প্রিয় মানুষের শহর – ২
আবুল ভাই ফটো সাংবাদিকদের মত ক্যামেরা কাধে নিয়ে প্রতিটি অনষ্ঠানে যায় – যেতো। ১৬ বছর দেখলাম – বুঝলাম না কিছুই। বল্লাম আবুল ভাই “বিভিন্ন অনষ্ঠানের যে ছবি তোলেন, তা কি করেন?”। বল্ল – সংগ্রহে রাখি। তখনো, ডিজিটাল যুগ আসে নাই। একবার ছবি চাইলাম – দিব, পাবেন – এর চেয়ে বেশি কিছু আদায় করতে পারিনি। এরই মধ্যে ডিজিটাল ছবি শুরু হলো। আবুল সাহেবে’র ও ক্যামেরা পরিবর্তন হলো। আমার অনুষ্ঠানের ফটোগ্রাফার করতে চাইলাম। বিনয়ের সাথে প্রত্যাক্ষান করলেন। উনার তোলা ছবি দিবেন কিন্তু ফটোগ্রাফার হবেন না।
আমাদের ওয়েব সাইটের জন্যে ছবি চাইলাম। বল্লেন “আচ্ছা” – কিন্তু ছবি পেলাম না। প্রিয় ক্যানবেরা থেকে প্রিয়অষ্ট্রেলিয়া হলো – একটি ছবি ও পেলাম না। আমার ধারনায় আবুল সাহেবের কাছে অন্তত কয়েক মিলিয়ন ছবি থাকার কথা এ পর্যন্ত।
দশ বছর আগে আমি একটা ছবি এলবাম বানালাম আমাদের সাইটের সাথে “ফটোজ” [https://priyoaustralia.com.au/photos/]। আবুল ভাইয়ের বাসায় দাওয়াত নিলাম – গায়ে পড়ে দাওয়াত নেয়া যাকে বলে। ফোনে প্রচুর কথা হলো আমদের নতুন ছবি এলবাম নিয়ে। আবুল ভাই ভাল ভাবে সায় দিলেন। ফটো এলবামের পুরো দ্বায়িত্ব আবুল ভাইকে দিলাম। নিলেন হাসি মুখে। আমি ছোটখাটো একটা ট্রনিং সেসান করলাম। কি ভাবে ফটো আপলোড, নতুন এলবাম বানাতে হয়। এতে ওনার একটা স্হায়ি ছবি’র ডাটাবেইজ পেয়ে যাবনে। ছবি রাখার আর কোন চিন্তা করতে হবে নাহ। সব ঠিক ঠাক।
আট বছর হলো। একটা ছবিও ওনলাইন এলবামে যুক্ত হয়নি।
এরই মধ্যে ১৬ বছর পেরিয়ে গেল। আমি যুবক থেকে অযুবক হতে চলেছি। আবুল ভাইয়ের মন গলেনি – হাতও খোলেনি। মাঝ খান থেকে – দাওয়াত টা হারালাম আমি।
আবুল ভাই এখন ঈদেও আমাকে স্বরন করেন নাহ।
[“প্রিয় মানুষের শহর” সব গুলোই কাহিনী। চরিত্রগুলোও কাল্পনিক। সত্য মিথ্যা জানতে চেয়ে বিব্রত করবেন না। গল্প – গল্পই। কারো সাথে মিলে যাবার কোন সম্ভবনা নেই। কাকতালীয় হবার সম্ভবনাও ক্ষীন।]
Related Articles
জয়তু জয়তী
গানপ্রিয় মানুষ আমি। গানেই মেতে থাকি। গানের ক্ষেত্রে সব গানই শুনি। নুতন পুরোনো, যখন যেমন যে মুডে থাকি। গান শোনার
Request for BAAC Membership Fee
Dear All, Thank you very much for your continuous support!! After all, “we’re proud of what we’ve been able to


