একটা ছবির গল্প
অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় রোববার ছুটির দিনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক হয়। অস্ট্রেলিয়ান নেতারা সাধারনত ছুটির দিনে কাজ করেননা, কোন এপোয়েন্টমেন্ট রাখেননা। কিন্তু প্রথা ভেঙ্গে ছুটির দিনে ম্যালকম টার্নবুল তাঁর সিডনির বাড়িতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক যে করেছেন, এটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সিডনি হারবারের পাশে মনোরম পরিবেশের ওই বাড়ির বারান্দায় আন্তরিক পরিবেশে বৈঠকটি হয়। টার্নবুল সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিজের হাতে চা বানিয়ে খাওয়ান ❤
ওই বৈঠকে অস্ট্রেলিয়া বা বাংলাদেশ কোন তরফের কোন ফটোগ্রাফারের প্রবেশাধিকার ছিলোনা। তাহলে যে ছবিগুলো মিডিয়ায় এসেছে সেগুলো কে তুললো? সেটাই নিউজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অস্ট্রেলিয়া সফর উপলক্ষে বাংলাদেশ হাইকমিশন তাঁকে অস্ট্রেলিয়ান একটি মোবাইল ফোনের সিমসহ নতুন একটি হ্যান্ডসেট উপহার দেয় ❤ বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেটি দিয়েই টার্নবুলের সঙ্গে ছবি তোলেন।
এদিকে বাইরে শীর্ষ বৈঠকের একটি ছবির জন্য হাহাকার করছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ফটো সাংবাদিকরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টার্নবুলের বাড়ি থেকে হোটেলে ফিরে তাঁর মোবাইল ফোনে তোলা ছবিগুলো ফটো সাংবাদিকদের দেখান। তখন তাঁর সফরসঙ্গী ফোকাস বাংলা নিউজের ইয়াসিন কবির জয় তাঁকে বলেন, আপা এই ছবিগুলোই আমার দরকার। প্রধানমন্ত্রী তখন তাঁর এক সামরিক কর্মকর্তাকে তাঁর ফোন থেকে ছবিগুলো জয়কে দিতে বলেন। তখন তিনি ফোন থেকে বিরল বৈঠকের বিরল ছবিগুলো ইমেইল করে জয়কে দেন। এভাবেই টার্নবুল-শেখ হাসিনার ছবিগুলো এসেছে মিডিয়ায় ❤

Related Articles
নতুন অভিবাসী ও ফ্রান্স : ওয়াসিম খান পলাশ প্যারিস থেকে
আমি বাংলাদেশের অভিবাসীদের কথাই বুঝাতে চাচ্ছি। প্রবাস বেশ কঠিন জায়গা। বিশেষ করে যারা প্রথম অভিবাসী হন তাদের জন্যতো বটেই। দেশ
ফরাসিরা নির্বাক, স্তম্ভিত – পার্থ প্রতিম মজুমদার
ইশরাত আখন্দের মুখ এখনও চোখের সামনে ভাসছে। কী সুন্দর গুছিয়ে কথা বলত। বাংলাদেশে মাইম একাডেমি নিয়ে আমার স্বপ্নের কথা জানত
অনেকের ভীড়ে একজন
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রিক্সায় যেতে যেতে হঠাৎ পাশে থাকা বন্ধু চিৎকার করে উঠলো, হুয়াক্কা হুয়া! সব দাঁত বের করে, দাঁড়িয়ে উঠে,





