ইতিহাস গড়েছে টাইগারস
দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড – অস্ট্রেলিয়ার সর্ববৃহৎ জাতীয় অনলাইন নিউজ ব্র্যান্ড
আজকের খেলার খবরে হেড লাইন:
বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া: ইতিহাস গড়েছে টাইগারস। প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ানদের পরাজয়।
আহা!
দেশের জাতীয় পত্রিকা ও অন্যান্য মিডিয়াগুলো যদি আরো বেশী পজিটিভ হতো___ না জানি দেশের চিত্রটাই পাল্টে যেত!
রোজ খবরের পাতা ভরে থাকে ধর্ষণ,খুন,গুমসহ নানান লোমহর্ষক কাহিনীতে। নিউজ ছেপেই সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও পত্রিকার দায়িত্ব শেষ। প্রতিকার/প্রতিরোধে কোন ভূমিকা নেই তাদের। ধর্ষক, খুনীদের কোন শাস্তি হোল কিনা মামলার রায় কোন দিকে কোন কিছুরই শেষ জানা হয় না।
রাজনৈতিক নোংরামী প্রসঙ্গে নাই বা গেলাম। প্রাকৃতিক দূর্যোগ তো বাংলাদেশের নিত্য সহচর। দারিদ্রতা, রাজধানীর অসহনীয় যানজট, অনিশ্চিয়তা-নিরাপত্তাহীনতার আরেক নাম-ই যেন বাংলাদেশ!
উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশকে এভাবেই চিনে।
এ দায় কার_____!?
প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী আমরা, যারা বিদেশে থাকি।
প্রত্যেক প্রবাসী বাংলাদেশী।
বাঙালিদের সম্বন্ধে পশ্চিমাদের ধারণা তেমন উঁচু নয়। দেশ যখন খারাপ ইস্যুতে জড়িয়ে যায়, অন্য দেশীরা সে সুযোগ লুফে নেয়। আমাদের বাচ্চারা স্কুলে লাঞ্ছনার শিকার হয়l কর্মক্ষেত্রে আমাদের মাথা নিচুঁ হয়ে আসে।
একমাত্র ক্রিকেটই বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সাকিব, মাশরাফি, মুশফিক,তামিমসহ দলের প্রত্যেকেই নিজস্ব যোগ্যতায় বিশ্বকে চিনিয়েছে ‘আমরাই বাংলাদেশ’!
আমার ছেলে দীপ্র আজ স্কুলে চকলেট নিয়ে গেছে। বাংলাদেশ জয় ছিনিয়ে এনেছে তাই বন্ধুদের সাথে সেলিব্রেট করবেl
নিশ্চয় অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী প্রত্যেক বাংলাদেশীদের জন্য এ বিজয় গর্বের। সুখেরও বটে!
টাইগারদের এ বিজয় অব্যাহত থাকুক।
এখানকার প্রতিটি জাতীয় পত্রিকায় বাংলাদেশের ধারাবাহিক বিজয় গাঁথা হোক।
শুভ কামনা।
#হ্যাপী রহমান
সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
৩১.০৮.২০১৭ইং
Related Articles
আমাদের দেশটা
যদিও জানি আমাদের দেশটাতে হাজারও রকম অসুবিধা আছে কিন্তু যেমনই হোক না কেন তবুও তার সৌন্দর্য্য অপরিসীম! হোক না সমস্যায়
ষড়ঋতুর রঙে একটি ধ্রুপদী সন্ধ্যা
ষড়ঋতুর রঙে একটি ধ্রুপদী সন্ধ্যা: ধ্রুপদ অস্ট্রেলিয়া–র সঙ্গীতানুষ্ঠানঃ ‘ঋতু ও রঙ – Seasons of life’ ইটার্নিটি চার্চ, ক্যাম্বা, ক্যানবেরা। ২০ মে
Why the Labor Party lost in the Australian Election?
Australia’s conservative opposition swept to power at an election held on 7th September, ending six years of the Australian Labor



