দৃশ্যান্তরে একা
শূন্য থেকে শূন্য
শেষ নাই আকাশের ঠিকানা
কথা রেখে কথার যেমন নেই
কালো হরিণ চোখে…
মনে যে বিল বহমান
তার নাম রাজধলা
তার অন্তরে আঁধার ।
মেঘ সরে যায়
সামনে পিছনের জীবনের
ঘাই হরিণীর কপালে যা ঘটে
যুদ্ধের পর রাতের কুণ্ডলীর উপহার
তবুও হাত বাড়িয়ে ধরতে চায়
সেই প্রেম যার ছায়া পড়েনি
সমবায় পুকুরে।
গায়ক পাখির গান
ঘুম ভাঙাবার জন্য যথেষ্ট
হয়েছে এক জীবনে,
যদিও তোমার বুকে শীতের
দুপুর তাপাই
দৃশ্যান্তরে বড্ড একা ।
অনায়াস চিৎকার শোনা যায়
চিড়িয়াখানার মত কাতর অন্তরের…
তোমার অফ সিজনের আবেগ গুনে
যতটুকু কাঁদে চোখ
ভাব গত শ্বেদে
সেই টুকু দিয়ে স্মারক গড়ো
প্রেমিকা স্মরনে ।

Najmin Mortuza
দার্শনিক বোধ তাড়িত সময় সচেতন নিষ্ঠাবান কবি। চলমান বাস্তবতাকে ইতিহাস-ঐতিহ্যের পরম্পরায় জারিত করে তিনি কাব্য রূপান্তরে অভ্যস্ত। কাব্য রচনার পাশাপাশি ক্ষেত্রসমীক্ষাধর্মী মৌলিক গবেষণা ও কথাসাহিত্য সাধনায় তাঁর নিবেদন উল্লেখ করার মতো। গবেষণাকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ফোকলোর ও লিখিত সাহিত্যঃ জারিগানের আসরে "বিষাদ-সিন্ধু" আত্তীকরণ ও পরিবেশন পদ্ধতি শীর্ষক গ্রন্থের জন্য সিটি-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০১২ অর্জন করেছেন।
Related Articles
ক্লান্ত সূর্য ডোবে দিনের শেষে
ফুল বাগিচায় ফুটেছে ফুলকলি অরুণ তপন পূব গগনে হাসে, ভোরেরবেলা ঝরে রাতের শিশির উঠোনের ঐ কচি সবুজ ঘাসে। দিঘির জলে
মায়ের আগমন পদধ্বনি (আগমনী)
মায়ের আগমন পদধ্বনি (আগমনী) লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী বাতাসে শিহরণ পুলকিত অবনী, আসিছেন মহাকালী জগত জননী। পদভারে ধরাধামে কাঁপিছে মেদিনী আসিছেন
প্রতীক্ষা!
প্রতীক্ষা! সারা রাত বাঁশির সুর শোনার প্রতীক্ষা! ওই বাঁশিতে প্রতিদিন একই সুর বাজে, তবুও নতুন লাগে! ওই সুরে এক মায়াবী


