ক্যানবেরায় ঈদ উদযাপন

ক্যানবেরায় ঈদ উদযাপন

প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নানা প্রতিকূলতায় আচ্ছন্ন দৈনন্দিন জীবনের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বলতা নিয়ে প্রতি বছর হাজির হয় মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদ। যদিও প্রবাস বলতে বাংলাদেশের বাইরে সব দেশকেই বোঝায়, তবে সব দেশের প্রবাসীদের ঈদ যে একই রকম হবে, তা নয়। যেমন যেসব দেশে শ্রমজীবী বাংলাদেশিরা আছেন, তাদের ঈদ উদযাপন হয় এক রকম ভাবে, আবার যারা পশ্চিমা উন্নত দেশে সপরিবারে আছেন, তাদের ঈদ উৎসব হয় অন্য ভাবে।

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় আমাদের ঈদ উদযাপন শুরু হয়েছে সেই ১৯৮৪ সাল থেকে। স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে আমার স্ত্রী মেহেরুন এবং আমি সবে মাত্র এসেছি নতুন দেশে, নতুন পরিবেশে। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এবং চির চেনা পরিবেশ ছেড়ে আসার কষ্ট নামক পাথরটা বুকে চেপে থাকতাম। যাহোক, তখন আমরা হাতে গোণা ছয়-সাতজন ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের পরিবার ছিলাম। তবে সেই সময় যারা বাংলাদেশি স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন (সাত-আট জনের বেশি না), তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত কাছের, আপন ভাই-বোনের মতো। তারা আমাদের বিপদ-আপদে সবসময় পাশে এসে দাঁড়াতেন, স্নেহের হাত প্রসারিত করে ছায়া দিতেন, ভরসা ও সাহস দিতেন। তাদের মধ্যে এমনই একজন ছিলেন মীর হাসমত আলী। তিনি তখন ক্যানবেরায় ফেডারেল সরকারের কর্মকর্তা ছিলেন, কিন্তু তার স্ত্রী (রোকেয়া বেগম) ও ছেলেমেয়ে থাকতেন সিডনির র‍্যান্ডউইক এলাকায়। তিনি শুক্রবার অফিস শেষ করে গাড়ি চালিয়ে পরিবারের কাছে চলে যেতেন সিডনিতে, আবার রোববার সন্ধ্যায় ফিরে আসতেন ক্যানবেরায়। তিনি ক্যানবেয়ায় থাকতেন একটা আবাসিক হোটেলে। অবশ্য বছর খানেক পরে তার পরিবার স্থায়ীভাবে ক্যানবেরায় বসবাস শুরু করেন। যাহোক, ১৯৮৪ সালে রোজা শুরু হয় জুলাই মাসে, মধ্য-শীত মৌসুমে। রোজার শেষের দিকে এক বিকেলে অফিস থেকে হাসমত ভাই হোটেলে যাওয়ার পথে আমাদের বাসায় আসেন এবং এমন একটা প্রস্তাব দেন যে, আমরা অবিভূত হয়ে নিজেদের আবেগকে ধরে রাখতে পারিনি। সদ্য বিবাহিত তরুণ দম্পতিকে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব বিবর্জিত ঈদ করার মানসিক কষ্ট থেকে নিস্কৃতি দেওয়ার জন্য তিনি তার পরিবারের সঙ্গে সিডনিতে ঈদ উদযাপন করার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমরা কোনো কিছু না ভেবেই তা লুফে নিই। তাই মন-খারাপের কষ্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের প্রথম ঈদ একা করতে হয়নি। তার পরের বছর থেকে আমরা ক্যানবেরাবাসী বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে ঈদ উদযাপন করে আসছি।

শুরু থেকেই মেহেরুন এবং আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, প্রতিবছর অন্তত রোজার ঈদ আমরা ঘটা করে উদযাপন করব, অর্থাৎ বাংলাদেশি ছাড়াও অন্যান্য দেশের পরিচিত মুসলমান এবং যারা অন্য ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করে মুসলমান হয়েছেন, তাদের দাওয়াত করব। আমরা কোভিডের আগের বছর পর্যন্ত তাই করে এসেছি। কোভিডের কারণে আমাদের ঈদ উদযাপনে ছন্দপতন ঘটে এবং এখনো তা পুনরুদ্ধার করতে পারিনি। ক্যানবেরার সবাই জানে যে, রোজার ঈদের দিন সন্ধ্যায় আমাদের বাসায় ঈদ উদযাপনের জন্য ওপেন হাউজ, অর্থাৎ উন্মক্ত দ্বার। সেখানে কম হলেও চৌদ্দ থেকে ষোলটি দেশের আশি থেকে এক শ’ জন বন্ধু-বান্ধব আসতেন। তাদের মধ্যে দশ-বারোজন আসতেন ধর্মান্তরিতরা। ঈদের দিন তাদের কোথাও যাবার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা ছিল না। তারা বাংলাদেশি রসনা উপভোগ করতেন, কিন্তু তারচেয়ে বেশি তারা পছন্দ করতেন অন্যান্য দেশের মুসলমানদের সঙ্গে আলাপ-পরিচিত হয়ে। এছাড়া ঈদ উৎসবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা প্রতিবেশি অমুসলমানদেরও দাওয়াত করতাম। অনেকেই আমাদের বাসার ঈদ উদযাপনকে ‘বহুসাংস্কৃতিক বা মাল্টিকালচারাল ঈদ’ নামে আখ্যায়িত করেছেন।

ছাত্র জীবনে এবং পরবর্তীতে অভিবাসী হওয়ার পর আমাদের ঈদ শুরু হতো আগের দিন থেকে, অর্থাৎ রান্নাবান্নার কর্মসূচীর মাধ্যমে। ঈদ উপলক্ষ্যে মেহেরুন হরেক রকমের মিষ্টি এবং মিষ্টান্ন তৈরি করে। ভেড়ার মাংসের বিরিয়ানী, মুরগীর রোস্ট, গরুর মাংসের রেজালা এবং হালিম ছাড়াও থাকে টুনার কাবাব, চটপটি, ফুসকা এবং দইবড়া। এগুলো রান্নার সময় নেপথ্যে বাজে ‘রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। তখন আমাদের চোখ ভিজে ওঠে। আমরা নস্টালজিয়ার ধূসর চাদর গায়ে দিয়ে ফিরে যাই অতীতের ফেলে আসা ভুবনে।

ছেলেমেয়েরা যখন প্রাইমারী স্কুলে যেত, তখন মেহেরুনের অন্যতম রুটিন ছিল ওদের ক্লাশ টিচারের অনুমতি নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের অত্যন্ত সহজভাবে, বলা যায় গল্পচ্ছলে, রোজা ও ঈদ সম্পর্কে অভিহিত করা। সাধারণত ঈদের দু’একদিন পরে করত। ছেলেমেয়েরা প্রচন্ড উৎসাহ নিয়ে শুনত এবং নানা ধরনের প্রশ্ন করত। এভাবেই ওরা রোজা ও ঈদ সম্পর্কে জানা শুরু করে। অনেক সময় অন্যান্য টিচার ও বাচ্চাদের উৎসাহী বাবা-মায়েরাও উপস্থিত থাকতেন। মেহেরুন বাচ্চাদের জন্য চকোলেট নিয়ে যেত, আর বড়দের জন্য মিষ্টি। এছাড়া ঈদের পরদিন আমরা যে যার অফিসে ঈদ উদযাপন উপলক্ষ্যে মিষ্টি নিয়ে যেতাম। মর্নিং টি-এর সময় সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে খেতাম। উল্লেখ্য, এদেশে ঈদ উপলক্ষ্যে কোনো সরকারী ছুটি নেই, তবে অনেক ডিপার্টমেন্টে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে বছরে দু’দিন বিশেষ ছুটি নেওয়ার নিয়ম আছে। অনেকেই এ নিয়ম মেনে ছুটি নেন। অন্যদিকে অনেকে ছুটি না নিয়ে নামাজ শেষে কিছুটা দেরীতে কাজ শুরু করেন। এ প্রসঙ্গে বলা প্রয়োজন যে, বর্তমানে অনেক সরকারী অফিসের আভ্যন্তরিণ অন্তর্জালে (ইন্ট্রানেট) সচিবের পক্ষ থেকে রোজার শুভেচ্ছা প্রচার করে, এমনকি অফিসের পক্ষ থেকে ইফতারেরও ব্যবস্থা করে। এছাড়া বিগত কয়েক বছর ধরে অষ্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটেল টেরিটরীর (রাজধানী ক্যানবেরা) মূখ্য মন্ত্রী মুসলিম সংগঠন ও বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের নেতা ও কর্মকর্তাদের ইফতারের মাধ্যমে শুভেচ্ছা এবং অভিবাদন জানান। সরকারীভাবে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও সারা দেশের মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান। অবশ্য দশ-পনের বছর আগে এসব কিছুই ছিল না।

আগে ক্যানবেরায় মসজিদ ছিল একটা এবং সেখানেই ঈদের জামাত হত। তখন মুসলমানের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। ক্রমশ লোক সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মুসলমানের সংখ্যাও বাড়তে থাকে এবং ভৌগলিক ভাবে ক্যানবেরার পরিধিও বিশাল হয়। এখন মসজিদ চারটি এবং সব মসজিদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে নামাজের ব্যবস্থা হয়, কখনো খোলা মাঠে, তবে বেশির ভাগ সময় শীতের জন্য মসজিদের ভেতর অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন সময়ে নামাজ অনুষ্ঠানের অন্যতম কারণ হলো যারা অফিসে যাবে, তা সকালের জামাত ধরবে (সাধারণত সাতটা থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়)। অন্যদিকে যাদের ছোট ছেলেমেয়ে আছে এবং অফিসে যাওয়ার তাড়া নেই, তারা পরের জামাতে অংশগ্রহণ করে সাধারণত দশটা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়)। উল্লেখ্য, এখানে পরিবারের সবাই ঈদের নামাজ আদায় করে, তবে অবশ্যই ইসলামের সকল নিয়ম-কানুন মেনে।

অতীতে ক্যানবেরায় ঈদের কেনাকাটার আনজাম ছিল না, কোনো ঈদমেলা ছিল না। আমরা হয় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে যেতাম, নতুবা গাড়ি চালিয়ে সিডনির লিভারপুল অথবা লাকেম্বায় যেতাম। সেখানে ভারতীয় এবং পাকিস্তানী পোশাকের সঙ্গে অল্প-বিস্তর বাংলাদেশের তৈরি শাড়ী-কাপড় পাওয়া যেত। তবে দেখেছি সবাই প্রায় দেশ থেকে আসার সময় দু’এক বছরের জামাকাপড় নিয়ে আসতেন। এখন যুগ পাল্টিয়েছে, মানুষ বেড়েছে জ্যামিতিক হারে, সঙ্গে সুযোগ-সুবিধাও বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। এখন প্রবাসী এবং অভিবাসীদের কেনাকাটার জন্য ঈদমেলা, যা চাঁদ রাত মেলা নামে পরিচিত, অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ক্যানবেরা ইসলামিক সেন্টার চত্বরে। সেই মেলায় রঙ-বেরঙের বাহারী শাড়ি, বিভিন্ন ধরনের পোশাকের স্টল, জুয়েলারি সরঞ্জাম, সহ আকর্ষণীয় বিভিন্ন ধরণের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্টল থাকে। সেসব স্টলে মহিলাদের প্রচুর শাড়ি কাপড় ও সেলোয়ার কামিজ এর পাশাপাশি ছেলেদের পাঞ্জাবি ও ফতুয়া থাকে, থাকে মেহেদী স্টল। ছোট ছেলেমেয়েদের জন্য থাকে হাল-ফ্যাশনের পোশাক। অনেক স্টলেই ক্রেতাদের জন্য সারপ্রাইস উপহারের পাশাপাশি মূল্যহ্রাসের বিশেষ ব্যবস্থা থাকে। এছাড়া সেখানে নানা ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন দেশীয় মুখোরোচক খাবার এবং ইফতারির সুব্যবস্থা থাকে। অনেকেই মনে করেন যে, ক্যানবেরাবাসী মুসলমানদের মাঝে এধরনের উদ্যোগ শুধু কেনাকাটা নয়, যান্ত্রিকতাময় জীবনে একে অপরের সঙ্গে দেখা হবারও সুযোগ করে দেয়।

আরেকটা কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন। আগে আমরা আশেপাশের সবাইকে, বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীদের, দেখা-সাক্ষাতের সময় দাওয়াত করতাম। দূরের দু’একজনকে টেলিফোন করে বলতাম। এখন আর তা করতে হয় না। সাম্প্রতিক কালে বিজ্ঞানের অকল্পনীয় অগ্রগতির জন্য টেলিফোন করে কাউকে ঈদের দাওয়াত দিতে হয় না। যে কোনো সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে এক সঙ্গে অনেককেই দাওয়াত দেওয়া যায়। রোজার শুরু থেকে আরম্ভ হয় এই দাওয়াত পর্ব, বিশেষ করে বাংলাদেশিদের মধ্যে, যা দুপুর ও রাত মিলিয়ে পরবর্তী দুই শনিবার ও বোরবার ধরে চলতে থাকে।

অন্যদিকে ঈদ-উল আজহার বিষয় আলাদা, হিসাব-কিতাব অন্য রকম। একসময় ক্যানবেরায় কোনো হালাল বুচার শপ ছিল না। তখন আমরা কয়েকজন মিলে আনুমানিক ত্রিশ কিলোমিটার দূরে নির্দিষ্ট একটা ফার্মে গিয়ে কোরবানী দিতাম। ভেড়া বা ছাগল কোরবানী দেওয়া সহজ ছিল, কিন্তু গরু ধরে জবাই করা ছিল দূরহ কাজ। কারণ ‘অষ্ট্রেলিয়ার গরু’ বলে বাংলাদেশে একটা কথা চালু আছে। তাই প্রথমে মাঠে চড়ানো গরুকে ট্র্যাংকুলাইজার দিয়ে অবশ করে সঙ্গে সঙ্গে জবেহ করতে হয়। অবশ্য এ ব্যাপারে ফার্মের মালিক ম্যাক্স আমাদের সাহায্য করত। জবেহ করার পর ম্যাক্স চামড়া খুলে গরুকে চার টুকরো করে দিত এবং আমরা সেগুলো কেটে ছোট টুকরো করতাম। ভেড়া বা ছাগলের চামড়া ছাড়ানোর পর আমরা সহজেই নিজেদের মতো করে কেটে নিতাম। অবশ্য তাতে প্রায় সারাদিন চলে যেত, অর্থাৎ ঈদ শেষ হয়ে যেত। বাসায় ফিরে রান্না করে আশেপাশে দু’একজনকে নিয়ে সেই কোরবানীর মাংস উপভোগ করতাম। গরীব এবং আত্মীয়-স্বজন না-থাকার জন্য পরিচিত সবাইকে মাংস দিতাম, বিশেষ করে যারা ক্যানবেরায় কোরবানী দেয়নি। তবে আমাদের এখন আর এ পথে যেতে হয় না। কেননা ক্যানবেরায় এখন অনেক হালাল বুচার শপ চালু হয়েছে। ওদেরকে নাম দিলেই ওরা কোরবানী দিয়ে মাংস কেটে প্যাকেট করে দেয়। তাতে আগের মতো শারীরিক কষ্ট করতে হয় না, তবে দাম বেশি দিতে হয়।

পরিশেষে বলতে হয়, আগে যখন ক্যানবেরায় মুসলমানের সংখ্যা সীমিত ছিল, তখন আমরা একই দিনে রোজা শুরু করতাম এবং একদিনই ঈদ উদযাপন করতাম। কিন্তু মুসলমানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং বিভিন্ন মতবাদের জন্য আলাদা দিনে রোজা শুরু হয় এবং ঈদও উদযাপন করা হয় পৃথক দিনে।

যাহোক, প্রবাসে আমাদের ঈদ উদযাপন একেক করে প্রায় চার দশক কেটে যাচ্ছে। আগামিতেও প্রবাসে এভাবেই আমাদের ঈদ উদযাপন এবং ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে হবে।


Place your ads here!

Related Articles

প্রবাস জীবনঃ ক্যানবেরায় বাঙালী সংস্কৃতিকে সচল রাখতে দরকার নতুন প্রজন্মের অংশগ্রন

গত ৩০ এপ্রিল ‘প্রিয় অষ্ট্রেলিয়া’ আমার একটি লেখা ছাপে। ‘প্রবাস জীবনঃ সংস্কৃতির চর্চা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক’ শিরোনামের সেই লেখাটিতে পাঠকদের

মানবাধিকার লংঘন এর সমাধান কী?

বাংলাদেশে মানবাধিকার লংঘন এখন সাধারণ একটা বিষয়ে পরিণত হয়েছে! নিহত একরামুল এর পরিবার যে অভিযোগ করেছে এটা খুবই গুরুতর। সরকার

রব ফকির – একজন নিভৃতচারী সাধকের গল্প

রব চাচাকে নিয়ে কখনও লিখবো ভাবিনি। কারণ রব চাচার মত নিভৃতচারী মানুষ আমি আমার এই ছোট জীবনে দ্বিতীয়টি দেখিনি আর

No comments

Write a comment
No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write a Comment