ধূসর স্বপ্নেরা
পড়ন্ত এক শেষ বিকেলে,
অদ্ভুত এক সাধ জাগলো মনে।
ইচ্ছে হল পরী হবো, সাদা পরী।
গায়ে জড়াবো সাদা মেঘের শাড়ি,
এলো চুলে পরবো সাদা চেরি।
কানে পরবো দোলনচাঁপার দুল,
হাতে-গলায় সুরভিত বেলী।
এমন সময় হঠাৎ দেখি,
কোত্থেকে এক মেঘের টুকরো
মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থেকে
বলল শেষে, ‘যাবে আমার সাথে?’
স্তব্ধ আমি হতবাক,
একেবারেই নির্বাক;
ভুলেই গেছি শুধোতে তাকে,
‘কোথায় নেবে এই আমাকে?’
হাতটা শুধু বাড়িয়ে দিলাম,’চল’।
যেইনা আমি উড়তে যাবো,
মেঘকুমারের হাতটা ধরে,
অমনি দেখি,
পথ আগলে দাঁড়িয়ে আছে
মেঘের মতই শুভ্র-সাদা
অসংখ্য সব কাশফুলের সারি।
স্নিগ্ধ হেসে বলল ওরা,
‘ওরে সাদা পরী,
আমরা হেথা তোমার জন্যে,
চল মোদের বাড়ি।

Related Articles
স্পর্ধা
এই গলিটা পার হলেই নাজ বেকারি। ওখানে একটা বিস্কুট পাওয়া যায়। ভেতরে ক্রিম দেওয়া। বাইরেটা চকলেট। এত মজা! মেহমান আসলেই
খোকা আসবে
খোকা আসবে আমার খোকা আসবে বাড়ীতে শূন্য উঠান ভরে উঠবে কোলাহলে রাত জেগে গল্প বলবে মাগো ! কত দিন পর
ফুলের ব্যথা
ফুলের ব্যথা লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী (নবাগত কবি) ঝরা ফুলের কান্না ঝরানো মৌন ইতিহাস কথা কয়, না ফোটা ফুলের কলিরা শত


