ক্রিকেট জাতি অস্ট্রেলিয়া বিব্রত, ক্ষুব্ধ এবং লজ্জিত
মনটা খুব খারাপ, বিক্ষিপ্ত। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল বল ট্যাম্পারিং’এর যে কেলেংকারিতে জড়িয়েছে, তা শোনার-জানার পর কি মন ভালো থাকার কোন সুযোগ আছে? অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে এক সময় স্লেজারিং’এর অভিযোগ ছিল। কিন্তু ক্রিকেট নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ এর আগে কখনো শোনা যায়নি। পুরো ঘটনাটি নিয়ে ক্রিকেট জাতি অস্ট্রেলিয়া বিব্রত, ক্ষুব্ধ এবং লজ্জিত।
ক্রিকেট এদেশের এক নাম্বার খেলা নয়। কিন্তু ক্রিকেট দলটি এদেশের খুব মর্যাদাপূর্ন একটি দল। বলা হয় অস্টেলিয়া ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেনের মর্যাদা অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সমান। এরজন্যে ঘটনা জানার পর সবার আগে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তাদের ফোন করে ক্রিকেট ক্যাপ্টেন স্টিভ স্মিথকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরতো আর স্টিভের নেতৃত্ব আঁকড়ে থাকার সুযোগ নেই।
স্টিভ, তার ডেপুটি ডেভিড ওয়ার্নার দু’জনেই এরমাঝে পদত্যাগ করেছেন। আমার ধারনা তাদের জন্যে আরও বড় শাস্তি অপেক্ষা করছে। কারন কোন রকম দুর্নীতি অস্ট্রেলিয়ান সমাজ অনুমোদন করেনা। এবং আইসিসিও স্টিভকে নিষিদ্ধ করেছে এক টেস্টের জন্যে। স্টিভ, ওয়ার্নার কী আর সঠিক ছন্দে ফিরতে পারবেন? মনে হয়না।এরমাধ্যমে আমরা হারাচ্ছি স্টিভ, ওয়ার্নারের মতো চমৎকার দু’জন ক্রিকেটারকে। অনেক কষ্টে, পরিশ্রমে তারা আজকের স্থানটায় পৌঁছেছিলেন। কিন্তু একটি জঘন্য দুর্নীতি সবকিছু লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। দুর্নীতির কোন ক্ষমা নেই। অন্তত অস্ট্রেলিয়ানদের কাছে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সবার কাছে ক্ষমা চাইছি। উই আর সরি।
Related Articles
Bangladesh: No Justice for Wounded Teenager
The Bangladeshi government should order an independent investigation and prosecute members of the Rapid Action Battalion (RAB) responsible for a
চাইছি তোমার বন্ধুতা
‘বন্ধুত্ব ‘ – কি সহজ একটি শব্দ ! কিন্তু বন্ধু সম্পর্ক টি কি সত্যিই এত সহজ ? বাংলায় কাছাকাছি আরেকটি
সাহিত্যে সম্পদ আহরণ ও সমাজ পরিবর্তনের ইঙ্গিত
সাহিত্যিক গবেষক নন তবে তার পর্যবেক্ষণ খুব গভীর ও নিবিড়। সাহিত্যিক নিরাসক্তভাবেই তার চেতনে, অবচেতনে চারপাশে বহমান জীবনের ও চলমান




