বিশ্ব মা দিবসে মায়েদেরকে ভালবাসায় সিক্ত করল ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল

বিশ্ব মা দিবসে মায়েদেরকে ভালবাসায় সিক্ত করল ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল

“মা কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু যেন ভাই

ইহার চেয়ে নাম যে মধুর

ত্রিভুবনে নাই”।

দেয়া নেয়ার সূত্রের বাইরে একমাত্র সম্পর্কের নাম মা, প্রতিদানের প্রত্যাশা না করে নীরবে ভালবেসে যাওয়া মানুষটির নাম মা, শত অবহেলাও ছেড়ে না যাওয়া একজনই সে মা।

ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল পারিবারিক বন্ধনকে সর্বোচচ গুরুত্ব দিয়ে মা সন্তানের স্বর্গীয় সম্পর্কের চর্চাকে উৎসাহিত করতে চায়। আর তাই বিশ্ব মা দিবসে আজ সাপ্তাহিক স্কুলের দিনে শ্রেণীকক্ষে অভিভাবক ও কার্যকরী কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে সোনামণিরা এক আকর্ষণীয় পরিবেশনা উপহার দেয়।

অত্যন্ত পরিমার্জিত এবং আবেগঘন এই আয়োজন উপস্থিত সবাইকে গভীরভাবে ছুয়ে যায়। সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার পর থেকে তার বেড়ে ওঠা এবং তার জীবনের সকল অর্জনে মায়ের ভুমিকার প্রাঞ্জল বর্ণনার সাথে সাথে ছাত্রছাত্রীরা কবিতা আবৃত্তি করে আর গান গেয়ে, কবিতা আবৃত্তি করে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এই পর্বে অংশ নেয় জায়ান, ওয়াফি, ঋষিকা, এলভিরা, নাবিহা, জেইনা, আরিজ, নাশিতা, তাহিয়া, নাজিহা, রেইনর এবং দৃপ্ত।  মায়ের শেখানো গান অত্যন্ত দরদ দিয়ে গেয়ে শোনান স্কুলের সংগীত শিক্ষক রুমানা ফেরদৌস লনি।

মায়ের প্রতি ভালবাসার গভীর উপলব্ধি থেকে অনুষ্ঠানের সংলাপ রচনা করেন স্কুলের অধ্যক্ষ রোকেয়া আহমেদ। উপস্থাপনায় ছিলেন শিক্ষক রুমানা সিদ্দিকী। সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিজয় সাহা এবং অধ্যক্ষ রোকেয়া আহমেদের পরিচালনায় মা দিবসের এই আয়োজনের প্রতিটি পর্যায়ে বাংলা স্কুলের স্বভাবসুলভ সৃজনশীলতার ছাপ ছিল স্পষ্ট। সব শেষে ছাত্রছাত্রীরা তাদের নিজেদের হাতে তৈরি মা দিবসের কার্ড মায়েদের হাতে তুলে দেয়।

প্রসংগত উল্লেখ্য ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব বাংলা ভাষাভাষীর জন্য সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকে।

Kazi Ashfaq Rahman

Kazi Ashfaq Rahman

ছেলেবেলা থেকেই শান্তশিষ্ট ছিলাম বলে আমার মায়ের কাছে শুনেছি। দুষ্টুমি করার জন্য যে বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন তা নিশ্চয়ই আমার ছিল না। আমার এই নিবুর্দ্ধিতা একসময় আমার মাকে ভাবিয়ে তুলেছিল। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন আমার এই ছেলে জীবনে চলবে কি করে। এখন যেভাবে চলছি তাতে কোনও আক্ষেপ নেই। ভালই তো আছি। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত শিক্ষা, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যে অনন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারাকে জীবনের বড় অর্জন বলে মনে করি। আমার স্ত্রী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী, আমার শত বোকামী, আলসেমী আর বৈষয়িক না হওয়াকে প্রকারান্তরে প্রশ্রয় দেওয়াতে আমার আর মানুষ হয়ে ওঠা হয়নি। আমার দুই সন্তান, আমি চাই তারা আমার মত বোকাই থেকে যাক কিন্তু আলোকিত মানবিক মানুষ হোক যা আমি হয়তো হতে পারিনি।


Place your ads here!

Related Articles

Bangladesh Society of Sydney Inc's Iftar Party Report

বাংলাদেশ সোসাইটি অব সিডনী ইংক এর ইফতার মাহফিল’২০১১অনুষ্ঠিত রকডেল পাবলিক স্কুলের হল রুমে গত ১৪ ই আগস্ট রবিবার বিকেল ৪

No comments

Write a comment
No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write a Comment