ইউনেস্কোর অভিনন্দন
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
“ইউনেস্কোর অভিনন্দন”
৭ই মে ২০১৭
আমরা গভীর আনন্দের সাথে সকল মাতৃভাষাপ্রেমি এবং একুশের চেতনার উত্তরসূরি সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, ইউনেস্কো পৃথিবীর সকল ঝুঁকিপূর্ণ মাতৃভাষা সংরক্ষণে মাদার ল্যাংগুয়েজেস কনসারভেশন মুভমেন্ট ইন্টারন্যাশন্যাল ইনক এর কার্যক্রমকে আভিনন্দন জানিয়ে লেখা পত্রে সংগঠনের মিশন’কে ‘হৃদয়গ্রাহী’ কার্যক্রম, এবং ইউনেস্কোর কার্যক্রমের সম্পূরক কার্যক্রম হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। আমরা মনে করি সকল ঝুঁকিপূর্ণ মাতৃভাষা সংরক্ষণে এমএলসি মুভমেন্টের উদ্ভাবিত বৈশ্বিক কৌশলসমূহের উপর ইউনেস্কোর এই বিরল সম্মানজনক মূল্যায়নের ফলে পৃথিবীর সকল ঝুঁকিপূর্ণ মাতৃভাষা সংরক্ষণে একুশের চেতনার বৈশ্বিক প্রাতিষ্ঠানিকতা অর্জনের পথ অনেক সহজতর হবে, এবং বিশ্বের সকল লাইব্রেরীতে “একুশে কর্নার” দর্শন প্রবর্তন বাস্তবায়ন ইউনেস্কোর প্রথানুযায়ী আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অপেক্ষা মাত্র। উল্লেখ্য, ইউনেস্কোর মহাপরিচালক বরাবরে সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত “একুশে কর্নার” বিষয়ক সেমিনারে উত্থাপিত পেপার প্রেরণের প্রেক্ষাপটে ইউনেস্কো থেকে এই অভিনন্দন পত্র প্রেরন করা হয়।
এমএলসি মুভমেন্টের প্রতি ইউনেস্কোর এই অভিনন্দন সকল মাতৃভাষাপ্রেমি শুভানুধ্যায়িসহ পৃথিবীর সকল ভাষাভাষীরদের প্রতি উৎসর্গিত।
[pdf_attachment file=”1″ name=”press release”]
Nirmal Paul
নির্মল পাল; ইমেইলঃ nirmalpaul@optusnet.com.au; প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপারশনঃ এমএলসি মুভমেন্ট ইনটারন্যাশন্যাল ইনক; প্রাথমিক নকশা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নকারী দলনেতাঃ পৃথিবীর প্রথম “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্মৃতিসৌধ”; প্রকাশিত গ্রন্থঃ “বিশ্বায়নে শহীদ মিনার”; বৈশ্বিক দর্শনঃ “লাইব্রেরীতে একুশে কর্নার”, (স্থানীয় বর্ণমালা সংরক্ষণ কেন্দ্র)
Related Articles
অষ্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ারের উদ্যোগে ঈদুল আয্হার জামাত অনুষ্ঠিত
বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সিডনীর অধিকাংশ স্থানে গত ৮ ই ডিসেম্বর সোমবার মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র
Rtv in Australia
প্রিয় বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়াবাসী, আপনাদের স্থানীয় যেকোনো অনুষ্ঠান কিংবা স্থানীয় খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে Rtv আপনাদের পাশে সব সময় থাকবে
Plea to be partner of Shwopnochari to help deprived children/students in Bangladesh
Respected community members, This is an email from me, Tanjina, currently working as a Research Scientist at University of Otago,


