শেখ মহিউদ্দিন আইরিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে লড়ছেন
ইউরোপে নির্বাসিত বাংলাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিক, লেখক, কলামিস্ট শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ আয়ারল্যান্ডের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনে ‘’ওয়াটার ফোর্ড’’ আসনের জন্য লড়ছেন। বুধবার ২০১৬ এর এই নির্বাচনের জন্য ওয়াটার ফোর্ড এলাকার রিটার্নিং অফিসার তার মনয়ন পত্রের বৈধতা তার হাতে তুলে দেন। উল্লেখ্য শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ ‘আইরিশ ন্যাশনাল মাইনরিটি কাউন্সিলের’
প্রেসিডেন্ট। আয়ারল্যান্ডের ক্ষমতাসীন দল ফিনও গেইলের সদস্য হলেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রার্থী হয়েছেন। উল্লেখ্য ‘’ওয়াটার ফোর্ড’’ আসন থেকে ৪ জন টিডি (পার্লামেন্ট সদস্য) নির্বাচিত হবেন।
একসময়ের বাংলাদেশের তৃণমূল বিপ্লবী রাজনীতির নেতৃত্বে থাকা শেখ মহিউদ্দিন ২০০৫ সালে ক্রসফায়ার থেকে বেঁচে বিদেশীদের সহায়তায় দেশত্যাগ করেন। সেই থেকে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন সম্ভাবনাময় আগামীর জন্য। তিনি বিদেশে বসে আইনে স্নাতক সম্মান এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রি লাভ করেন। বার এট ল কোর্সে ভর্তি হলেও তা এখনও সম্পন্ন করেন নাই। শেখ মহিউদ্দিন ইমিগ্রেশন কনসালটেন্ট হিসেবে আয়ারল্যান্ড, পর্তুগাল এবং যুক্তরাজ্যের তিনটি ল’ ফার্মে কাজ করছেন।
আয়ারল্যান্ডে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত এশিয়া, আফ্রিকা এবং পূর্ব ইউরোপের অভিবাসীদের কাছে জনপ্রিয় এই রাজনৈতিক নেতা তার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচিত হওয়ার জন্য। ইতিমধ্যেই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের সাথে রেডিও ডিবেট এ অংশ নিয়েছেন। সংবাদপত্র ও রেডিও সাক্ষাতকার দিয়ে যাচ্ছেন একাধারে। সামনেই রয়েছে প্রথমবারের মত ভোটার হওয়া আইরিশ যুবকদের সামনে প্রার্থীদের ডিবেট। তবে স্থানীয় শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে অনেকেই তার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
উল্লেখ্য শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ আয়ারল্যান্ডে সংখ্যালঘুদের আনুপাতিক হারে পার্লামেন্ট ও স্থানীয় সরকারগুলোতে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার আন্দোলন করে যাচ্ছেন যা ইমিগ্রান্টদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।
উল্লেখ্য আগামি ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
Related Articles
আব্দুল মালেক ও বেগম শামসুন নাহার স্মারক বৃক্ষ ও বৃত্তি প্রদান
সোনারং তরুছায়া আনুষ্ঠানিকতা : আব্দুল মালেক ও বেগম শামসুন নাহার স্মারক বৃক্ষ ও বৃত্তি প্রদান .আমরা ‘সোনারং তরুছায়া’র পক্ষ থেকে
“অটিজম” কোন রোগ নয়, যে বিষয়গুলো জানা থাকা আবশ্যক
আমাদের প্রতিবেশি মাসুদ সাহেবের দুই ছেলে। তার মধ্যে সামাজিক অনুষ্ঠান, উৎসব, দাওয়াত ইত্যাদিতে তিনি একটি ছেলেকে নিয়ে যান। পরিচয় করিয়ে
আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মানুষ 1971: From Australia with Love
অস্ট্রেলিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার আপামর জনসাধারন একাত্তরে আমাদের মুক্তিসংগ্রামে আমাদের প্রতি বাড়িয়ে দিয়েছিল তাদের বন্ধুত্বের হাত। দুনিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের মত


