পৃথিবীর জগৎ

পৃথিবীর জগৎ

পৃথিবী তার ডাক নাম। পুরো নাম পৃথিবী তাজওয়ার, পড়ে হ্যাম্পডেন পার্ক পাবলিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে। নামের সাথেই মিল রেখে পৃথিবীর ভাবনা কাজ করে এবং সেটা ফুটে উঠে তার আঁকাআঁকিতে। বয়স দশ পেরিয়ে সবে এগারোতে পড়েছে কিন্তু ওর হাতের আঁকাআঁকিতে এখনই মুন্সিয়ানার ছোয়া পাওয়া যায়। বিপুলা পৃথিবীর বিশালতা থেকে শুরু করে মানুষের মন সবই ওর আঁকাআঁকির বিষয়বস্তু। বাংলাদেশ থেকে হাজার মাইল দূরে থেকেও ও ধারণ করে চলেছে বাংলাদেশের ইতিহাস এবং সংস্কৃতিকে। আর সেটা বারবারই ফুটে উঠেছে ওর আঁকাআঁকিতে। সেটা সম্ভব হয়েছে তার মায়ের কল্যাণে।

পৃথিবী তার বাবা আবদুল্লাহ আল মামুন এবং মা পূরবী পারমিতা বোসের সাথে সিডনির বাংলাদেশ পল্লীখ্যাত লাকেম্বাতে বসবাস করেন। তার বাবা মা দুজনেরই আদি নিবাস ব্রম্মপুত্রের কোলে ময়মমনসিংহে। পৃথিবীর নানা জ্যোতিষ বোস ছিলেন একসময়ের নিবেদিতপ্রাণ বাম রাজনীতিবিদ। তাই পৃথিবীর মা বেড়ে উঠেছিলেন পুরোপুরি সাংস্কৃতিক আবহে এবং সেটাই তিনি প্রবাহিত করে দিতে পেরেছেন পৃথিবীর মধ্যে। পৃথিবীর মা ক্ল্যাসিক্যাল নৃত্যশিল্পী। সিডনির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার নাচ দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে ইতোমধ্যেই।

পৃথিবীও ইতোমধ্যেই তার আঁকাআঁকির মাধ্যমে নিজেকে পরিচিত করে ফেলেছে। সিডনির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আঁকাআঁকির প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সে ইতোমধ্যেই অর্জন করেছে একাধিক পুরস্কার। আমি নিজে পৃথিবীর আঁকাআঁকির অনেক বড় ভক্ত এবং আমি নিশ্চিৎ ওর আঁকাআঁকি দেখলে আপনারাও ওর ভক্ত হয়ে যাবেন। এতদসঙ্গে আমি পৃথিবীর কয়েকটা আঁকাআঁকি সংযুক্ত করলাম। আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে এবং খুব সহজেই আপনারা ওর ভাবনার জগতের একটা স্পর্শ পেয়ে যাবেন। তাছাড়াও পৃথিবী বিভিন্ন উপলক্ষে কবিতা রচনা করেন যেটাতে তার ভাবনাগুলো আরো পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠে। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন যেন পৃথিবী তার নামের মতই বিশাল হৃদয়ের মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠতে পারে।

পৃথিবী

পৃথিবীর কল্পনায় বাংলাদেশ

পৃথিবীর কল্পনায় বাংলাদেশি নারী

পৃথিবীর কল্পনায় ভাষা আন্দোলন

পৃথিবীর কল্পনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ

টি-শার্টে পৃথিবীর আঁকাআঁকি

পৃথিবীর আঁকা পর্বতগৃহ

পৃথিবীর কল্পনায় মানুষের মন

নিজের আঁকা ছবি হাতে পৃথিবী

পৃথিবী কল্পনায় হ্যারি পর্টারের যাদু শিক্ষার স্কুল

পৃথিবীর স্বরচিত কবিতা

পুরস্কার হাতে পৃথিবী

Md Yaqub Ali

Md Yaqub Ali

আমি মোঃ ইয়াকুব আলী। দাদি নামটা রেখেছিলেন। দাদির প্রজ্ঞা দেখে আমি মুগ্ধ। উনি ঠিকই বুঝেছিলেন যে, এই ছেলে বড় হয়ে বেকুবি করবে তাই এমন নাম রেখেছিলেন হয়তোবা। যাইহোক, আমি একজন ডিগ্রিধারী রাজমিস্ত্রি। উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করতে অস্ট্রেলিয়াতে আমার আগমন ২০১৫ সালের মার্চে। আগে থেকেই ফেসবুকে আঁকিবুকি করতাম। ব্যক্তিজীবনে আমি দুইটা জীবের জনক। একটা হচ্ছে পাখি প্রকৃতির, নাম তার টুনটুনি, বয়স আট বছর। আর একজন হচ্ছে বিচ্ছু শ্রেণীর, নাম হচ্ছে কুদ্দুস, বয়স দুই বছর। গিন্নী ডিগ্রিধারী কবিরাজ। এই নিয়ে আমাদের সংসার। আমি বলি টম এন্ড জেরির সংসার যেখানে একজন মাত্র টম (আমার গিন্নী) আর তিনজন আছে জেরি।


Place your ads here!

Related Articles

বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের ৩২ বিখ্যাত খাবার

১. বগুড়ার দই২. টাঙ্গাইলের চমচম৩. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালের বড়া৪. বাঘাবাড়ির ঘি ৫. নওগাঁর প্যারা সন্দেশ৬. নাটোরের কাচাগোল্লা৭. মুক্তাগাছার মণ্ডা৮. মাদারীপুরের গুড়৯.

21st Century “Kunta Kinte”! Chapter 6: Back to reality!

21st Century “Kunta Kinte”! Introduction: Revealing the “untold”! | Chapter 1: The realisation! | Chapter 2 : The beginning! |

SAU Alumni স্কলারশিপ…

অস্ট্রেলিয়াতে বসবাসকারী  ঢাকার শেরে-বাংলা-নগর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন  ছাত্র-ছাত্রী’রা(SAU Alumni) এবছর থেকে শেরে-বাংলা-নগর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গরীব ও মেধাবী কৃষি শিক্ষারতিদের স্কলারশিপ

No comments

Write a comment
No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write a Comment