অস্ট্রেলিয়ায় রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাচ্ছেন মেলবোর্নের কামরুল হোসাইন চৌধুরী
অস্ট্রেলিয়ার সরকার কর্তৃক ঘোষিত অস্ট্রেলিয়া ডে সম্মাননা ২০১৯ পেতে যাচ্ছেন দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ী কামরুল হোসাইন চৌধুরী। ২০১৯ সালের প্রকাশিত প্রথম তালিকায় তাঁর নাম ঘোষিত হয়েছে। আগামী জুন মাসের প্রথম সোমবার রানি এলিজাবেথের জন্মদিন উদ্যাপনের দিন এ সম্মাননা প্রদান করা হবে। দেশটির ভিক্টোরিয়া রাজ্যের রাজধানী মেলবোর্নের বাংলাদেশি কমিউনিটির সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য তাঁকে এই সম্মাননার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ডে অ্যাওয়ার্ডের বিভিন্ন বিভাগের মেডেল অব দ্য অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া বিভাগে স্থান পেয়েছেন কামরুল চৌধুরী। গতকাল ২৬ জানুয়ারি দেশটির জাতীয় দিবস অস্ট্রেলিয়া ডেতে সম্মাননা প্রাপ্তদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। উইকিপিডিয়াতেও এ বছরে যাঁরা সম্মাননা পাবেন তাঁদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কামরুল চৌধুরী মেলবোর্নে বসবাসকারী একজন ব্যবসায়ী ও একজন মুক্তিযোদ্ধা।
অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন সুশীল নাগরিকদের ভালো কাজের সাধুবাদ স্বরূপ প্রতিবছর অস্ট্রেলিয়া ডেতে এই সম্মাননার তালিকা প্রকাশ করা হয়। এই সম্মাননা রানির জন্মদিনের দিন প্রদান করার প্রচলন দেশটিতে রয়েছে ১৯৫৭ সাল থেকে। মেলবোর্ন থেকে মুঠোফোনে এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননার কথা জানিয়ে কামরুল চৌধুরী বলেন, দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে দেশের মানুষের জন্য নিজের যৎসামান্য সাধ্য থেকে কিছু করার চেষ্টা করে যাচ্ছি অনেক বছর ধরেই। কখনোই এর প্রতিদানই আশা করিনি। তবে এখন অস্ট্রেলিয়া ডে সম্মাননা পেতে চলেছি ভেবে খুশি লাগছে কেবল এ জন্যই যে, এর সঙ্গে আমার দেশের নাম জড়িয়ে আছে। দেশের নামে ভালো কিছু পাওয়াটাই একটা বড় পাওয়া।
এ দিকে একজন বাংলাদেশির রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে গোটা দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে। বিশেষত মেলবোর্নের বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে কামরুল চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলা হয়, আমরা এখানকার বাংলাদেশিরা সত্যিই তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁর সহযোগী মনোভাবের কথা যেমন অনস্বীকার্য, তেমনই আমাদেরই একজন শ্রদ্ধাভাজন বাংলাদেশির এই অর্জনে আমরা গর্বিত।
Related Articles
Rafiqun Nabi's Cartoon
রনবীর একটি কার্টুন ও কিছু কথা : ওয়াসিম খান পলাশ প্যারিস থেকে একজন কবি বা সাহিত্যিক তার লিখনীর মাধ্যমে একটি
ঈদের পাঞ্জাবি
ফজলুল বারী: খুব দারিদ্রের মধ্যে আমার শৈশব কেটেছে। পিটিআই সুপারেন্টেন্ড হিসাবে আমার সৎ মানুষ বাবা যখন অবসরে যান তখন আমরা
একুশে কর্নার ও মাতৃভাষা সংরক্ষন আন্দোলনের সমর্থনে অস্ট্রেলিয়ার এসিটি পার্লামেন্টে প্রস্তাব পাশ
“কনসারভ ইউর মাদার ল্যাংগুয়েজ” বার্তাকে বৈশ্বিক বার্তা হিসেবে গ্রহণ, সমন্বিতভাবে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” উদযাপনে প্রতিটি প্রধান প্রধান শহরে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা


