পারলোনা আর শুরুটা ভালো হলোনা বাংলাদেশের
ফজলুল বারী, ক্রাইস্টচার্চ থেকে
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে-কন্ডিশনে নিউজিল্যান্ড প্রশ্নাতীত শক্তিশালী দল। বাংলাদেশ দল টিম টাইগার্সদের নিউজিল্যান্ড সফর কঠিন হবে এ কথাটিও সবাই জানতো। এবং দিনের শেষে এ দুটি সত্যের একটিরও নড়চড় হয়নি ক্রাইস্টচার্চে। টসে হেরে দিনের এবং সফরের শুরু। বাংলাদেশের বোলারদের থেকে পাওয়া বক্সিং ডে’র উপহার ষোল আনা কাজে লাগিয়ে কিউইরা গড়ে নিয়েছে রানের পাহাড়। সেই পাহাড়ের নিচে দাঁড়িয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করেছেন টিম টাইগার্স দলের কয়েকজন বোলার। পারেননি।
অথচ নিউজিল্যান্ড সফরের প্রস্তুতিটা ঠিকমতোই নেয়া হয়েছিল। কোটি টাকায় কন্ডিশনিং ক্যাম্প করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। ২৬ ডিসেম্বর ক্রাইস্টচার্চে প্রথম খেলা হলেও দলকে ১৯ ডিসেম্বর উড়িয়ে আনা হয়েছে নিউজিল্যান্ডে। এরপরও হলোনা। শুরুটা ভালো হলোনা বাংলাদেশের। বোলারদের খরচে উদারতায় প্রতিপক্ষ যখন ৩৪১ রান করে বসে এরপরও আশাবাদী সমর্থকরা হাল ছাড়েনি। ওরা পারলে আমরা পারবোনা কেনো! কিন্তু ৩৪১’এর বিরুদ্ধে শুরুটা যেভাবে করা দরকার ছিলো তা করতে পারেনি বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের একমাত্র সেঞ্ছুরিয়ান ইমরুল কায়সে নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। ২১ বলে ১৬ রান করে বিদায় হন ইমরুল। তার জায়গায় বড় প্রত্যাশার সৌম্য এসে নিজের আর দলের টালিতে যোগ করেন এক রান মাত্র। হাঁস মার্কা হয়ে ফিরে গেলেন আরেক প্রত্যাশার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদবোলার অনর্থক নেশামকে তুলে মারতে গিয়ে সান্টারের ক্যাচ হয়ে তামিম যখন ফিরলেন, ক্রাইস্টচার্চের আকাশে তখন রোদ হাসলেও মেঘে ঢেকে গেল বাংলাদেশ সমর্থকদের মনের আকাশ। তামিম ফিরে যাবার পরও অনেকটা দলের হারের ব্যবধান কমাবার কাজ ঠিকমতো করে যাচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। এদিন তিন উইকেট পাওয়া সাকিব যখন দেখেশুনে চার-ছক্কা মেরে যাচ্ছিলেন গ্যালারির অল্পস্বল্প বাংলাদেশি দর্শকদের ইশরে ইশরে ফিশফিশানি তখন আরও বেড়েছে। ইশরে সৌম্য যদি একটু রান দিয়ে যেতো, ইশরে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ যদি এভাবে আউট না হতো!
এরপর মুশফিক জুটি গড়ার চেষ্টা করেন সাব্বিরকে নিয়ে। বড় আশার বিগ হিটার সাব্বির। একটি ছক্কা হাঁকিয়ে নামের পাশে যোগ করেছিলেন ১০ বলে ১৬। কিন্তু ১১তম বলটা মারতে গিয়ে দিলেন ক্যাচ! সাব্বির যাবার পর তরুন মোসাদ্দেককে নিয়ে দলের হাল ধরেন মুশফিক। ৪৮ বলে ৪২ করে আহত হয়ে ফিরে গেলেন মুশফিক। অপর প্রান্ত তখন ধীরেসুস্থে খেলে যাচ্ছেন তরুন মোসাদ্দেক ওরফে সৈকত। মুশফিক শুশ্রষা নিতে ড্রেসিং রূমে যাবার পর তার জায়গায় মোসাদ্দেককে সঙ্গ দিতে আসেন ক্যাপ্টেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। তিনটি চারের মার সহ ১০ বলে তিনি করেন ১৪। এরপরই আউট। মাশরাফি চলে যাবার পর দলের উদীয়মান নতুন প্রতিভা অলরাউন্ডার মোসাদ্দেককে সঙ্গ দিতে আসেন ব্যাটিং’এ অনভ্যস্ত পেস বোলার তাসকিন। খুব স্বাভাবিক আরও ধীরগতির হয়ে যায় রানের চাকা! ১২ পেরিয়ে যায় আস্কিং রানরেট । এরপর মোসাদ্দেকের ক্যারিয়ার সেরা ৫০ও হয়। কিন্তু লাভতো দূরুহ হয় অনেক আগেই।
Related Articles
ঈদ নিয়ে যত কথা
… পত্রিকার পাতা উল্টালে আমার মনে হয় শপিং বাদ দিয়েও বাংলাদেশে মেয়ে / মহিলাদের ঈদ (ক্ষেত্র বিশেষে কিছু পুরুষেরও ঈদ)
Shahbag Movement: It's important for us to remain united
One I was not born when 1952 language movement took place, I was not born when 1969 uprising took place,
তার পরও সে আমার ভাই – একই মায়ের পেটের ভাই
বিদেশে সৎউপায়ের রুজিরোজগারে বৌ-বাচ্চা নিয়ে সংসার চালাতে মাঝে মাঝেই হোঁচট খাচ্ছে আমাদের বিলি। এটা নিয়ে ওর কেউর প্রতি কোন অভিযোগ


