বাংলাদেশ জয়ী হবে
ঢাকায় জঙ্গী হামলার পর থেকেই মনটা প্রচন্ড খারাপ। কোনো কিছুতেই মন বসাতে পারছিনা। যে দেশের মানুষ এতো অতিথি পরায়ণ সেখানে আমরা বিদেশি নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারলাম না। তাদের গলা কেটে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হলো। দেশীয় তরুণ তরুণীদের ও হত্যা করা হলো একই ভাবে। কি ছিল তাদের অপরাধ? ভাবা যায় এটা আমাদের দেশের চিত্র? এটাতো পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের মতো দেশ নয়। এই দেশটাকে কোথায় নিয়ে যেতে চাইছে এরা?
এখন দেখা যাচ্ছে জঙ্গীরা শিক্ষিত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান। কিন্তু মানবতার লেশ নেই এদের মাঝে। আমি মনে করি এদের মানুষ করার যে দায়িত্ব ছিল এদের নিজস্ব পরিবারের এবং সর্বোপরি সমাজের সেটা সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনায় এটা ও এখন প্রমাণিত হয়েছে বাংলাদেশেও মারাত্মক জঙ্গীবাদের প্রসার ঘটছে।
একে নির্মূল না করতে পারলে বাংলাদেশের অস্তিত্বই হুমকির সম্মুখীন হবে। তবে আমি মনে করি শেষ পর্যন্ত জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশ জয়ী হবে কারণ বাংলাদেশের মানুষ জঙ্গীবাদকে সমর্থন করেনা। বাংলাদেশের মাটি জঙ্গীবাদের লালন ক্ষেত্র হতে পারেনা।
Related Articles
হারমোনি ডে
গেল সপ্তাহে আমার পুত্র কন্যার স্কুলে ব্যাপক আগ্রহ আর উদ্দীপনা নিয়ে পালিত হল হারমোনি ডে। এই বিশেষ দিনটিতে বিভিন্ন জাতী
একহাতে তার বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতূর্য
অজয় দাশগুপ্ত : নিজেই তিনি লিখেছিলেন তাকে বিদ্রোহী বলে বলে মানুষের মনে ভয় ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যতবার আমি তাকে ভাবি,
মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলেন?
শহরের প্রাণকেন্দ্রে নির্মিত বিশালাকার স্থাপত্য শিল্প নিদর্শন মেলবোর্ন একজিভিশন কেন্দ্রে বসে যখন দেশের কথা ভাবছি তখন ফেসবুকে চোখ রাখতেই নজরে


