রান ৪/৩৩: এমন ব্যাটিং দেখা হইতে ঘুম উত্তম

রান ৪/৩৩: এমন ব্যাটিং দেখা হইতে ঘুম উত্তম

বাংলাদেশ ক্রিকেট গতকাল এক অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। মনের গহীন থেকে অভিনন্দন।

মুশফিক আউট হবার পর একদলা হতাশা আর কষ্ট নিয়ে টিভি বন্ধ করে দেই কারণ ৪/৩৩; আর খেলা দেখে কি হবে? আউট অফ ফর্ম শাকিব আর বোরিং মাহমুদুল্লাহর ব্যাটিং দেখে কি হবে? টিম সাউদি আর বোল্ট যে বোলিং করছিলো! শুক্রবার রাত খুব হাউস নিয়ে খেলা দেখতে বসে ৪/৩৩ এর পর আর রাত জেগে থাকার কোনো মানে থাকে না। অনেকেই আমাকে খোচাচ্ছেন, খোঁচান- এমন খোঁচাতেও আনন্দ আছে।

আমরা আবারো দেখলাম glorious uncertainty of cricket তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট যে আরো বেশি uncertain বুঝা গেলো নইলে এমন অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর মতো খেলা কিন্তু অতীতে খুব একটা দেখা যায় নাই। আপনারা শাকিব এবং মাহমুদুল্লাহকে কাঁধে নিয়ে নাচেন অসুবিধা নাই, কিন্তু সাথে মাশরাফি এবং মোসাদ্দেক কে রাখবেন কারণ মোসাদ্দেকের তিন উইকেট এবং মাশরাফির বোলার রোটেশন ছিল দারুন। তবে মাশরাফির প্রথম সারির বোলাররা যদি ওভারপিচ ডেলিভারি কম দিলে নিউজিল্যান্ডের রান আরও কম হতো। বাংলাদেশের ফিল্ডিং খুব গড় মানের ছিল; অস্ট্রেলিয়ার মতো ফিল্ডিং দিলে নিউজিল্যান্ডের রান আরো কম হতো।

সালটা ঠিক মনে নাই হয়তো ১৯৮৩-৮৪ হবে সেই বছর ঢাকা মোহামেডান দেশের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে ক্রিকেট দল গড়েছিল। সেই সময় বাংলাদেশ বিমান ছিল মোহামেডানের প্রধান প্রতিপক্ষ। ওই বছর মোহামেডান খুব অল্প রানে বিমানকে বেঁধে ফেলে, মোহামেডান ব্যাট করছে। হাতে পাঁচ উইকেট আছে আর মাত্র পঁচিশ রান দরকার। বাসায় ফিরতে দেরি হবে বাসায় চলে এলাম, জিতে তো যাচ্ছিই। পরদিন পত্রিকায় দেখি মোহামেডান ওই ২৫ রান করতে পারে নাই। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম- ওই খেলায় হারার ফলে সেরা দল নিয়েও মোহামেডান লীগ চ্যাম্পিয়ন হতে পারে নাই। আবার ভালো লেগেছিলো এই ভেবে যে মোহামেডানের হার চোখের সামনে ঘটে নাই। গত রাতে ঠিক তার উল্টোটা ঘটলো। আর কোনো আশা নেই ভেবে ঘুমিয়ে পড়লাম, আর সেই অপ্রত্যাশিত দারুন ঘটনা ঘটে গেলো। খুব আফসোস হচ্ছে।

যারা আমাদের pessimist বলে খোঁচা দিচ্ছেন, দেন কিন্তু নিজে একবার বুকে হাত রেখে বলুন তো ৪/৩৩ এর পর আপনারা বর্তমান বাংলাদেশ দল থেকে এমন turn around সত্যি কি আশা করছিলেন?? মিছা কইবেন না কিন্তু!!!!!



Place your ads here!

Related Articles

প্রিয় – অস্ট্রেলিয়ার নিকট থেকে একুশে সংকলন ২০১০ পেতে পারি কি?

প্রচারবিমুখতা আমার স্বভাবসিদ্ধ একটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে যখন দেশ -বিদেশে বিচরণ করি , পশ্চিমা শিক্ষায় নিজেকে জড়িয়ে ফেলি

বহে যায় দিন – একবার যেতে দে না আমায় ছোট্ট সোনার গাঁয়

> বহে-যায়-দিন সকল প্রকাশিত পর্ব > ।। চার ।। একবার যেতে দে না আমায় ছোট্ট সোনার গাঁয় ১৯৯১ সালের জুলাই মাসে

English Department admission test result for Dhaka University (DU)

There was a huge storm in the teacup after the Dhaka University (DU) admission test result had published where only

No comments

Write a comment
No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write a Comment