গাংগালীন মসজিদ এবং সাম্প্রতিক নাটক

গাংগালীন মসজিদ এবং সাম্প্রতিক নাটক

মসজিদ নিয়ে খেলাটা জমেছ ভালোই, শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গার মত, শত শত মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য দক্ষিনের ডায়নামিক নেতার পাতিচামচারা অনুমতি ছাড়াই – হামটি হলের ডামটি নেতার নির্বাচনী প্রচারনায় ব্যবহার কইরা মাইনকা চিপায় পইরা গেছে,মনে হইতাছে । কমিউনিটির এই ডায়নামিক তথ্য প্রযুক্তি বিশারদরা মনে হইতাছে মার্কিন নির্বাচনী কৌশলেরও হারমানায় ফেলাইলো । বিশ্ব মোড়ল ট্রামপ পাগলারে এই মেধাগুলির খবর কেউ কি নিজ দায়িত্বে পৌছাইয়া দিবেন ।

বাঙ্গালী জাতীর সুপ্ত প্রতিভা গুলি বিশ্ব দরবারে তুলিয়া ধরা আমাদের নৈতিক কর্তব্যের মধ্যেই পরে মনে হয় । এই প্রতিভ গুলি আজ বড়ই অবহেলিত । ৩/৪ বছর এই রকম বানদর নাচ কমিউনিটির অধমরা দেখছিলো তখন কিন্তু সুশিলরা মারহাবা মারহাবা বইললা ধ্বনি দিছিলা । এখন যখন এই জেহাদী প্রযুক্তিবিদরা লুংগী ধইরা টান দিলো তখন সুশীলদের মনে হইলো – আমার মধ্যের ঠেং তো বাইর হইয়া গেলো। আগে জানতাম প্রেম আর যুদ্ধে নৈতিকতার বালাই নাই …. আর এখন তোমার উপাসনালয়ও সত্য নাই বিধাতা ।


Place your ads here!

Related Articles

রমজানের জন্য আবেদন

আসসালামুআলাইকুম। সবাইকে রমজানের শুভেচ্ছা। সারাদিন রোজা রেখে দিনের শেষে পেট-পুরে খাওয়া-দাওয়া করতে কার না ভাল লাগে? এবং আমরা খাই। আলহামদুলিল্লাহ্‌

বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান

জাতিসংঘে’র কাছে  বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা বাংলাকে জাতিসংঘের  দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান জানিয়েছেন। গত ২১ ফেব্রূয়ারী ২০১৬ কেনবেরাতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলখ্যে ‘একুশে রেডিও’র সাথে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে অস্ট্রেলিয়াতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাস্ট্রদুত হিজ   এক্সিলেন্সি কাজী ইমতিয়াজ  হোসাইন বলেন, বাংলাভাষাকে বাংলাদেশের  সর্বস্তরে চালু করার সরকারী পদক্ষেপের পাশাপাশি বাংলা ভাষার  আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের জন্যে জাতিসংঘে’র কাছে  প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের আহবান জানিয়েছেন। বিশ্বজুরে বাংলা ভাষার ব্যপক ব্যপৃতির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাস্ট্রদুত  হোসাইন বলেন, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ দেশে বাংলা ভাষা ভাষি লোকেদের বিচরন রয়েছে। এসব দেশে বাংলা’র প্রচলন ও চর্চার মধ্যে দিয়ে বাংলাকে আরো  ব্যপৃত করার সুজোগ রয়েছে। বাংলা ভাষার মধ্য দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয় আরো নিগুড় হবে বলে তিনি মনে করেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে’র স্বার্থকতা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন ১৯৯৯ সালে  এউনেস্কো ২১ ফেব্রূয়ারী’কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষনা করার পর পৃথিবীর সর্বত্রই  সব ভাষাভাষির লোকেরা গর্বের সাথে  এই দিন টিকে উদযাপন করে আসছে।মাজিক কর্মকান্ড সহ জন জীবনের প্রতিটি কাজে ভাষার প্রয়োজনীয়তাটাকে  স্মরন করার একাটা সুজোগ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন। বাংলাকে সর্বস্তরে চালু করার সরকারী উদ্দোগ থাকা স্বত্তেও ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বাংলাভাষার ব্যবহার তেমনভাবে  দেখা যায় না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন- বাংলাদেশ একটা রপ্তানী মুখী দেশ। আর ব্যাবসায়িক 

যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস-২০১৭ পালন

বাংলাদেশ হাইকমিশন, ক্যানবেরা-তে যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস-২০১৭ উদ্যাপন । সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ক্যানবেরা, ১৭ এপ্রিল ২০১৭ – বাংলাদেশ হাইকমিশন,

No comments

Write a comment
No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write a Comment