বিসর্জ্জনে ঘুম
তিনশো চৌষট্টিতম ঘুম বিসর্জ্জনের রাতেও
তুমি এলে,মস্তিষ্কের শিরায় শিরায় জানান দিয়ে!
ঠিক তিনশো চৌষট্টি দিন,
ছেড়ে দিলাম তোমায় কিনবা উল্টো করে তুমি আমায়,
আসলে দুজনেই দুজনকে ছেড়ে দিলাম।
যখন চোখের মুগ্ধতায় জমে গেছে নিত্য অভ্যস্ততা,
তারপর ও বেশ কিছুদিন টেনে গিয়েছি আমরা আমাদের,
তারপর আর কাটতেই চাইতো না,
রাজ্যের ঘুম জমেছিলো চোখে, ইথারে ভাষাহীন সময়!
ফেলাফেলি যখন চুড়ান্ত,
একদিন ঠিক ছাতিমের তলে নারকেল পাতার আংটিটা ফেরত দিয়ে পিছনে ফিরে তাকাইনি কেউ!
সেই থেকে আজ নিয়ে তিনশো চৌষট্টি দিন,
তোমাকে বিসর্জ্জনের সাথে বিসর্জ্জিত হলো ঘুম,
তুমি ফিরে না গিয়ে গেঁথে গেলে মগজে, শিরায় শিরায়।
আমার ঘুম বিসর্জ্জন কিনবা বিসর্জ্জনের ঘুমে
তুমি বসতি করে নিয়ে জানিয়ে দিলে
প্রেমিকারা কখনও ছেড়ে যায় না।
প্রেমিকা মাত্র অবিনশ্বর হয়!

Related Articles
দেখা না হলে
এই নদীটা কোন দিনও ডাকাতীয়া হত না তোমার সাথে দেখা না হলে! ধর, প্রশন্নপুর, আমার গ্রামের নামটা এ নামটাও খুব
তার ছিল একুশ – দিলরুবা শাহানা
সে ছিল একুশের অস্থির ঝড়, ঘর নয় জনপদই ছিল তার ঘর। সাহসের সঙ্গীতে মাতিয়েছিল লোকালয় আর প্রান্তর। সাধ ছিল তার
আলৌকিক প্রেম
ভীরু চাঁদ পালিয়ে বেড়িয়েছে এতকাল বিশ্বাসী মেঘের আড়ালে আড়ালে! অভ্যেসে পরিণত হয়েছে তাই মেঘের যখন রুপ বদলেছে, হুংকারে কালবৈশেখী নেমেছে!



Congratulations bondhu ! Khub valo lagllo