Who are you? What are you, Mr. Nazrul?

Who are you? What are you, Mr. Nazrul?

আমাদের সময়ের একজন পন্ডিত (!) ব্যক্তি। তার আজকের নাম আসিফ নজরুল। আজ প্রথম আলোতে হানিমুন বিষয়ে একটি রচনা লিখেছেন। হানিমুন কী, কত প্রকার ইত্যাদি! তিনি কামেল মানুষ। জ্ঞাতসারে এরমাঝে তিন খানা বিবাহ করেছেন। অজ্ঞাতসার সমূহ সম্পর্কে আমাদের বন্ধুবান্ধবদের যথেষ্ট ধারনা আছে। যেহেতু একাধিক বিবাহ করেছেন, একাধিকবার হানিমুনে যাবার অভিজ্ঞতা আছে, তাই এই বিষয়টি নিয়ে দক্ষতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু তিনি তার রচনায় তার ব্যক্তি অভিজ্ঞতা বাদ দিয়ে এক্ষেত্রেও শেখ হাসিনার সরকারকে টার্গেট করাতে যার পর নাই পুলকিত! অবশ্য ইনি এমনই। এসবই উনার সাম্প্রতিক এসাইনমেন্টও বটে।

ইনার সঙ্গে যখন পরিচয় তখন তিনি খবর গ্রুপের চিত্রবাংলা, ছায়াছন্দ এসব চটি পত্রিকায় খ্যাপ লিখতেন। আমাদের বিচিন্তার আসরে আসার পর তাকে বলা হয়, আপনার নামটি খুব পচা। এরপর তার মো: নজরুল ইসলাম নামটি পাল্টে আসিফ নজরুল করা হয়। এখন তিনি সেই পরিবর্তিত নামেই পরিচিত। হয়তো এফিডেবিট করে পিতামাতার রাখা নামটি পাল্টে থাকতে পারেন। কিন্তু গোলাম আযমের বিচারের গণ আদালত পর্যন্ত তার সার্টিফিকেটে পিতামাতার নামটি মো: নজরুল ইসলামই ছিলো। উল্লেখ্য তখন গণ আদালতে কেউ গোলাম আযমের আইনজীবী হতে কেউ রাজি হচ্ছিলোনা। ইনি কেন রাজি হন তা ওয়াকিফহালরা জানেন। পরবর্তিতে তিনি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সঙ্গে প্রতারনা অথবা স্বরূপে আবির্ভূত হবার পর কি করে পক্ষ ত্যাগ করেন, তা নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে। এরপরের একটা ঘটনা বলি। বিএনপি-জামায়াত শিক্ষক কোটায় তিনি ততক্ষনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় ঢুকে গেছেন। শামসুন্নাহার হলের ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন ভিসি আনোয়ারুল্লাহ’র পদত্যাগের দাবিতে তুমুল ছাত্র আন্দোলন চলছে। পদ আঁকড়ে রাখতে ভিসি সকালে এককথা বিকালে আরেককথা বলেন। এসব নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকরা ছেঁকে ধরেছেন আনোয়ারুল্লাহকে। তখন আনোয়ারুল্লাহকে রক্ষা করতে ইনি তার পাশে বসেন কামেলের ভূমিকায়! ইনি সাংবাদিকদের বলেন ‘আমি মিথ্যা বলতে পারি, কিন্তু আনোয়ারুল্লাহ স্যার কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ আজকের প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার মোশতাক তখন জনকন্ঠের বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে সে আমাকে বলে, এই লোকটা না আপনাদের সঙ্গে কাজ করতো। এমন দুই নাম্বার কেন এই লোক? আর যে লোক নিজের মুখে বলে সে মিথ্যা বলে, বলতে পারে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়-থাকে কী করে?

২০০১ সালে যখন বিএনপি-জামায়াতের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয় ইনি লুকিং ফর শত্রুজ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর ঘনিষ্ঠ বিশেষ খ্যাতিমান হয়ে ওঠেন। তিনি বাবরকে ফোন করলেই তাকে যা খুশি করে দেয়। ১/১১’এ বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতাচ্যুত হবার পর ইনার নানা দূর্ভাবনা বিশেষ প্রকাশ পায়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর নীতি-নৈতিকতার বিষয়গুলো নিয়ে উনার উদ্বেগ-উৎকন্ঠা বাড়ে! যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরুর পর সাঈদি যুদ্ধাপরাধী না, তার এক বক্তব্যে তিনি কিছুটা বিপাকে পড়েন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার অফিস আক্রান্ত হয়। আমাকে তখন একজন বলেন, ইনি না আপনাদের সঙ্গে কাজ করতেন। আপনাদের পত্রিকায় না প্রথম ছাপা হয়েছিল সাঈদি যুদ্ধাপরাধী। আমি তাকে জবাবে বলেছিলাম, আমাদের পত্রিকায় ছাপা হবার সময় তিনি যেহেতু চিত্রবাংলা, ছায়াছন্দে চটি লিখতেন তাই হয়তো সেই লেখাটি খেয়াল করেননি। আর শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সঙ্গে বেঈমানির আগে ইনি কিন্তু সাঈদিকে যুদ্ধাপরাধী জেনে-বলেই মুখে ফেনা তুলতেন। বেঈমানি করার পর মনে করেন না। কারন যখন যে দেবতার পুজা তিনি করেন তাকেই তিনি শুধু ভোগ দেন।

এমন এক কামেল ব্যক্তি আজ বরাতজোরে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পত্রিকা প্রথম আলোর আশ্রয়পুষ্ট। বাংলাদেশের সামাজিক-রাজনৈতিক নানা সমস্যা আছে। এরপরও বিস্ময়কর ইতিবাচক অনেক অর্জন সাফল্য আছে বাংলাদেশের। কিন্তু শুধু প্রথম আলোতে এই ভদ্রলোকের যদি লেখাগুলোর যোগফল দাঁড় করান, তাহলে বলতে হবে বাংলাদেশ বলেতো কিছু নেই আর! অনেক আগে ভেনিস হয়ে গেছে বাংলাদেশ! অথবা এসব ক্রন্দনের মূল কারন একটাই, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় কেন নেই, আসেনা কেনো? অথবা আসিবে কী কভু? প্রথম আলোর শুক্রবারের লেখায় ইনি তার গুরু এমাজউদ্দিন থেকে শুরু করে সবাইকে ধুয়ে দিয়েছেন! কারন এরা কেউ তার বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতায় ফেরত আনতে পারছেনা! তার লেখাটির নিচে এক পাঠক মন্তব্যটি বেশ মজার! ইনি লিখেছেন, “Mr. Asif Nazrul, Have you ever found anything good in AL? Have you ever found anything bad in Jamat or BNP? Who are you? What are you, Mr. Nazrul?”


Place your ads here!

Related Articles

Quarantiny – Chapter 8 – Day 8

Chapter 8 – Day 8 – Friday 24 April 2020 “You never know how strong you are,until being strong is

S.M. Krishna’s visit to Dhaka: Injection of robust optimism on bilateral ties

The three-day visit of S. M. Krishna from 6th July is considered to be productive and has ushered in high

ভালো থাক সবুজ পাসপোর্টেরা

বাড়ী থেকে আসার সময় শাশুড়ি বরই এর” টক মিষ্টি আচার” দিয়েছিলেন। পার্থের বিমান বন্দরের ইমীগ্রেসনের কড়াকড়ি, তাই বলেছিলাম দেওয়ার দরকার

No comments

Write a comment
No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write a Comment