নিন্দিত কন্টকে নন্দিত কুসুম
নিন্দিত কন্টকে নন্দিত কুসুম
আহা সুন্দর! হেরি সানন্দ পুলকে
সৃজিত অম্বরে নির্জন নিঝুম
আবির্ভাব অন্ধকার নিরালোকে।
ভাবনার জোনাকি আলো
পথ খোঁজে রাতের আলয়ে
কোন নিশ্চিন্তপুর যাবো বলো ?
অন্তরে নিরন্তর আশার বলয়ে।
যে ফুল কন্টকে ফোটে
তারে বলি বলিহারী
কোথা হতে শক্তি জোটে?
অটুট বিনীত তোমারি
আত্মপ্রত্যয়
অলয়।
প্রস্ফুটিত সুন্দর ভারি
প্রনয়ী তোমারি
অপলকে হেরি।
Mahmuda Runu
জন্ম ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৬১ বিক্রমপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ। বাবা মারফত হোসেন মা জাহানারা হোসেন। বগুড়া ভি এম স্কুল ও আযিযুল হক কলেজ শেষে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে তড়িৎ কৌশলে স্নাতক। ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস থেকে কম্পিউটার কৌশলে স্নাতকোত্তর। রাইদ মুসাওয়ের পৃথু এবং আফ্রিদা মুসাররাত প্রিয়তা দুই কন্যার গর্বিত জননি। কবিতাকে ঘিরেই ভাবনা, বাংলা কবিতাকে বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত বইঃ ওই লাবন্যকুঞ্জে (২০০৮), বন্ধনহীন গ্রন্থি (২০১১), প্রশান্ত বিলাস (২০১৭) এবং অনিত্য স্বর (২০১৭)।
Related Articles
আহা! – দিলরুবা শাহানা
সন্ধ্যা ছিল মনোরম, খাবারদাবার সবই মনোহর, দাওয়াতীরা খোশগল্পে মশগুল , অল্পস্বল্প গল্প সব নিয়ে চলছিল। রবীন্দ্রনাথ থেকে ফুলসজ্জা সব সব
প্রতীক্ষা!
প্রতীক্ষা! সারা রাত বাঁশির সুর শোনার প্রতীক্ষা! ওই বাঁশিতে প্রতিদিন একই সুর বাজে, তবুও নতুন লাগে! ওই সুরে এক মায়াবী
Baba Ke Chilen
বাবা কে ছিলেন!দিলরুবা শাহানা বাবার দাড়ি ছিল না,মসজিদে যান নি কখনোএমন কি জুম্মার নামাজেও যেতে দেখেনি বাবাকে;লাল ঝান্ডার নীচেও দাড়ান



