পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসব নিয়ে ককবরক (ত্রিপুরা) গান
তুরু রুতু তুরু রু সুমুর সুফতিয়ৈ: পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসব নিয়ে ককবরক (ত্রিপুরা) গান
ছবিতে: বাম দিক থেকে – মেয়ে সুয়ারি, নাইরৌং, রাজেশ্বরী, স্বামী অভিলাষ ও ছেলে খাহিঙ্গ
গানটি ককবরকে (ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষা) পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের বর্ষ উদযাপনের উৎসব বৈসু নিয়ে।
বঙ্গাব্দের চেয়ে তিন বছর পুরনো বর্ষপঞ্জি ত্রিপুরাব্দের শেষ দুই দিন ও নববর্ষ কে যথাক্রমে হারি বৈসু, বৈসুমা ও বিসিকাতাল বা আতাদাক বলা হয় । হারি বৈসুর দিন ঘরদোর ও কাপড়চোপড় পরিষ্কার করা হয় এবং উৎসবের খাবার তৈরি করা হয় । এদিন ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, গরয়া নৃত্য ও কীর্তনের শুরু হয়। বৈসুর দিন আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী ও প্রিয়জনদের বাড়িতে পালাক্রমে শুভেচ্ছা বিনিময় ও খাবার পরিবেশন করা হুয়। এদিন সবার বাড়িতে সকলের জন্য দোয়ার খোলা । বিশেষ খাবারের মধ্যে রয়েছে “পাঁচন” নামক সর্বোচ্চ সংখ্যক সবজি মিশিয়ে রান্না করা খাবার, ঐতিহ্যবাহী পিঠা, বিশেষ পানীয়, জুমে উৎপাদিত ফলমূল ইত্যাদি । বিসিকাতালের দিনে পরিবার, দেশ, সমাজ ও জাতির মঙ্গলের জন্য পূজা প্রার্থনা করা হয় । এ দিন পরিবার ও গ্রামের বয়স্ক ও গুরুজনদের স্নান করানো হয় ও পা ধূয়ে প্রণাম করা হয়।
Related Articles
স্মৃতিতে ছাত্র নেতা খন্দকার ফারুক
আজকাল প্রায়ই পরিচিত জনের চলে যাবার খবর পাই। বার্ধক্য বা দীর্ঘ রোগ ভোগের পরে মৃত্যু সংবাদ পেলে অতটা বিচলিত বোধ
Quarantiny – Chapter 2 Pre-Quarantine
“We will get through it andwe will come out stronger” We are the surrounded by the 21st Century Quarantine “Diplomacy”!
অন্য রমক ভালবাসা
কৃষাণু একটা ক্ষ্যাপা ছেলের নাম । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। রাষ্ট্র বিজ্ঞানের । সেই সুত্রে রাষ্ট্র কে কলঙ্কমুক্ত করার নেশার ভুত



