ওরা ৫১ জন – অজয় দাশগুপ্ত
অজয় দাশগুপ্তঃ খবরে দেখলাম বিএনপিকে চাঙ্গা করার জন্য ৫১ জনের কমিটি করা হয়েছে। এই ৫১ জন নতুন কেউ নয়। সেই গয়েশ্বর সেই নিতাই সেই নোমান বা খসরু সাহেব। রিজভি সালাউদ্দীনদের এই দলে নতুনদের তেমন কাউকে দেখলামনা। প্রথম কথা হলো তার মানে বিএনপি এখন ঘুমে। অথবা ভাঙা দলকে চাঙ্গা করার দায় পড়েছে। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত ক্যারিশমা প্রায় শেষ হবার পথে। ঘুরে দাঁড়িয়ে রাজনীতির মূল ধারায় ফিরতে নাপারলে এটাই তাঁর শেষ সুযোগ।
বিএনপি বিপদে পড়ার মূল কারন জামাত। অাবার জামাতহীন বিএনপি পায়াহীন চেয়ার। দেখতে ঠিকঠাক হলেও বসলেই ভেঙ্গে পড়বে। একদিকে জামাতকে ছাড়তে নাপারা অারেকদিকে ক্রমাগত ইতিহাস বিকৃতি ও ভুল রাজনীতিতে অাজ তার মরণ দশা। এখনো পাগলের মতো বকছে নেতারা। ইনু মহোদয় ও হাসান মাহমুদ যেমন অাওয়ামী লীগের কাল রিজভি গয়েশ্বরও বিএনপির জন্য ভয়ংকর। লোক ভোলানো অাবোলতাবোল কথা অার মানুষের মেধাকে ছোট মনে করার মাশুল দিতে হয়। রিজভি সাহেব ডোবানোর জন্য একাই একশ। হাওরের পানি থেকে তিস্তার পানি কোন ইস্যু তেই তারা সরকারকে জব্দ করতে পারেননি।এরা বুঝতে পারছেননা এখন অার সস্তা ভারত বিরোধিতায় কাজ হবেনা। মানুষকে জাগাতে হলে ভুল রাজনীতি থেকে বেরিয়ে অাসতে হবে।
অাওয়ামী লীগের যত ভুল তারচেয়ে বেশী ভুল সরকারী লীগের। দলের সচিব এখন বেপরোয়া। কাউয়া দেশী মুরগী এসব প্রবচনে জনমনে বিরক্তি উৎপাদন করার পরও বিরোধীরা কোন শোরগোল তুলতে পারেনি। মনে হতে পারে মানুষের দোষ। অাসলে মানুষ তিতিবিরক্ত। তারা ক্ষেপে থাকলেও পথ নাই। শেখ হাসিনার ইমেজ এখন অন্য উচ্চতায়। দেশেবিদেশে তিনি নিজগুণে সম্মানিত। তাঁর কাছেই মূলত মার খাচ্ছে বিএনপি।
ফলে তাদের এখন বাঁচামরার রাজনীতিতে নামতে হবে। ইতিহাস মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু বা শহিদদের নিয়ে বাচালতা ছাড়তে হবে। তাদের যে ছদ্দবেশী প্রতিক্রিয়াশীল চেহারা সেটা ঠিক নাহলে কোন ৫১ জন তাদের বাঁচাতে পারবেনা। অথচ ভাঁড় এরশাদ, অকেজো বাম অার লেজুড় বিরোধীদলের চাপে মানুষ অসহায়। কথা বলাও অনিরাপদ অাজ।
হয় ঠিকপথে নয়তো বিদায়, এছাড়া বিএনপির সামনে কোন পথ খোলা নাই। নীরব বা সাইলেন্ট মেজরিটির পরও অাপনাদের ব্যর্থতাই দেশের মানুষের রাগ ও দুঃখের মূল কারন। অাপনারা এভাবে চললে অাওয়ামী লীগ হেফাজত একদিন জামাত ও প্রগতির নামে স্বার্থপররা মিলে এদেশকে কোথায় নিয়ে যাবে কেউ জানেনা।
অাপনাদের ওপর জাতির অাস্থা এমনিতেই নাই। অাগুন মানুষ হত্যা অার ভয় দেখিয়ে রাজনীতি হয়না। দুনিয়ার বদলে যাওয়া হাওয়ায় বাংলাদেশ ভারত বিরোধিতার দায় নিয়ে উন্নতিতে থাকতে পারবেনা। তাছাড়া এদেশের মূল যে ভাব ও সংস্কৃতি তার সাথে যোগ নেই অাপনাদের। অাগে সেপথে অাাসুন নয়তো মেনে নিন অাওয়ামী লীগই থাকবে দেশশাসনে।
Related Articles
মুশফিকের ইনজুরি গুরুতর নয়
ফজলুল বারী, নেলসন থেকে বাংলাদেশ দলের জন্য একটি সুসংবাদ। মুশফিকের ইনজুরি গুরুতর নয়। তার বাম পায়ের হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির ধরনটিকে স্থানীয়
রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধান কে করবে?
বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমার এর যে দুটি প্রদেশের সীমান্ত রয়েছে তার মাঝে রাখাইন প্রদেশ একটি। আর একটি চিন প্রদেশ। আর রোহিঙ্গা
Brothers set to be Japan’s Prime Minister and the Opposition Leader
Japanese voters have swept the conservative government of Liberal Democratic Party headed by Prime Minister Taro Aso. The LDP except


