অস্ট্রেলিয়াতে বাংলা প্রসার
আপনারা অবগত আছেন বাংলা প্রসার কমিটি সুদীর্ঘ সতেরো বছর যাবত বাংলা ভাষাকে অস্ট্রেলিয়ার বুকে সরকারী ভাবে স্কুলে পাঠ্য বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে নিউ সাউথ ওয়েলস সরকারী স্কুলে বাংলা ভাষাকে একটি সাবজেক্ট হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে যা বর্তমানে একটি সেন্টারে ( লিভারপুল গার্লস হাই স্কুল ) শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে যা কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজ সাটারডে স্কুল হিসেবে পরিচিত। কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে বাংলাভাষাকে আরও একধাপ উন্নীত করে ইয়ার ইলেভেন এবং টুয়েলভ এ পাঠদানের অনুমোদন দিয়েছে যা হেইচ এস সি তে এটার হিসেবে অন্তর্ভুক্তের প্রথম ধাপ। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংখ্যক ছাত্র ছাত্রীর অভাবে এখনও তা চালু করা সম্ভব হয়নি। ২০১৯ সালে আবারো এই কর্মসূচী চালুর প্রচেষ্টা চলছে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
আপনারা যদি একটু প্রচার করেন তা হলে বাংলা ভাষায় আরও কিছু ছাত্রছাত্রী সংগ্রহ করা সম্ভব হবে এবং বাংলা বিষয়টি ইয়ার ইলেভেন এবং টুয়েলভ এ পাঠদানের অনুমোদন নিয়ে হেইচ এস সি তে এটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
২০১৯ সালের ফ্লায়ার সংযুক্ত করা হল।
ধন্যবাদ।
প্রচারে
বাংলা প্রসার কমিটি

Related Articles
Press Release – Birth Anniversary of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and the National Children’s Day On 17 March 2016
Press Release – Bangladesh High Commission in Canberra Bangladesh High Commission in Canberra celebrated the 96th birth anniversary of the
Buddha Purnima to be observed on 17 May
Date: 13 May 2011Message of High Commissioner on the Occasion of Buddha PurnimaThe teachings of the Lord Buddha are solely
অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাংলাদেশ -ভারত মৈত্রী দিবস উদযাপন
প্রেস বিজ্ঞপ্তি . ক্যানবেরা, ৬ নভেম্বর ২০২১: অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় উদযাপিত হলো বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিবস। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরকে স্মরণীয় করে রাখতে সেদেশের রাজধানীর হায়াত হোটেলে বাংলাদেশ ও ভারতের হাইকমিশন যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এ সময় আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে জাাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম, ১৯৭১ সালে সংঘটিত গণহত্যা, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও এতে ভারতীয় সহায়তা, বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা, বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে তৎকালীন ভারত সরকারের ভূমিকা এবং স্বাধীনতা পরবর্তী দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও উন্নয়ন সহযোগিতা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক বাংলাদেশের উন্নয়নের সূচনা, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রা এবং বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে একটি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। বাংলাদেশি ও ভারতীয় শিল্পীরা পৃথকভাবে সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুফিউর রহমান, ভারতের হাইকমিশনার মনপ্রীত ভোরা (Manpreet Vohra) এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হারিন্দার সিধু বক্তৃতা করেন। এছাড়া রাশিয়াসহ অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত ৩১টি দেশের মিশনপ্রধান, বাংলদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার, অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, থিংকট্যাঙ্ক, মুক্তিযোদ্ধা, প্রবাসী বাংলাদেশি ও ভারতীয়সহ শতাধিক ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


