রংধনু আর আমার ভাবনা!
বৃষ্টির দিনে ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মাঝে সূর্যের আলোকরশ্বি যখন উকি দেয় তখন অপরদিকে আকাশে ভেসে ওঠে গগন বিস্তির্ন রংধনুর সাতরং এর আলোকরশ্বি। সূর্য্যের আলো তার সৌন্দর্যকে বিকশিত করে আমাদের মাঝে এই রংধনুর ৭ রং ছড়িয়ে দেয় যার স্থায়িত্বকাল অতি অল্প!
সেরকম ভাবে আমাদেরকেও এ পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে রংধনুর মত চারদিকে আলো বিকশিত করবার জন্য, কিন্তু আমরা কি তাই করি বা করতে পারি? আমাদের ভাবা উচিত যে, সময় আমাদের খুবই কম!! পথপ্রদর্শক রংধনুকে দেখে কখনো কি আমরা একথাটা আদৌ ভাবি না যে সেই রংধনুর আলো নিভে গেলে যেমন রংধনুর কোন অস্তিত্ব থাকেনা, সে ফিরে যায় তার উতপত্তিস্থলে, তেমনি আমাদের সময়ও কোন না কোন একসময় শেষ হয়ে যাবে আর আমাদেরও ফিরে যেতে হবে সেই বিশেষ সুত্রপাত আল্লাহতায়ালার কাছে। আসলে আমাদের জীবনের নানান রং গুলি যেমন নানান সময়ে তাদের বিভিন্ন রুপ নিয়ে আবির্ভূত হয় তেমনি রংধনুও তার ৭ রং দিয়ে বিভিন্ন ভাবে আকাশের গভীরতা আর তার চারপাশের বিশালতার প্রকাশ ঘটায়!
রংধনু যেমন তার আভা ছড়িয়ে আমাদের আনন্দ দিয়ে চলে যায় আর মনের ভেতর শান্তির এক দাগ কাটা থাকে, তেমনি আমরা কি পারি বা পারবো পৃথিবী থেকে চলে যাবার আগে এমন কিছু করে যেতে যাতে করে পৃথিবীর মানুষ এর ভাল হয় এবং আল্লাহ্ তায়ালাও খুশী হন!! ইচ্ছাশক্তির চেয়ে বড় আর কি’ই বা থাকতে পারে? প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর প্রচন্ড মনোবল এর কাছে কিন্তু অনেক কিছুই হার মেনে যায়!!
Dr Naila Aziz Meeta
Home town is Bangladesh, live in Australia. Love to write, read, travel, and listening to music.
Related Articles
21st Century “Kunta Kinte”! Chapter 4: The flash back! (part one)
21st Century “Kunta Kinte”! Introduction: Revealing the “untold”! | Chapter 1: The realisation! | Chapter 2 : The beginning! |
বাংলাদেশে প্রাথমিক শ্রেণীকক্ষে শান্তি-সংস্কৃতি পাঠ্যক্রম!
শিশুদের ওরেসি বা বক্তৃতায়, কথায়, অনর্গল এবং ব্যাকরণগতভাবে নিজেকে প্রকাশ করার ক্ষমতা যা পড়া, লেখা, বাকপটুতা ও সংখ্যাগণনায় (নিউমারেসি) তাদের
প্রিয় মানুষের শহর – ১০
এই বাড়ন্ত জোয়ান বয়সে একবার এক প্রিয় তবলা শিল্পী কে বললাম – দাদা আমি তবলা শিখতে চাই। তিনি বললেন তাল



