আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে সিডনীতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে সিডনীতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান

জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ও আদিবাসী অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘ ঘোষণাপত্রের এক দশক উপলক্ষে গত রবিবার ১২ আগস্ট সিডনীতে প্রবাসী বাংলাদেশের আদিবাসীরা মিলিত হন। গারো অস্ট্রেলিয়ান সোসাইটির আয়োজনে ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ইনডিজিনাস জুম্ম এসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া এর সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত এই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ছিল আলোচনা পর্ব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আদিবাসী খাবার।

ছবি: দিবস দেওয়ান

ছবি: দিবস দেওয়ান

ছবি: দিবস দেওয়ান

ছবি: দিবস দেওয়ান

 

সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পারলামেনটারিয়ান লরী ফারগুশন এই উৎসবের উদ্বোধন করেন । মাইকেল রাংসার সভাপতিত্বে এবং টূরি ম্রং ও সালগিরা ম্রং এর যৌথ সঞ্চালনায় আদিবাসী দিবসের তাৎপর্য ও আদিবাসীদের মানবাধিকার বিষয়ে আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন অভিলাষ ত্রিপুরা। আলোচনায় অংশ নেন গসিরাম রেমা, জেকব খ্যাং, সাবেক সিটি কাউন্সিলর প্রবীর মৈত্র, সাংবাদিক ও পরিব্রাজক ফজলুল বারী ও প্রিয় অস্ট্রেলিয়ার শাহাদাত মানিক। “জ্বলে উঠবনা কেন?” শীর্ষক ২০ বছর আগের নিজের রচিত কবিতাটি চাকমা, বাংলা ও ইংরেজী এই তিনটি ভাষায় আবৃত্তি করেন কবিতা চাকমা। বক্তাগন আদিবাসীদের মানবাধিকার বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্র ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিশ্বাস ও ইতিবাচক আলোচনার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন । পাশাপাশি দেশের মূলধারার জাতিগোষ্ঠীর সদস্যদের আদিবাসীদের সংস্কৃতি ও জীবনযাপন প্রণালী নিয়ে অবহিত হওয়ার ও আদিবাসীদের সকল সমস্যাকে অন্তর থেকে অনুভব করা উচিত এই অভিমত দেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গারো, ত্রিপুরা, চাকমা, বাংলা ও ইংরেজীতে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন প্রবাসী আদিবাসী শিল্পী বৃন্দ।

ছবি: দিবস দেওয়ান

ছবি: দিবস দেওয়ান

ছবি: দিবস দেওয়ান

ছবি: দিবস দেওয়ান

১৯৯৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৯ ই আগস্ট জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয়। এদিন পৃথিবীর ৯০ টি দেশের ৩৭ কোটি আদিবাসীদের বৈচিত্র্যময় ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে সন্মান প্রদর্শন করা হয়। তাছাড়া এদিন আদিবাসীদের দৈনন্দিন দুঃখ কষ্ট ও সংগ্রামী জীবনের বাস্তবতা ও তাদের প্রতি রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থা সমূহের দায়িত্বের বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। বাংলাদেশে ৪৫ টি ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির আদিবাসী জাতিসমূহ বাস করে যাদের বাস মূলতঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বৃহত্তর সিলেট, বৃহত্তর ময়মনসিংহ, উত্তর বঙ্গ ও উপকূলের পটুয়াখালী ও খুলনায়।

ছবি: দিবস দেওয়ান

ছবি: দিবস দেওয়ান


Place your ads here!

Related Articles

Significance of the Japanese Foreign Minister’s visit to Bangladesh

Japan’s Foreign Minister Fumio Kishida visited Bangladesh from March 21 to 23 and held talks with Prime Minister Sheikh Hasina

শেকড়ের সন্ধানে একদিন এবং একজন হারুন ভাই

প্রাথমিকের পাঠ্যবই হাতে পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা বইয়ের একেবারে উপরের পৃষ্ঠায় নিজের নামসহ ঠিকানা লিখে ফেলতাম। যাতে বইটা হারিয়ে গেলেও

বাঘদের সমর্থনে বাঘভক্তরা ধর্মশালায়!

[ফজলুুল বারী, ধর্মশালা, হিমাচল প্রদেশ(ভারত)] বাংলাদেশ ক্রিকেটের আজকের প্রসারের নেপথ্যের পথিকৃৎদের অন্যতম আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববিকে দেশের ক্রিকেট অন্তপ্রাণরা, বিশেষ

1 comment

Write a comment
  1. Bibhuti Debbarma
    Bibhuti Debbarma 15 August, 2017, 04:49

    Feeling proud

    Reply this comment

Write a Comment