বাংলাদেশ হাইকমিশন ক্যানবেরায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ হাইকমিশন ক্যানবেরায় মহান বিজয় দিবস- ২০১৭ উদযাপন।
ক্যানবেরা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭, রোজ শনিবার বাংলাদেশ হাইকমিশন ক্যানবেরায় মহান বিজয় দিবস- ২০১৭ যথাযথ মর্যাদা এবং আনন্দ- উদ্দীপনার মাধ্যমে পালন করা হয়।
সকাল ৯:০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠানের শুরুতে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ফরিদা ইয়াসমিন ও হাইকমিশনে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত প্রবাসীদের উপস্থিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রেরিত বাণী পাঠের মাধ্যমে সকালের অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকার সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে দো’য়া ও মোনাজাত পাঠ করা হয়। ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ফরিদা ইয়াসমিন তাঁর স্বাগত বক্তব্যে সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি শোকাহিত চিত্তে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে ১৬ ডিসেম্বর এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জাতির পিতা ছিলেন জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্বাধীনতার রূপকার। সম্প্রতি টঘঊঝঈঙ কর্তৃক জাতির জনকের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে বিশ্ব প্রামান্য ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের সম্মানের কথাও তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন যে, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশকে আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু বিশাল কর্মকান্ড গ্রহণের পাশাপাশি গ্রহণ করেছিলেন “ সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’- এই পররাষ্ট্র নীতি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নতি বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে আজ স্বীকৃত। ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার জাতির জনকের আদর্শকে হৃদয়ে ধারন এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর আদর্শকে পৌছে দেয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান। একই সাথে বর্তমানে জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার উদাত্ত আহব্ান জানান। এরপর শিশু কিশোরদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দুই শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশী উক্ত অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
পরিশেষে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ এবং নৈশ ভোজে অংশগ্রহনের আমন্ত্রণ জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষনা করা হয়।
Related Articles
সিডনিতে রংধনু অজ-বাংলা কালচারাল সোসাইটি আয়োজিত এওয়ার্ড নাইট
রংধনু অজ-বাংলা কালচারাল সোসাইটি ইনক ডেস্ক, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া । আগামী ৩ নভেম্বর ২০১৮ শনিবার রংধনু অজ-বাংলা কালচারাল সোসাইটি ইনক প্রতি
সিডনির অনিক এখন চিরঘুমে রকউড গোরস্তানে
ফজলুল বারী: শোকার্ত বাবা-মা-ভাই-স্বজন, সহপাঠী-বন্ধুরা চোখ ভেজানো কান্নায় শেষ বিদায় জানালেন অনিককে। মনোয়ার সরকার অনিক (২৪) । অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বুকে
Requesting Twisha Makwana's fund appeal
Dear Friends Please join us to raise fund on the 25th October for little Twisha…. Let’s give her a chance





