ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০১৮ অনুষ্ঠিত

ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০১৮ অনুষ্ঠিত

কাজী আশফাক রহমান: ক্রীড়া সৃষ্টি করে বন্ধুত্ব, ক্রীড়া উৎসাহিত করে সহযোগিতা, ক্রীড়া নিশ্চিত করে সহমর্মিতা। এই ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয়ে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল প্রতি বছর আয়োজন করে থাকে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

গত ৮ই এপ্রিল রবিবার স্কুল প্রাঙ্গনে “ফলাফল যাই হোক, বিজয়ী সবাই” এই শ্লোগানে আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। দৌড়, স্কিপিং, বল কিকিং, অংকন, স্মৃতি শক্তি ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন বয়স ভিত্তিক শাখায় ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন স্কুলের সভাপতি আবদুল জলিল, অধ্যক্ষ রোকেয়া আহমেদ এবং একসময় পুত্রের বর্তমানে নাতনির অভিভাবক সন্ধ্যা খান। আয়োজন চলাকালীন স্কুলের পক্ষ থেকে সৌজন্য খাবার ও পানীয় পরিবেশন করা হয়।
বার্ষিক এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক ও স্কুলের কার্যকরী কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ সাগর।

উল্লেখ্য ভাষা শিক্ষা, সংস্কৃতি চর্চা এবং খেলাধুলার পাশাপাশি সকল মানবিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করা ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাংলা ভাষাভাষীর জন্য প্রতি রবিবার সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকে।

পুরস্কারের ডালি

পুরস্কারের ডালি

দৌড় প্রতিযোগিতা শুরুর একটি মুহূর্ত

দৌড় প্রতিযোগিতা শুরুর একটি মুহূর্ত

দৌড় প্রতিযোগিতা শেষের একটি মুহূর্ত

দৌড় প্রতিযোগিতা শেষের একটি মুহূর্ত

চলছে স্কিপিং প্রতিযোগিতা

চলছে স্কিপিং প্রতিযোগিতা

বল কিকিং এর একটি মুহূর্ত

বল কিকিং এর একটি মুহূর্ত

স্মৃতিশক্তি যাচাই পরীক্ষার একটি মুহূর্ত

স্মৃতিশক্তি যাচাই পরীক্ষার একটি মুহূর্ত

অভিবাবকদের বল কিকিং খেলা

অভিবাবকদের বল কিকিং খেলা

পুরস্কার বিতরণীর একটি মুহূর্ত

পুরস্কার বিতরণীর একটি মুহূর্ত

পুরস্কার বিতরণীর একটি মুহূর্ত

পুরস্কার বিতরণীর একটি মুহূর্ত

আপ্যায়নের একটি পদ

আপ্যায়নের একটি পদ

Kazi Ashfaq Rahman

Kazi Ashfaq Rahman

ছেলেবেলা থেকেই শান্তশিষ্ট ছিলাম বলে আমার মায়ের কাছে শুনেছি। দুষ্টুমি করার জন্য যে বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন তা নিশ্চয়ই আমার ছিল না। আমার এই নিবুর্দ্ধিতা একসময় আমার মাকে ভাবিয়ে তুলেছিল। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন আমার এই ছেলে জীবনে চলবে কি করে। এখন যেভাবে চলছি তাতে কোনও আক্ষেপ নেই। ভালই তো আছি। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত শিক্ষা, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যে অনন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারাকে জীবনের বড় অর্জন বলে মনে করি। আমার স্ত্রী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী, আমার শত বোকামী, আলসেমী আর বৈষয়িক না হওয়াকে প্রকারান্তরে প্রশ্রয় দেওয়াতে আমার আর মানুষ হয়ে ওঠা হয়নি। আমার দুই সন্তান, আমি চাই তারা আমার মত বোকাই থেকে যাক কিন্তু আলোকিত মানবিক মানুষ হোক যা আমি হয়তো হতে পারিনি।


Place your ads here!

Related Articles

ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের বাৎসরিক পিঠা উৎসব ৪ঠা আগস্ট ২০১৯

পিঠা আমাদের শ্বাশত ঐতিহ্যের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। স্বাদ ও পুষ্টি মানে অনন্য এই পিঠা আমাদের শেকড়ের সাথে, আমাদের অস্তিত্বের সাথে মিশে

ইয়াসুনারি কাওয়াবাতার গল্প: পাখি – অনুবাদ : ফজল হাসান

দিনের শুরু থেকেই পাখিটা কর্কশ স্বরে চিৎকার করছিল। সাত-সকালে বাড়ির লোকেরা যখন দরজা খোলে, তখন নজরে আসার আগেই পাখিটা ফুড়–ৎ

কেউ আসবে! কেউ আসবে…

এক লিটার কেরোসিন কিনলাম। দাম দিতে গিয়ে আমার আক্কেলগুড়ুম, ‘বাষট্টি টাকা’! কি বলে ইনি! আট/দশ টাকার কেরোসিন বাষট্টি টাকা!! মগের

No comments

Write a comment
No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write a Comment