বন্ধুত্ব হয় সমান চিন্তার মানুষের মধ্যে
কাহলীল জিব্রাণ, আইডির নাম! আসল কীনা নকল জানিনা, লোকেশন দেয়া আছে কানাডা। ফেসবুকে এর পোস্টগুলো পড়লে দেখবেন বাংলাদেশে আরেকটা পচাত্তর হত্যাকান্ডের স্বপ্নে বিভোর! বিষয়টি নজরে আসার পর তাকে আজ আমার বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দিলাম। জার্মানিতে আশ্রয় নেয়া প্রিয় একজনকেও বাদ দিয়েছি কিছুদিন আগে। ইদানীং তাকে সবকিছুতে দেখি ট্রল করতে মন্তব্য দেখি, ‘জয় বাংলা না বলে যাবেননা!’ মুক্তিযুদ্ধের জয় বাংলা শ্লোগান, কথায় কথায় নানাকিছুতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজনকে ‘চেতনা ব্যবসায়ী’, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বের সংগঠন আওয়ামী লীগকে ‘বাল’, লেখা, আমাদের সনাতন ধরমাবলমবী বন্ধুদের ‘মালাউন’ কটাক্ষে উল্লেখ করা, এসব যাদের ট্রল করার প্রিয় শব্দ বাক্য, তারা আসলে কোথাকার পয়দা তা এখন বোঝার বয়স হয়েছে। এমন ছদ্মবেশী কাউকে চিহ্নিত করে দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো। বিদায় করবো।
আরেকদলকেও বন্ধু তালিকা থেকে বিদায় করি, যারা ফেইসবুককে ধর্মগ্রন্থ বা উপাসনালয় মনে করে! আমাকে কেউ ‘ভালো আছেন’ জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেই, জি ভালো আছি, আপনি কেমন আছেন? অনুগ্রহপূর্বক এর উত্তরে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ লিখে দেবেননা। এটা যদি মুসলমানিত্ব হয় বা মনে করেন, পুরো প্রশ্নটাই আরবিতে করবেন।
এই উপদ্রবটা ইদানীং হঠাৎ শুরু হয়েছে! অথচ সারা জীবন যে কাউকে ‘ভালো আছেন’ জিজ্ঞেস করলেই জবাব পেয়েছি হ্যাঁ ভালো আছি, আপনি কেমন আছেন’। বিশ্বাস করেন ইদানীং এই উপদ্রবে কেউ ‘ভালো আছেন’ জানতে চাইলে তাকে আর জিজ্ঞেস করিনা তুমি কেমন আছো’? সোজা চলে যাই তার প্রসংগে। আরো একটু সেয়ানা অইলে কইবে ‘ সে আগে মুসলমান পরে বাঙালি’! তা এই বান্দা এই কথাগুলা বাংলায় কও কেন? তুমিতো মনে করে বিশ্বাস করো মুসলমানের ভাষা আরবি! এমন লোকজনকে জায়গামতো প্রস্থান করতে বলি। কারন বন্ধুত্ব হয় সমান চিন্তার মানুষের মধ্যে।
ফজলুল বারী
Related Articles
“লাইব্রেরীতে একুশে কর্নার” – একুশের চেতনা’র বৈশ্বিক প্রাতিষ্ঠানিক দর্শন
“লাইব্রেরীতে একুশে কর্নার” – একুশের চেতনা’র বৈশ্বিক প্রাতিষ্ঠানিক দর্শন – (৩য় পর্ব- “একুশে কর্নার পোস্টার”) নির্মল পাল: আধুনিক বিশ্বায়নের ধারায়
রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধান কে করবে? – দুই পর্বের শেষ পর্ব
গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল এন্টোনিও গুটারেস এক প্রেস কনফারেন্সে মিয়ানমার কে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রদান কিংবা কমপক্ষে
ক্রিকেটবোর্ডকে লেখা খোলা চিঠি
[এই লেখাটা ক্রিকেট নিয়ে। লেখাটা প্রথম যেদিন লিখি, মনে আছে, লিখতে লিখতে কেঁদে ফেলেছিলাম। আজ লেখাটা আবার পড়ছি, কাঁদছি, কাঁদতে



