হাসনাত, তাহমিদকে নিয়ে ‘উর্ধতন ঘাপলা’ আছে!
যুগান্তরের অনুসন্ধানী রিপোর্ট, সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারকে ধুয়ে দিচ্ছেন পুলিশের কিছু কর্তা! এর প্রেক্ষিতে বলতে বাধ্য হচ্ছি আমার কেন যেন মনে হচ্ছে হাসনাত করিম, তাহমিদকে নিয়ে কোথাও যেন এক ‘উর্ধতন ঘাপলা’ আছে! সে কারনে এই দু’জনকে আটক-গ্রেফতারের কথা স্বীকার করতেও পুলিশের এক মাস সময় লেখেছে! যুগান্তরের অনুসন্ধানী রিপোর্ট, সংশ্লিষ্ট রিপোর্টার তাদের অনেক কিছুকে এলোমেলো করে দিয়েছে। যারা সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাদের উদ্দেশে বলি,সাংবাদিকতাও একটি চাকরি, কিন্তু বিশেষ কিছু প্যাশন ছাড়া এই চাকরি, বিশেষ করে অনুসন্ধানী রিপোর্ট করা যায়না। আর প্যাশন নিয়ে কেউ পুলিশে আসেনা। চাকরি করতে আসে। চাকরির দায়িত্ব অনুসারে কাজ করে, তাও আবার নানা স্বার্থ মাথায় রেখে। পুলিশের চাকরিতে এর বাইরে বিশেষ কিছু করতে গেলে কী পরিণতি ঘটে সে দৃষ্টান্তের বাবুল আখতারতো আমাদের চোখের সামনে আছে।
Related Articles
বঙ্গবন্ধু যেভাবে ফিরে আসেন
ফজলুল বারী: ভারতের সাংবাদিক রনেন মুখার্জি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কৃত্তিবাস ওঝা ছদ্মনামে কলকাতার পত্রপত্রিকায় লিখতেন। বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরা নিয়ে তাঁর
বিশ্বকাপ প্রতিদিন: সমন্বয় দেশপ্রেম বিবর্জিত একটি দল!
প্লেয়াররা কী জানে আমরা তাদের কত ভালোবাসি? কত ভালোবাসি আমাদের দেশকে? আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশ দলের পরাজয়ের পর এমন হাহাকার সিডনি
বাজেট ও কিছু ভাবনা
প্রবাস জীবন, প্রায় তিন বছর হতে চল্ল। মানুষ যেমন প্রিয়জনের কাছ থেকে দুরে গেলে বেশি কষ্ট পায়, দেশ থেকে দুরে


