁয়ের মাটি গাঁয়ের মানুষ
গাঁয়ের মাটি গাঁয়ের মানুষ লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী (নবাগত কবি) গাঁয়ের মাটি সবুজ খাঁটি মাটিতে সোনার ফসল ফলে, ফকির ডাঙায়


