নিব্রাস ইসলাম জামিনে মুক্ত ছিল
নিব্রাস ইসলাম ভেবেছিল তার বড়লোক বাবার সঙ্গে থেকে বেহেস্তে যাওয়া সম্ভব না! কারন বড়লোকগুলা মূলত করাপ্ট হয়। এরচাইতে গরিবের মেস থেকে বেহেস্তে যাওয়া সম্ভব! সে জন্যে সে ঝিনাইদহ চলে গেলো! এক ইমাম তাকে তুললো এক মেসে। সেখানে সে ফুটবলও খেলতো! ভালো ইংরেজিতে কথা বলতো! সাঈদ নামে চার মাস সে ঝিনাইদহ ছিলো। কিন্তু আমাদের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক খুব শক্তিশালীতো! উনারা চারদিকে শুধু গোয়েন্দা জাল ফেলেন! কিন্তু আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে নিব্রাসতো পুচকে সন্ত্রাসী ছিল! তাই এসব পুচকে সন্ত্রাসী তাদের বিশাল গোয়েন্দা জালে ধরা পড়েনা! সেই পুচকে সন্ত্রাসী নিব্রাস ঈদের আগে ঢাকা চলে গিয়ে গুলশান হত্যাকান্ডে অংশ রেকর্ড করলো নর্থ সাউথের সৃষ্টি নিব্রাসরা! কারন বাংলাদেশে এর আগে এত বিদেশি হত্যাকান্ডের শিকার হননি! বাংলাদেশকে কলংকের রক্তে ডুবিয়ে অতঃপর সঙ্গী-সাথীদের সঙ্গে বেহেস্তে পৌঁছে গেছে নিব্রাসরা! এখন অনেক প্রশ্ন চারপাশে! একটা প্রশ্ন রাখি, নিব্রাস মানুষ খুন করার প্রশিক্ষণ নিয়ে তুরস্ক থেকে ফেরার পর গ্রেফতার হয়েছিল। এরপর সে জামিনে মুক্তি পেয়ে যায়! আমার প্রশ্ন পুলিশের রিপোর্ট কী দূর্বল ছিল নিব্রাসের বিরুদ্ধে? ম্যাজিষ্ট্রেটটা কী গাধা না বলদ ছিল যে সে এ ধরনের একটি কেসে জামিন দিয়েছে? জামিনের উকিল, বন্ডদাতা কে ছিলেন? এই পুরো প্রক্রিয়ার সংগে জড়িত পুলিশ-ম্যাজিষ্ট্রেট-উকিল-বন্ডদাতা- সেই ইমাম সবগুলোকে গ্রেফতার করে কী বিচারের আওতায় আনা হবে?
Related Articles
জীবনানন্দের প্রেতাত্মা
গায়ের রাস্তা ধরে গরুর গাড়ি চলেছে তার একঘেয়ে ক্যা-কু শব্দ করে। গাড়িতে হাসিনা খাতুন আর তিন সন্তান। বড় আর মেজো
সিডনিতে ট্রিবিউট টু নায়করাজ রাজ্জাক ও সঙ্গীতশিল্পী আব্দুল জব্বার
নায়করাজের জীবনের গল্পই যেন হয়ে উঠেছিল বাংলা সিনেমার পটভূমি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র হতে প্রচারিত ‘সালাম
এমএলসি মুভমেন্ট, এবং এর উপর্যুপরি ঐতিহাসিক সাফল্যে প্রচ্ছন্ন ‘শক্তি’, এবং অতঃপর
নির্মল পাল: ফোনটি ধরতেই অপর প্রান্ত থেকে “ … ভাই ক্যামন আছেন, অনেক দিন কথা-বার্তা হয় না, আমি কামরুল বলছি,


