বাংলাদেশে এখন প্রতিদিন বঙ্গবন্ধুকে খুন করা হচ্ছে – রনেশ মৈত্র
ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক প্রখ্যাত সাংবাদিক শ্রী রণেশ মৈত্র সম্প্রতি একুশে রেডিওর সাথে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুকে এখন প্রতিদিন খুন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭২’সালের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম রাখেন নি। কিন্তু এখন তার মেয়ের শাষন আমলে সংবিধানে এগুলো এসে গেছে যেগুলি জিয়ার আর এরশাদের; বঙ্গবন্ধুর না। বঙ্গবন্ধু মানে আদর্শ। তাই এই আদর্শকে যদি খুন করা হয় তাহলে বঙ্গবন্ধুকে খুন করা হয়। সেই অর্থে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুকে এখন প্রতিদিন খুন করা হচ্ছে।
সাংবাদিকতায় তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ বাংলাদেশ সরকার ২০১৮ সালে রণেশ মৈত্রকে একুশে পদক প্রদান করেন।
রণেশ মৈত্র’র জন্ম ১৯৩৩ সালে বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলায়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়ে মানুষের দুর্ভোগ, সামাজিক ও রাজনৈতিক অন্যায় অবিচারের স্মৃতিচারণ করে ৮৫ বছরের এই প্রবীন সাংবাদিক বলেন, তার এলাকায় দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় খাবারের অভাবে একশ্রেণীর মানুষ যখন মরছিল তখন অন্য এক শ্রেণীর মানুষ খাবার গুদামজাত করে সৃষ্টি করছিল কৃত্রিম দুর্ভিক্ষের। এধরণের অন্যায় অবিচারের প্রতিকার করতে সে সময় থেকেই সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী মতাদর্শের রাজনীতি শুরু করেন তিনি। তার সেই রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে আজও তিনি বিচ্যুত হননি যদিও সময়ের প্রয়োজনে তিনি রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করেছেন। বার্ধক্যের কারনে সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জরিত না থাকলেও, তিনি তার লেখা-লেখীর মাধ্যমে আজ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, এবং নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছেন বলে জানান। বাংলাদেশে দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন ব্যাংক ডাকাতি ও ব্যাংকের টাকা বিদেশে পাচার করার সাথে যারা জড়িত রয়েছে তাদের ফাঁসি হবে না কেন? এসব দুর্নীতির সাথে সরকারের লোক সংশ্লিষ্ট আছে বলেও তিনি বলেন।
ইউটিউব লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন https://www.youtube.com/watch?v=Sss5cOvTrwk&feature=youtu.be
Related Articles
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে…
সম্প্রতি যুক্তরাজ্য প্রবাসী বোনের মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ও বেলারুশে একটি অগুরুত্বপূর্ণ সরকারী সফর শেষ করে সপ্তাহকাল অতিবাহিত
সিনেমার সর্বজয়া আর সাহিত্যের সর্বজয়া
বিভূতিভূষণ মানবজীবনের গভীর ভাষ্যের রূপ অসাধারন কারুকার্যে তুলে ধরেছেন তাঁর উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’তে। তারই ভিত্তিতে সত্যজিৎএর সৃষ্টি অনবদ্য সিনেমা ‘পথের
পদ্মাসেতুতে বিশ্বব্যাংককে সরকারের না, নাকি সরকারকে বিশ্বব্যাংকের না?
একি শুনি আজ মন্থরার মুখে, পদ্মাসেতুতে বিশ্বব্যাংককে সরকারের না, নাকি সরকারকে বিশ্বব্যাঙ্কের না? আমরা কি ভুল দেখছি? আমি সত্যিই হতবাক


