আমার অনুভূতিতে পূর্ণিমা
আজ পূর্ণিমা !! অনেক ছোট থেকেই এই দিনটার প্রতি আমার এক বিশেষ দুর্বলতা! অসাধারন সুন্দর এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টাকে মনের গভীরে কবে, কিভাবে গেথে ফেলেছি জানিনা, তবে যত দিন যাচ্ছে এর মহিমা ততই আমার হৃদয়ের অন্তস্থলে আবদ্ধ হচ্ছে ! ছোটবেলার সেই কবিতার লাইন গুলো, বাঁশ বাগানের মাথার ওপর চাদ উঠেছে ঐ, মাগো আমার শোলক বলা…..কই ? আজ এত বছর পরেও মনের মাঝে সেই সুর ভেসে আসে, যদিও এই প্রবাস জীবনে বাশ বাগানের দেখা পাওয়া খুবই কঠিন তবুও মন খুজে বেড়ায় সেই স্মৃতির খাতাকে চারপাশের গাছ গাছালিতে ভরা প্রকৃতির মাঝে!! পূর্ণিমার সৌন্দর্যের মুগ্ধতায় আমি এতই আবেগপ্লুত যে কখনো অন্য কোন কিছুর জন্য এভাবে অপেক্খা করে থাকিনা যেভাবে এই সময়টার জন্য করি!!
ছোটকালে পূর্ণিমার দিন বাসার ছাদে গিয়ে বসে থাকতাম অপরুপ সে দৃশ্য দেখবার জন্য আর এখন চলে যাই সমুদ্রের ধারে, বাগানে এবং পার্কে কিম্বা খোলা আকাশের নীচে !! যতই দেখি ততই অবাক হই, কিভাবে চাদ তার এত সুন্দর রুপ নিয়ে আবির্ভূত হয়, তারপর তার রক্তিম আভা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে আবার আকাশের কোলে ঘুমিয়ে পড়ে ! আলহামদুলিল্লাহ্ সার্থক জনম আমার !! কদিন ধরে অপেক্খার পর আজ আবার এল সেই দিন! কখন যে সন্ধ্যা হবে সেকথা ভাবতে ভাবতে যখন বাসায় ফিরছি, ফেরার পথে থমকে গেলাম পূর্নিমার চাঁদের অপরুপ দৃশ্য দেখে ! প্রতিবারেই মনে হয় যেন একে নতুন রুপে দেখছি! বাসার বাগানে পৌছে তাড়াহুড়া করে কয়েকটা ছবি তুলে ফেললাম, হাড়িয়ে যেতে দেবনা তোমায় ! তুমি থাকবে আমার মনে আর চোখের সামনে !! তাতেও মন তৃপ্ত না, তারপর চলে গেলাম বাড়ির পাশেই সাগর পাড়ে !! এরপর যে দৃশ্য দেখলাম সেটা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব!! মন শুধু বার বার গুন গুনাচ্ছে, , এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে মন যেতে নাহি চায়, তবুও….. ”
” আবার এটাও মনে হচ্ছে, কেন যে সুকান্ত চাদকে ঝলসানো রুটি বলছে আজও বুঝিনা !! ভোরের আকাশে চাদের এই ডুবে যাওয়ার মুহুর্তে পাখিরাও তাদের কলকাকলিতে এবং হরেক রকম পাখা মেলে হাতছানি দিয়ে ডাকছে কিন্তু চাদ কোন আহ্বানে সাড়া না দিয়ে তার নিয়ম মত সমুদ্রের অতলে ডুবে যাচ্ছে আর বলে যাচ্ছে ” আমি আবার আসছি পূর্ব দিগন্তে….”
Dr Naila Aziz Meeta
Home town is Bangladesh, live in Australia. Love to write, read, travel, and listening to music.
Related Articles
Saraswati Puja: Pujar Anondo
পুজার আনন্দঃ প্রেক্ষিত সরস্বতি পুজা ডঃ অজয় কর, কেনবেরা ভাল মন্দ বোঝার বয়স হয়নি তখনো। সরস্বতি পুজার দিন পুস্পাঞ্জালী দেওয়ার
ধলেশ্বরী-৩
মিজা’ গালিব, ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রহ কালীন সময়ের এক বিখ্যাত ব্যত্তিত্ব। অবশ্য এই পরিচয়ের চেয়ে তার বড় পরিচয় হচ্ছে, তিনি
নুসরাত নুসরাত
ফজলুল বারী: দেশজুড়ে চাঞ্চল্যকর নুসরাত হত্যার বিচার নিম্ন আদালতে শেষ হয়েছে অবিশ্বাস্য কম সময়ে। বিচারের রায় ঘোষনার পর আসামি পক্ষ



