অজ্ঞাতনামা
সচরাচর যা হয়
মৃত মানুষের চারপাশ থেকে কিছুটা হলেও কান্নার
শব্দ শোনা যায়
কিছু মৃতের জন্য বিলাপ করা কান্নার রোল উঠে
কারো জন্যে কিছুটা চাপা
কারো চারপাশে বাতাসটা থমকানো
কারোটায় একটু -আধটু উহ আহঃ
আশ্চর্য তেমন কিছুই হচ্ছিলোনা সেখানে
সবাই ঝুকে কি যেন খুঁজছিলো
অথবা মেলাচ্ছিলো !
কিন্তু কোনো শোক দেখা গেলোনা শেষে
আশ্চৰ্য ওখানে একজন “মানুষের” লাশ ছিল
জীবিত মানুষের কাছে সমবেদনা পাওয়ার জন্য
এটা বোধকরি তেমন বৈশিষ্টই না
তাই বুঝি ঝুঁকে পরে শোকাগ্রস্থ হওয়ার মতো
কেউ কোনো মিল ই পেলোনা !
[ওয়াহিদা নীরা]
Related Articles
আহা! – দিলরুবা শাহানা
সন্ধ্যা ছিল মনোরম, খাবারদাবার সবই মনোহর, দাওয়াতীরা খোশগল্পে মশগুল , অল্পস্বল্প গল্প সব নিয়ে চলছিল। রবীন্দ্রনাথ থেকে ফুলসজ্জা সব সব
প্রেমিকার অতৃপ্ত বাসনা
আমি চাই তুমি আমাকে ভালবাসোশুধু শরীরের প্রয়োজনে নয়কিছুটা মনের টানেও…আমি চাই আমাকে ভালবাসোএটা ভেবেও যেন আন্দোলিত হও,শিহরিত হও।আমি চাই তুমি
আষাঢ় মাসের বাদলা দিনে
আষাঢ় মাসের বাদলা দিনে লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী (নবাগত কবি) আষাঢ় মাসের বাদলা দিনে টুপুর টাপুর বৃষ্টি পড়ে। খেতমাঠ, পথঘাট বাড়ির উঠোন


