বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া এসোসিয়েশন ক্যানবেরা ২০১৫-১৬ বছরের কার্যকরী পরিষদ গঠন
জুলাই ২৬ রবিবার: বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া এসোসিয়েশন ক্যানবেরা অত্যন্ত সার্থকভাবে বাত্সরিক সাধারণ সভা করে এবং ২০১৫-১৬ বছরের জন্য নুতন কার্যকরী পরিষদ গঠন করে | অস্ট্রেলিয়াতে জুলিয়া গলার্দ-এর পর আমেরিকাতে যখন হিলারী ক্লিন্টন কেম্পেইন করছেন তখন বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া এসোসিয়েশন ক্যানবেরা প্রেসিডেন্টের দায়িত্য নেন মিসেস শেখ লানা এবং সাধারণ সম্পাদক মিসেস জাহীন রহমান টুম্পা | অত্যন্ত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বক্তিত্ব এবারের পরিষদে যোগ দেন – যা কিনা ক্যানবেরা কমিউনিটিকে বেশ আশাবাদী করে তুলেছে|
বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া এসোসিয়েশন ক্যানবেরা সামাজিক ও সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশে উল্লেকযোগ্য চেরিটি করে যাছে সেই শুরু থেকে |
গতবারের কমিটি অত্যন্ত সার্থকভাবে বর্ষব্যপী সবগুলো অনুষ্ঠান করার জন্য কমিউনিটি তাদেরকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা দেয় | আবার বিগত কমিটি নুতন কমিটিকে গোলাপ শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নেয় |
Related Articles
Multicultural Minister Joins Bangla New Year 1419 Celebration in Canberra
Bangladesh High Commission, Canberra; Press Release (Revised) (17 April 2012) Minister for Multicultural Affairs of ACT Government Ms Joy Burch
Bangladesh’s State Minister for Environment and Forests urged Bangladeshis to vote for Sundarban
Bangladesh’s State Minister for Environment and Forests, Hon. Dr. Hasan Mahmud requested all Bangladeshis to vote for keeping Sundarban in
বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান
জাতিসংঘে’র কাছে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান জানিয়েছেন। গত ২১ ফেব্রূয়ারী ২০১৬ কেনবেরাতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলখ্যে ‘একুশে রেডিও’র সাথে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে অস্ট্রেলিয়াতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাস্ট্রদুত হিজ এক্সিলেন্সি কাজী ইমতিয়াজ হোসাইন বলেন, বাংলাভাষাকে বাংলাদেশের সর্বস্তরে চালু করার সরকারী পদক্ষেপের পাশাপাশি বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের জন্যে জাতিসংঘে’র কাছে প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান জানিয়েছেন। বিশ্বজুরে বাংলা ভাষার ব্যপক ব্যপৃতির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাস্ট্রদুত হোসাইন বলেন, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ দেশে বাংলা ভাষা ভাষি লোকেদের বিচরন রয়েছে। এসব দেশে বাংলা’র প্রচলন ও চর্চার মধ্যে দিয়ে বাংলাকে আরো ব্যপৃত করার সুজোগ রয়েছে। বাংলা ভাষার মধ্য দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয় আরো নিগুড় হবে বলে তিনি মনে করেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে’র স্বার্থকতা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন ১৯৯৯ সালে এউনেস্কো ২১ ফেব্রূয়ারী’কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষনা করার পর পৃথিবীর সর্বত্রই সব ভাষাভাষির লোকেরা গর্বের সাথে এই দিন টিকে উদযাপন করে আসছে।মাজিক কর্মকান্ড সহ জন জীবনের প্রতিটি কাজে ভাষার প্রয়োজনীয়তাটাকে স্মরন করার একাটা সুজোগ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন। বাংলাকে সর্বস্তরে চালু করার সরকারী উদ্দোগ থাকা স্বত্তেও ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বাংলাভাষার ব্যবহার তেমনভাবে দেখা যায় না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন- বাংলাদেশ একটা রপ্তানী মুখী দেশ। আর ব্যাবসায়িক





