ক্যানবেরা শ্রোতাদের মন্ত্র-মুগ্ধ করলেন শিল্পি কাদেরী কিবরিয়া
গত ১৬ই মার্চ শুক্রবার স্বাধীনতা দিবস উৎযাপন উপলক্ষে ‘আমরা তোমাদের ভুলবো না’ শীর্ষক একটি অনবদ্য সংগীত সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয় ক্যানবেরা কলেজ থিয়েটারে।
এই অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ তথা দুই বাংলার রবীন্দ্রসঙ্গীতের কিংবদন্তী শিল্পি, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের জনপ্রিয় কন্ঠসৈনিক একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পি- কাদেরী কিবরিয়া।
বাংলাদেশের মান্যবর হাই কমিশনার জনাব সাফিউর রহমানের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এরপর অষ্ট্রেলিয়ান লিবারেল পার্টি এবং বিরুধী দলের নেতা আলিস্টার কো বাংলাদেশে কাদেরী কিবরিয়ার অবদান নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এর পর পরই শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। শিল্পি কাদেরী কিবরিয়া দর্শকশ্রোতাদের নিয়ে সন্মিলিত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন। এরপর স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের জনপ্রিয় এবং দেশের গান পরিবেশন করেন দিয়েই প্রথম পর্বের অনুষ্ঠানটি শেষ করেন। তিরিশ মিনিট বিরতির পর দ্বিতীয় পর্বে কাদেরী কিবরিয়া এবং জয়শ্রী দাসের দ্বৈতকন্ঠে ‘দক্ষিন হাওয়া জাগো জাগো’ গানটির সাথে নৃত্য পরিবেশন করে ক্যানবেরার অত্যন্ত মেধাবী সংগীত এবং নৃত্যশিল্পি স্নেহা দাস। দ্বিতীয় পর্বে তিনি পরিবেশন করেন জনপ্রিয় সব রবীন্দ্রসঙ্গীত এবং আধুনিক গান। ৭০/৮০ দশকের জনপ্রিয় দ্বৈতসংগীত ‘এইতো হেথায় কুন্জ ছায়ায়’ গানটি কাদেরী কিবরিয়ার সাথে পরিবেশন করেন ক্যানবেরার সবচেয়ে জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পি পারমিতা দে।
অনুষ্ঠানে কাদেরী কিবরিয়ার সাথে যন্ত্রে সহযোগিতা করতে সিডনি থেকে এসেছেন- লোকমান হাকিম (মন্দিরা), সাকিনা আক্তার (তবলা), ইফতেখার জামান (হ্যান্ডসনিক) এবং পলাশ বাসাক (গিটার)। তাদের অস্বাধারণ পরিবেশনাও দর্শকশ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে।
প্রায় তিন ঘন্টার এই অনুষ্ঠানটিতে কাদেরী কিবরিয়া দর্শকশ্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধের মতো আকৃষ্ট করে রেখেছিলেন।
অনুষ্ঠানের আয়োজক স্বপ্না শাহনাজ এবং এজাজ আল মামুন সব শিল্পি এবং দর্শকশ্রোতাদের তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানান।
Related Articles
শ্রীমঙ্গলে পাহাড়ের কোলে পাঁচতারা ‘গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এ্যান্ড গলফ’ এর রাজকীয় উদ্বোধন
রাজকীয় আয়োজনের মধ্য দিয়ে আজ ২৫ ডিসেম্বর ২০১৩, বুধবার, আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরম্ন করল চা-বাগান, ঝর্ণা আর বনভূমির আদর লালিত নয়নাভিরাম
Short Film About Bengali Immigrants – Director Adnan Chowdhury
Whilst most young Bengalis are working hard to become software programmers, or lawyers, or doctors, Adnan Chowdhury has decided to
Book on Bangabandhu presented to Bangladesh High Commission
Bangabandhu’s Biography, edited by Monaem Sarkar and recently published by Bangla Academy, was presented by the editor to W. A.





