রব ফকির – একজন নিভৃতচারী সাধকের গল্প

রব ফকির – একজন নিভৃতচারী সাধকের গল্প

রব চাচাকে নিয়ে কখনও লিখবো ভাবিনি। কারণ রব চাচার মত নিভৃতচারী মানুষ আমি আমার এই ছোট জীবনে দ্বিতীয়টি দেখিনি আর রব চাচার মত বড় মানুষেরও সাক্ষাৎ পাইনি। উনার সাথে আমার কখনও সরাসরি কথা হয়েছে এমন কোন স্মৃতির কথা আজ আর মনেপড়ে না মানুষটা এতটাই নিভৃতচারী ছিলেন। উনাকে নিয়ে লিখতে গেলে একেবারে আমার শৈশবের দিনগুলোতে ফিরে যেতে হবে যখন সকল প্রকার উৎসবেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যোগ দিতাম।

একদিন মা বললেন চলো ফকির পাড়ায় একটা ওরশ হচ্ছে দেখে আসি। আমাদের বাড়াদী গ্রামটা আমার খুবই প্রিয়। কারণ এটাকে আমরা বলি গ্রাম কিন্তু এটা আবার শহর থেকে খুব বেশি দূরে নয়। আমাদের গ্রামটা কুষ্টিয়া পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত। আমাদের গ্রামটা থেকেই বারখাদা ইউনিয়ন পরিষদের সীমানা শুরু। আমাদের গ্রামে একদিকে যেমন পাকা রাস্তা আছে আবার আমাদের বাড়ির ঠিক পিছন থেকেই শুরু হয়েছে অবারিত সবুজ ফসলের ক্ষেত। তাই আমি সবাইকে বলতাম আমাদের বাড়িতে বেড়াতে গেলে তুমি শহরতলীর প্রকৃত রূপটা ধরতে পারবে।

আমাদের গ্রামে অনেকগুলো পাড়া বা মহল্লা আছে এবং পাড়ার নাম শুনেই বুঝা যায় সেই পাড়ার মানুষদের জীবিকা কি? যেমন ফকিরপাড়া, শাহপাড়া, খালপাড়া, ধোপাপাড়া ইত্যাদি। ফকির পাড়ার নামকরণ নিয়ে শুরুতে আমার ধারণা ছিল ঐ পাড়ার সবলোক ভিক্ষা করে। পরে বুঝতে পারলাম ঐ পাড়ার প্রায় সবাই ফকির লালন শাহের অনুসারী বাউল তাই এমন নামকরণ। ফকির পাড়ার যে বাড়িতে ওরশের আয়োজন করা হয়েছিল সেটা ছিল রব চাচাদের বাড়ি। রব চাচার ছোটভাই আল্লেক আমার মেজো ভাই ইউনুসের সাথে একই ক্লাসে পড়তো। আর রব চাচার মা ছিলেন আমাদের গ্রামের বিখ্যাত ধাত্রী। একবার অনেক রাত্রে পাশের বাড়ির চাচির দ্বিতীয় সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার সময় উনাকে অনেক রাত্রে ডাকতে গিয়েছিলাম। উনি তক্ষুণি আমাদের সাথে রওয়ানা দিয়ে দিয়েছিলেন।

লালন সাঁই

রব চাচার ছেলে পরান ছিল আমাদের খেলার সাথী। আমি যদিও বয়সে একটু বড় ছিলাম কিন্তু কনিষ্ঠদের সাথে মিশতাম বলে পরানের সাথে আমার সখ্যতা ছিল। উপরন্তু ফুপাতো ভাই জাহিদ যাকে আমরা ছোটনানা বলে ডাকি উনি হচ্ছে পরানের অনেক কাছের মানুষ সেইসূত্রেও অনেক বেশি হৃদ্যতা আছে পরানের সাথে।  জাহিদ নানাও গানপাগল মানুষ নিজে গানের চর্চা করেন আবার পাড়ার সবাই মিলে মাঝেমধ্যে গানের আসর বসান। এমনকি আমি দেশ ছাড়ার আগমুহূর্তে উনার বিয়ের অনুষ্ঠানে যেয়ে দেখি সেখানেও গানের আসর বসেছে অবধারিতভাবেই। বাংলাদেশি বিয়ের ঐতিহ্যের একেবারে ষোলোকলা পূর্ণ করে উনি নিজের বিয়ের আয়োজন করেছিলেন।

রব চাচা শারীরিকভাবে ছিলেন শীর্ণকায়। গ্রামের মানুষদের সাথে তেমন একটা মেলামেশা করতে দেখিনি তবে যেটুকু দেখেছি উনার কথাবার্তা ছিল অনেক ধীরস্থির এবং নীচুস্বরের। চাচাকে দেখতাম রাস্তার একপাশ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে উনার কর্মস্থল কুষ্টিয়া সুগার মিলে যাচ্ছেন। আবার মাঝেমধ্যে ঘাড়ে দোতরা ঝুলিয়ে সাইকেল চালিয়ে কোথাও যাচ্ছেন। ছোটবেলায় রব চাচার সাথে স্মৃতি বলতে এটুকুই। এরপর একসময় আমি কুষ্টিয়া ছেড়ে ঢাকায় এসে থিতু হলাম তাই আর রব চাচার বা পরানের তেমন কোন খবর রাখা হয় নাই। মাঝেমধ্যে কুষ্টিয়াতে গেলে পরানের সাথে দেখা হত আর শুনতাম রব চাচা হয়তোবা ঢাকা অথবা দেশের বাইরে গেছেন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। তখন মনেমনে ধারণা হত চাচা হয়তোবা অনেক বড় মাপের বাউল।

আব্দুর রব ফকির (ছবিঃ ইন্টারনেট)

বাংলাদেশের লোকঘরানার জনপ্রিয় ব্যান্ড “বাংলা” তাদের দ্বিতীয় এলবাম “প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব” উৎসর্গ করেছিল লালনকে।  আর সেই ব্যান্ডে বাংলা ব্যান্ডের সাথে কাজ করেছিলেন রব চাচা। সিডি কিনে গানগুলো শুনতে যেয়েই বুঝতে পারলাম আমাদের গ্রামেই ঠিক কতবড় মাপের একজন লালন সাধক রয়েছেন। প্রত্যেকটা গানের শুরুতেই সেই গানের বিষয়বস্তু নিয়ে সামান্য আলোচনা করে গানটা শুরু করা হয়েছে। সেখানে সবাই তাদের মতামত ব্যক্ত করেছেন।  মজার ব্যাপার হচ্ছে এই সিডির গানগুলোর চেয়ে এই আলোচনাগুলোই আমাকে বেশি টানতো।  বারবার আলোচনাগুলো শুনতাম আর লালনের দর্শণ বুঝার চেষ্টা করতাম।

কিন্তু উনার সম্মন্ধে জানার প্রকৃত আগ্রহ তৈরি হল যখন উনি মারা যাওয়ার খবর পেলাম জাহিদ নানার কাছ থেকে। মাঝেমধ্যেই নানাকে ফোন দিই কুশলাদি জিজ্ঞেস করার জন্য। এমনই একদিন কথা প্রসঙ্গে নানা বললেন রব কাকা মারা গেছেন। রব চাচার দর্শণের পরিচয় পেতে হলে আমাদেরকে আগে লালনের কাছে ফিরে যেতে হবে। রব চাচা তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন লালনের দর্শণ প্রচারে। কি ছিল সেই দর্শণ। আবুল আহসান চৌধুরী তার “লোকজাগরণের নায়ক” প্রবন্ধে খুব সুন্দরভাবে লালনের দর্শণ তুলে ধরেছেন। “লালন সারা জীবন মুক্তচিন্তায় বিশ্বাসী ছিলেন, মানবতাবাদী দর্শনকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন, ঘুণেধরা সমাজটাকে বদলাতে চেয়েছিলেন, জাত-ধর্মকে দূরে সরিয়ে মানুষকে মানবিকবোধে বিকশিত করার ব্রত নিয়েছিলেন। সামান্য মরমি ফকিরের এসব উল্টো ধারার কর্মকাণ্ড বরদাশত করবেন কেন সমাজের উচ্চবর্ণের মানুষ! তাই তিনি দুশমন হয়েছিলেন তাঁদের। পাষণ্ড, ব্রাত্য, ন্যাড়া, বেশরা, জারজ—এই সব গালমন্দ, আরোপিত কলঙ্ক আর নিন্দা তাঁকে শুনতে-সইতে হয়।”

আব্দুর রব ফকির (ছবিঃ ইন্টারনেট)

রব চাচাও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলেছেন। বাংলালিংক বাংলার পথে অনুষ্ঠানের টিঙ্কু চৌধুরী যখন উনার সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য উনার বাড়িতে হাজির হন তখন আমরা দেখতে পাই একজন বাউল সাধকের সাদামাটা জীবনযাপন প্রণালী কিন্তু তার কণ্ঠে উচ্চারিত হচ্ছে লালনের মহান মানবতবাদের বাণী। শীর্ণকায় মানুষটার চোখের দিকে তাকালেই টের পাওয়া যায় কতখানি গভীর বিশ্বাস থেকে উনি একেকটা শব্দ উচ্চারণ করে চলেছেন। বলার মধ্যে এমন এক ধরণের শান্ত ভঙ্গি যে মুহূর্তেই যেকোন শ্রোতাই মন্ত্রমুগ্ধের মত উনার কথা শুনতে বাধ্য হবেন।

উনি একেএকে বলে যাচ্ছিলেন দোতরার কথা, সাধু সঙ্গের কথা, বাউল সাধক হয়ে ওঠার কথা। উনার প্রত্যেকটা কথায় অনেক বেশি তথ্যবহুল। বাউল আসলে অনেক সাধনার পর হওয়া যায়। আর একজন বাউলের কর্তব্য বা করণীয় কি সেটাও উনার বক্তব্য থেকে পরিষ্কার বুঝা যায়। আর অবধারিতভাবেই উঠে আসে লালনের জীবন এবং জীবন দর্শণ। এই সাক্ষাৎকারটা দেখলে আরো একটা জিনিস খুবই পরিষ্কারভাবে বুঝা যায় সেটা হচ্ছে একজন বাউল সাধকের অনাড়ম্বর জীবন প্রণালীর। একটা টিনের ঘরের মেঝেতে শুধুমাত্র কাপড় বিছিয়ে মানুষকে আপ্যায়ন করা হচ্ছে। খাবার হিসেবে দেয়া হচ্ছে মোটা চালের ভাত আর একটামাত্র মাছের তরকারি। আর যে প্লেট বা বাটিতে খাবার দেয়া হচ্ছে সেগুলোও টিনের। উনি যে মাপের বাউল সাধক ছিলেন যদি উনি চাইতেন তাহলে জাগতিক জশ, খ্যাতি, ধনসম্পদ অনেক কিছুই অর্জন করতে পারতেন কিন্তু উনি সেগুলো না করে নিজেকে জাগতিক মহামায়া থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন আর নিবিষ্ট মনে করে চলেছেন বাউল সাধনা।

রব চাচার বাউল সাধনার শুরু ১৯৭২ সাল থেকে। আব্দুর রহিম বয়াতি ছিলেন রব চাচার গুরু। পিতার কর্মসূত্রে রব চাচা কুষ্টিয়া সুগার মিলে চাকুরি শুরু করলে পরিচয় হয় উনার গুরুর সাথে। রব চাচার ভাষায় লালন শাহ সবসময় কর্মকে ভালবেসেছেন। কর্মহীন জীবনে কোন ভজন সাধন নাই। কর্ম ছাড়া জীবন ছন্নছাড়া। ধর্মের একটা অংশ হচ্ছে কর্ম। কর্ম শেষে অবসর সময়ে যতটুকু সাধনা করা যাবে সেই সময়টুকুই সাধনার কাজে ব্যস্ত থাকতে হবে। রব চাচার ভাষায়, যারা লালন সাইজির মুরিদ তাদের কোন জাতি ভেদাভেদ নাই। সব মানুষই তাদের কাছে মানুষ।

রব চাচা আরো বলে চলেছেন, সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট প্রকৃতি দেখে যেন আমরা সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে না যাই। সাঁইজি

বলেছেন,

“জগৎ মুক্তিতে ভুলালেন সাঁই।

ভক্তি দাও হে যাতে চরণ পাই।।”

সংজ্ঞগুনে মানুষের চরিত্র নির্ধারণ হয়। যে যেইরকম সঙ্গ ধরে তার রঙ সেইরকমই হয়। যদি কেউ সাধুর কাছে যায় তাহলে সে সাধু হয়, যদি কেউ চোরের কাছে যায় তাহলে সে চোর হয়। এইজন্য আমাদের মুরুব্বিরা বলে থাকেন, বাবাসকল যাই করিস মাঝেমাঝে একটু সৎসঙ্গ করিস। সৎসঙ্গ বলতে সতকথা আলোচনা করাকে বুঝানো হয়েছে কিন্তু এই সতকথা সব মানুষের মুখে আসে না। কিছুকিছু মুখ দিয়ে সৎ কথা আসে সেই মানুষগুলোর কাছে মাঝেমাঝে যেতে হবে। তারজন্য যদি দশ মাইল গাড়িতে করে ভ্রমণ করতে হয় তবুও যেতে হবে। সেইজন্য সব মানুষেরই একজন সৎ গুরুর দরকার যেমন লালনের গুরু ছিলেন সিরাজ সাঁই। তাই লালন সাঁই বলেছেন,

“ভবে মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার

সর্বসাধন সিদ্ধি হয় তার।।”

“সহজ মানুষ ভজে দেখ না রে মন দিব্যজ্ঞানে।

পাবি রে অমূল্যনিধি বর্তমানে।।”

“মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি।

মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি।।”

রব চাচার ভাষায়, মানুষের মাথায় লাঠি মেরে কিছু হবে না। মানুষকে ভালবেসেই সবকিছু করতে হবে। এইজন্য একজন মানুষগুরু দরকার। জীবনে একজন শিক্ষাগুরু থাকা প্রয়োজন।

গানের আসরে রব চাচা (ছবিঃ ইন্টারনেট)

এই মানুষগুলোই প্রকৃত বাউল সাধক যারা শুধুমাত্র নিজেদের কল্যাণের জন্য চিন্তা না করে সমগ্র মানবজাতির কথা চিন্তা করে যাচ্ছেন। আর উনাদের শেখানো বিদ্যার বাণিজ্যিকীকরণ করে অনেকেই গাড়ি বাড়ি হাঁকিয়ে বসে আছেন। বর্তমান যুগে বাউলিয়ানা আর শুধু সাধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই এখন সেটা শহুরে মানুষদের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হয়ে দাড়িয়েছে। যারফলে বাউল জীবনের যে দর্শণ সেটার দেখা পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। লালন তার সঙ্গিত রচনায় কুষ্টিয়ার আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করেছিলেন যার সন্ধান পাওয়া যায় প্রকৃত বাউলদের গায়কিতে কিন্তু বর্তমানের আধুনিক শহুরে বাউলদের গাওয়া বাউল সঙ্গিত একেবারে শুদ্ধ বাংলায়। তারা হয়তো জানেও না যে আসল শব্দ কোনটি ছিল। একবার লালন সঙ্গিতের উপর একজন গবেষকের একটা বই কিনে যারপরনাই হতাশ হয়েছিলাম কারণ সেখানে লালনের বিভিন্ন কথা আলোচনার পাশাপাশি বেশকিছু বাউলের পরিচয়  তুলে ধরা হয়েছিল। আমার পরিষ্কার মনেআছে রব চাচার ঠিকানা ভুল ছিল কিন্তু লেখক ছিল একজন বড় মাপের লালন গবেষক। তাছাড়াও বইয়ে লালন গীতির বেশ বড় একটা সংকলন ছিল এবং সেখানে কুষ্টিয়ার আঞ্চলিক ভাষার পরিবর্তে শুদ্ধ বাংলায় লালন গীতি লেখা ছিল।

লালনের দর্শণের সবচেয়ে ভালো এবং একইসাথে খারাপ দিক হচ্ছে এর কোন লিখিত রূপ নেই যেটাকে মানুষ রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। বাস্তবতা এবং পরিস্থিতির আলোকে লালন যে বাণী এবং কর্ম সম্পাদন করেছিলেন সেগুলোই লালনের দর্শণ। লালনের দর্শন একজন শুনে পালন করে আবার আরো দশজনের কাছে প্রচার করে সেটার বিস্তার ঘটিয়েছিলেন যেটাকে বইয়ের ভাষায় বলে হিউমেন চেইন। তাই রব চাচার মত সাধকেরা অন্তর দিয়ে সেটাকে অনুভব করে সেটা ধারণ করতেন এবং প্রচার করতেন যারফলে এই মানুষগুলোর মৃত্যুর সাথে সাথে একটা দর্শেনেরও মৃত্যু হয়। এভাবে চলতে থাকলে হয়তোবা একদিন লালনের দর্শণ ধারণকারি মানুষকে খুঁজতে আতশি কাচ লাগবে। আর লালন যেহেতু সকল ধর্ম বর্ণের উর্ধে উঠে মানবতার কথা প্রচার করে গেছেন তাই হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে তার উপর ক্ষেপে আছে এবং সময়ে তাদেরকে আক্রমণ করে সেটার প্রকাশও ঘটিয়েছে। ইদানিংকালে পত্রিকা খুললেই বিভিন্ন জেলায় সাধুসঙ্গের লোকেদের উপর হামলার খবর পাওয়া যায় যার শুরুটা হয়েছিল এয়ারপোর্টের সামনে থেকে লালনের ভাস্কর্য সরানোর মধ্যে দিয়ে।

একজন রব ফকির যিনি সারাজীবন লালনের তথা মানুষের হিতসাধনের সাধনা করে নিভৃতে মৃত্যুবরণ করেন আর আমরা সেই সাধকদের সাধনার আরাধ্যকে মূলধন বানিয়ে আরো একটা ব্যবসা খুলে বসি।

 

Md Yaqub Ali

Md Yaqub Ali

আমি মোঃ ইয়াকুব আলী। দাদি নামটা রেখেছিলেন। দাদির প্রজ্ঞা দেখে আমি মুগ্ধ। উনি ঠিকই বুঝেছিলেন যে, এই ছেলে বড় হয়ে বেকুবি করবে তাই এমন নাম রেখেছিলেন হয়তোবা। যাইহোক, আমি একজন ডিগ্রিধারী রাজমিস্ত্রি। উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করতে অস্ট্রেলিয়াতে আমার আগমন ২০১৫ সালের মার্চে। আগে থেকেই ফেসবুকে আঁকিবুকি করতাম। ব্যক্তিজীবনে আমি দুইটা জীবের জনক। একটা হচ্ছে পাখি প্রকৃতির, নাম তার টুনটুনি, বয়স আট বছর। আর একজন হচ্ছে বিচ্ছু শ্রেণীর, নাম হচ্ছে কুদ্দুস, বয়স দুই বছর। গিন্নী ডিগ্রিধারী কবিরাজ। এই নিয়ে আমাদের সংসার। আমি বলি টম এন্ড জেরির সংসার যেখানে একজন মাত্র টম (আমার গিন্নী) আর তিনজন আছে জেরি।


Place your ads here!

Related Articles

21st Century “Kunta Kinte”! Chapter 8: Life Goes on…

21st Century “Kunta Kinte”! Introduction: Revealing the “untold”! | Chapter 1: The realisation! | Chapter 2 : The beginning! |

সাবধানে সমাধানেরা থাকে

ঘটনা সত্যি ২০০৭ এর দিকে একবার ঢাকা থেকে রাজশাহী যাচ্ছি, তো ওই সময় মহাসড়কের সংস্কার কাজ চলছিলো, হুট করে রাস্তার

Quarantiny – Chapter 5 – Day 3

Day 3Sunday 19 April 2020 “I wish I could fly on the Northern CloudOnce it reaches Canberra,I would like to

No comments

Write a comment
No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write a Comment