আমরা এবার জিতবো

আমরা এবার জিতবো

ফজলুল বারী, মাউন্ট মাঙ্গানুই থেকে

সাব্বির বললেন ইনশাল্লাহ আমরা এবার জিতবো। শুক্রবারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির আগে দলের পক্ষে মিডিয়া ব্রিফিং’এ কথাগুলো বলেন বাংলাদেশের টি-টোয়ান্টি দলের অন্যতম লড়া্কু ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান রুম্মান। সাব্বির বলেন প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আমাদের ভালো একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মিস জাজমেন্টের কারনে দুটি ক্যাচ ধরতে পারিনি আমরা। সৌম্যর ক্যাচটি নিয়ে কথা উঠলে আবার বলেন, আসলে বলটি তার মাথার ওপর দিয়ে চলে গেছে। সাব্বির বলেন তারা এরমাঝে নিউজিল্যান্ডের উইকেটগুলোর সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন। ওয়ানডে ম্যাচগুলোতেও ভালো সম্ভাবনা তৈরি করে প্রতিপক্ষকে ঝাঁকুনি দিতে পেরেছেন। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে জয় অর্জন করতে পারেননি। এরমানে এই নয় যে বাংলাদেশ দলের আর কোন সম্ভাবনা নেই। টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের খেলা এ কথা উল্লেখ করলে বলেন, এ খেলাটিও ব্যাটসম্যান-বোলার-ফিল্ডিং সবকিছুরই খেলা। সব সেক্টর মিলে ভালো খেলে জয়ের বন্দরে পৌঁছতে হবে। শুক্রবার আমাদের সে লক্ষ্যই থাকবো। ইনশাল্লাহ আমরা জিততে পারবো। বাংলাদেশ দলের পক্ষে বৃহস্পতিবার কিউই মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন দলের কাপ্তান মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশ অধিনায়কও বলেন আগের ম্যাচগুলোয় যে ভুলগুলো হয়েছে সে সব থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে জেতা সম্ভব। বাংলাদেশ দলের সে সামর্থ্য আছে। কিউই বোলার শেন বোল্ট এদিন দলের পক্ষে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন। বোল্টেরও এটি হোমগ্রাউন্ড। বোল্ট নিজেদের ভালো অবস্থানে থাকার উল্লেখের পাশাপাশ বলেন, বাংলাদেশ দলেও বেশিকিছু ভালো খেলোয়াড় আছে। তাদের পরাস্ত করেই আমাদের জিততে হবে। বাংলাদেশ-কিউই দলের পক্ষে এসব বলাবলির জবাব আসবে শুক্রবার। বাংলাদেশ সময় সকাল ৮ টায় স্থানীয় সময় বিকেল ৩ টায় মাউন্ট মাঙ্গানুই’র বে ওভাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলাটি শুরুর পর জবাবটি তৈরি হবে। একটি জয়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেট পাগল মানুষ।


Place your ads here!

Related Articles

প্রিয় অষ্ট্রেলিয়াকে অনেক, অনেক ধন্যবাদ একটি সুন্দর আয়োজনের জন্যে —

শৃঙ্খলাবদ্ধ হওয়া , জালে জড়ানো কিংবা অন্যের অধীনে চলে যাওয়া মানুষের ধর্ম নয় । মানব সভ্যতার ইতিহাস শৃঙ্খলমুক্তির ইতিহাস ।স্বাধীনভাবে

India’s Foreign Secretary Nirupama Rao’s visit to Dhaka: India’s response too slow to concerns of Bangladesh

India’s Foreign Secretary Ms. Nirupama Rao’s two day visit from 6th June to Dhaka was perceived as one which might

ক্রিকেট, বল টেম্পারিং এবং ইত্যাদি

এক ‘৭০ দশক পর্যন্ত ক্রিকেট ছিল তথাকথিত অভিজাত পরিবার এবং সামান্য সংখ্যক মানুষের খেলা। কেউ ক্রিকেটের অতো খোঁজ খবরও রাখতো

No comments

Write a comment
No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write a Comment