ধলেশ্বরী-6
দিন ক্ষন আজ আর মনে করতে পারছিনা, সম্ভবত নব্বইয়ের শেষের দিকে, মফস্বল থেকে ঢাকাত এসেছি। ঢাকা শহরের অলি গলি তেমন করে চেনা হয়ে উঠেনি , বন্ধু বান্ধব ও তেমন জোটেনি। সেন্টাল রোডে ভাইয়ের বাসায় থাকি, সকাল বেলা নাস্তা শেষ করে চলে আসতাম এলিফেনট রোডের কোনাটায়, একটা পত্রিকা কিনতাম আর দুই তিনটা দারায় দারায় পরতাম, কখনোবা সাইন্স ল্যাবরেটরির দেয়ালে লাগানো গুলোও বাদ যেতোনা । ঢাকা কলেজের উল্টা দিকেও বসতো কিছু হকার, মাঝে মাঝে সেখানেও চলতো আমার বিনা পয়সায় পত্রিকা পরা । ভালো ছাত্র কখনওই ছিলামনা , তবে পাঠক খারাপ ছিলামনা , এখনও বোধ হয় সেই অভ্যাসটা রয়ে গেলো, বউ এর ঝাঁরির পাশাপাশি তিন চারটা পত্রিকা না দেখলে এসিডিটির সমস্যাটা বেরে যায়। আমার ফেলে আসা মফস্বল শহরের দুই জন হকার আমার এই স্মৃতির সাথে চির কাল থেকে যাবে। মায়ের কাছে শুনে ছিলাম , মাঝে মাঝে এক জন আসতো , আমার কথা জানতে চাইতে , কোথায় আছি? কেমন আছি? এই ঋন কেমন করে শুধবো ? তখন ওই শহরটাতে হাতে গোলা কয়েক জন সংবাদ পত্রিকা কিনতো। অনেক খুঁজে আর কারো জন্য না হোক আমার জন্য একটা সংখ্যা জোগার করতো । আরেক জন ছিলো মদনদা । সকালে পত্রিকা বিলি করতো আর বিকেলে ঝাল মুরি, চানাচুর, বাদাম বিক্রি করতো দর্পনা সিনেমা হলের সামনে । কত বিকাল দর্পনা হলের সামনের ঐ কোনাটায় , সিনেমা দেখতে আসা মানুষের ভীর এরিয়ে পত্রিকা পরেছি। শেষ বার দেশে গিয়ে দেখলাম দর্পনা হলটা নেই , মদনদা কেও পাইনি। নাকি চেস্টা করিনি , খুজিনি ? ঢাকার আরেকটা জাগা ছিলো , খুব পছনদের । মহানগর পাঠাগার । ওসমানি উদ্যানের কোনাটায় ছিলো । মনে পরে সাইন্স ল্যাবর্টরি থেকে লোকাল বাসে দের টাকা ভারা দিয়ে গুলিইসতান আসতাম পাঠাগারে যাবো বলে । কিছুদিন পর আরও একটা জাগা জুটেছিলো । অবশ্য এখানে বিনা পয়সায় বই জুটলোনা । ভাইয়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ছিলাম মেম্বার হবো বলে । বাংলা মটরের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র । এখানেই পরিচয় জলেশ্বরী সাথে, সৈয়দ শামসুল হকের সাথে । যেখান থেকে আমার ধলেশ্বরীর প্রেরোনা । আজ চলে গেলো কবি । শান্তিতে ঘুমাও কবি । কৈশরে যেমন প্রেরোনা ছিলে এখনও হারাই তোমার জলেশ্বরীর শব্দ জালে।
Related Articles
ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবকদের ইফতার।
ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল প্রবাসে বেড়ে ওঠা ছেলেমেয়েদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিক মূল্যবোধের চর্চা ও ধারণা প্রসারের পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষাকেও সমান গুরুত্ব
খোদাসৃষ্ট এক প্রাণীজ সহোদর কি বলছে?
আমি এখন তোমার দিকে তাকিয়ে কি ভাবছি জানো? পৃথিবী জুড়ে তোমাদের হানাহানি, ধংসাত্বক কর্মকান্ড, লোভ, লালসা, প্রতিহিংসা, কপটতা, শঠতা ইত্যাকার
The Syrian Conundrum in the Backdrop of American Lies and Duplicities
One does not need Einstein’s IQ to understand how the American Empire has been destabilizing the world for the last


