গাঙ্গালীন মসজিদ এবং ধর্মের নামে ধার্মিকরা
আমাদের কমিউনিটিতে চলছে নির্বাচনী আমেজ । দুই দলেরই চলছে বিপ্লবী চেতনার প্রচারনা; এক দলের আদর্শ খাঁটি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে হবে, আরেক দলের প্রচারনা মৌলবাদ রুখতে হবে। এই মসজিদটার বেশ সংগ্রামময় ইতিহাস আছে, গুটি কয়েক প্রবাসীর ধর্ম চর্চার আগ্রহ নিয়ে এর পথচলা , যদিও সেই মানুষ গুলো আজ বলতে গেলে নির্বাসিত মসজিদ থেকে। নানান চড়াই উৎরাই পেরিয়ে জমি পাওয়া গেলো , মসজিদের কাঠামো যখন দেখা গেলো , ঠিক তখনই একদল জেহাদীর আবির্ভাব ঘটলো উওর দিক থেকে। আধুনিক ফ্যাশনের দাঁড়ী, আরবদেশের দিশদাস আর সবুজ টুপি , ঠুসঠাস আলহামদুলিললাহ, মাশহাললাহ বলে অধম বংগালীদের আকিদা শিখানো শুধু করলো। এর আকিদা দুর্বল , অমুকের ঈমান নাই, তিনি ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বাড়ীর করছে সুতরাং কমিটিতে থাকতে পারবেনা , অমুকের সংসার জীবন শরিয়ত সম্মত না, মহিলারা সালাম দিলে মুখ ফিরায়ে থাকা কারন, শরিয়তে মানেনা অথচ অফিস আদালতে শেতাঙ্গীনির করমর্দন , সাথে আবার বাংলাদেশের রাজনীতির উপাদানও যোগ হলো – নৌকা আর ইসলাম এক সাথে যায় না, অথচ এক সময় গোলাপি বেগমের পদতলেই ইসলাম প্রতিষ্ঠার খোয়াব দেখেছিলো ।
এদের অনেকেরই প্রথম পরবাস জীবন ঘাঁটলে দেখা যাবে সুরা আর সাকিতে ভরপুর। বাংগালীয়ানা , ওঁরে বাবা এতো বেদাতি কাজ, সাম্প্রতিক সময়ে এসে যোগ হয়েছে মধ্যপ্রাচের আরব বসন্তের উপাদান সালাফি , ওহাবি চেতনা আর উপমহাদেশের মওদুদীবাদ , আরবিতে কথা বললেই , শরিয়ত মারিফতের সকল সমাধান খুঁজে পাওয়া যায় এদের কাছে, যেমন দুই বাংগালির বিবাদ হলে বিচারক মানি শেতাঙ্গকে। সমকালীন সময় একটা ঐক্য হয়েছিলো এদের সাথে তথাকথিত আধুনিকমনস্ক বাংগালীর, তাবলীগে তাড়াতে হবে এই চেতনায় , বড়ই নির্মম পরিহাস এই সংসারটা টিপলো বছর দুয়েক – এখন চলছে দুই সতিনের কাড়াকারি । আর এদের সাথে যোগ হয়েছে নেতৃত্বের চরম ব্যর্থতা।এর সাথে ঐক্য হবে তো ওর সাথে হবে না।
আমাদের নবীজির শিক্ষার মধ্যেই আছে সমঝোথার , ঐক্যর শিক্ষা, শরিয়ত ও সুন্নাহর আলোকে ।
শত বছরের সনাতনি ইসলাম ধর্ম আজ নতুন করে শিখতে হচ্ছে এদের কাছে ।
Related Articles
A 9 year old boy's perception – Politics is a bad habit for Bangladesh
I am a child from Bangladesh. Before I came to Australia, I have lived and passed within my country Bangladesh
নিন্দিত নন্দন – ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী – একজন জীবন যোদ্ধার গল্প
কখনওই ভাবিনি বুক রিভিউ লিখবো। কিভাবে লিখতে হয় তাও জানা নেই আমার। কিন্তু ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর নিন্দিত নন্দন পড়ার পর থেকেই


