কাব্য-কথন : কথা, কবিতা ও সুর
সুহৃদ,
আপনি জেনে আনন্দিত হবেন, সম্প্রতি ক্যানবেরাতে কাব্য-কথন আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি একটি ভিন্ন ধারার সাংস্কৃতিক দল যাদের কাজ কবিতা ও গান নিয়ে নিরীক্ষা।
কাব্য-কথন এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান – কথা, কবিতা ও সুর – এ আপনি আমন্ত্রিত।
তারিখ:শনিবার, ১৭ই নভেম্বর, ২০১৮
সময়সূচী:
৫:৩০ – কুশল বিনিময় এবং চা চক্র
৬:০০- থিয়েটার কক্ষে প্রবেশ
৬:০৫ – অনুষ্ঠান সূচনা
স্থান: টেইলর প্রাথমিক বিদ্যালয়, কামবাহ,ক্যানবেরা
আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকবে আপনাদের একটি মনোমুগ্ধকর এবং স্মরণীয় সন্ধ্যা উপহার দেয়া। যদিও কোন টিকেট নেই, কিন্তু আসন সীমাবদ্ধতার কারনে আপনাদের প্রতি অনুরোধ উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য – ইমেইল অথবা নিম্নের মোবাইলের মাধ্যমে।
নিবেদক –
শ্রাবনী পাল পূরকায়স্থ – ০৪৬৮৩৪৮৩১৪
সাদিয়া আফরিন – ০৪৩১০৫৬৮৩৫
বুশরা খানম – ০৪২৫৩১৬১২৫
রাজীব পাল – ০৪৭০৩৫২৩৩৬
শামসুদ্দিন শাফি বিপ্লব – ০৪১১৩৭৬৭৫৩
অনুষ্ঠানে আপনাদের উপস্থিতি আমাদের ভবিষ্যৎ পথ চলায় অনুপ্রানিত করবে।
সহযোগীতায় –
Related Articles
অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক মোঃ ইয়াকুব আলীর প্রথম বই ‘নদীর জীবন’ এসেছে এইবারের বইমেলায়
অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক মোঃ ইয়াকুব আলীর প্রথম বই ‘নদীর জীবন’ প্রকাশিত হয়েছে। বইটি মূলত লেখকের শৈশব কৈশোরের স্মৃতিকথা হলেও এতে
বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান
জাতিসংঘে’র কাছে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান জানিয়েছেন। গত ২১ ফেব্রূয়ারী ২০১৬ কেনবেরাতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলখ্যে ‘একুশে রেডিও’র সাথে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে অস্ট্রেলিয়াতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাস্ট্রদুত হিজ এক্সিলেন্সি কাজী ইমতিয়াজ হোসাইন বলেন, বাংলাভাষাকে বাংলাদেশের সর্বস্তরে চালু করার সরকারী পদক্ষেপের পাশাপাশি বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের জন্যে জাতিসংঘে’র কাছে প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান জানিয়েছেন। বিশ্বজুরে বাংলা ভাষার ব্যপক ব্যপৃতির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাস্ট্রদুত হোসাইন বলেন, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ দেশে বাংলা ভাষা ভাষি লোকেদের বিচরন রয়েছে। এসব দেশে বাংলা’র প্রচলন ও চর্চার মধ্যে দিয়ে বাংলাকে আরো ব্যপৃত করার সুজোগ রয়েছে। বাংলা ভাষার মধ্য দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয় আরো নিগুড় হবে বলে তিনি মনে করেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে’র স্বার্থকতা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন ১৯৯৯ সালে এউনেস্কো ২১ ফেব্রূয়ারী’কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষনা করার পর পৃথিবীর সর্বত্রই সব ভাষাভাষির লোকেরা গর্বের সাথে এই দিন টিকে উদযাপন করে আসছে।মাজিক কর্মকান্ড সহ জন জীবনের প্রতিটি কাজে ভাষার প্রয়োজনীয়তাটাকে স্মরন করার একাটা সুজোগ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন। বাংলাকে সর্বস্তরে চালু করার সরকারী উদ্দোগ থাকা স্বত্তেও ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বাংলাভাষার ব্যবহার তেমনভাবে দেখা যায় না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন- বাংলাদেশ একটা রপ্তানী মুখী দেশ। আর ব্যাবসায়িক
ক্যানবেরায় বাংলাদেশিদের মহান বিজয় দিবস উদযাপন
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ১৬ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার ক্যানবেরায় স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মহান বিজয় দিবস উদ্্যাপন করোনা ভাইরাস জনিত মহামারির জন্য



