সিডনির ইঙ্গেলবার্নে পালিত হল বৈশাখী উৎসব ১৪২৫
আবু তারিক: গত ১৫ই এপ্রিল ২০১৮ সন্ধ্যায় সিডনি বাঙ্গালী কমিউনিটি ইনক এঁর উদ্যোগে, বাংলাদেশ থেকে হাজার মাইল দূরে অস্ট্রেলিয়ার বুকে সিডনির ইঙ্গেলবার্নে পালিত হল বৈশাখী উৎসব। সিডনি শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাঙালীরা শামিল হয়েছেন এই উৎসবে। লাল সাদা রঙের এক অপূর্ব সমাবেশ, দেখে মনে হয়েছে এ যেন সিডনির বুকে এক খণ্ড বাংলাদেশের নববর্ষের প্রানঢালা আয়োজন। অস্ট্রেলিয়ার নতুন প্রজন্মেকে বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত করার জন্যই মূলতঃ উৎসবের আয়োজন।রবিন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দের কবিতা ও গান দিয়ে সাজানো ছিল কমিউনিটি হলের চার দেওয়াল।
পহেলা বৈশাখ কিভাবে উৎসবে পরিণত হল, সে বিষয়ে নতুন প্রজন্মকে তথ্য পরিবেশন করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অধ্যাপক ডঃ কাইয়ুম পারভেজ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি জনাব নির্মল পাল নতুন প্রজন্মের মধ্যে মাতৃ ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার এই মহান আয়োজনের জন্য সিডনি বাঙালি কমিউনিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই কিশালয় কচিকাঁচা সঙ্গীত, ছড়া ও নাচসহ নববর্ষের বিভিন্ন পরিবেশনা করে। রোকসানা রহমানের সার্বিক পরিচালনায় গড়ে উঠা কিশালয় কচিকাঁচা সিডনিতে অতি পরিচিত একটি শিশু–কিশোর সংগঠন। ওদের বাহারি রঙ ও মন মাতানো পরিবেশনা অস্ট্রেলিয়া তে বেড়ে উঠা প্রজন্মের কাছে একটি উদ্দীপনা। বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিদেশের মাটিতে ধরে রাখার জন্য শত প্রতিকূলতার মধ্যে এই দলটি সিডনি জুড়ে তাদের সঙ্গীত, কবিতা ও নাচ পরিবেশনা অব্যাহত রেখেছে গত এক দশক ধরে। এই দলটির সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় আদ্রিতা, আনান, আনিলা, জয়া, নামিরা, নায়রা, রানিয়া, রিহা, যায়না, ফাতিমা, আর্শিতা, সাফিনা ও আনন্দ।
এর পর আসে অস্ট্রেলিয়াতে বেড়ে উঠা নতুন প্রজন্মের সংগঠন কিশোর সংঘ। এই দলটির গান, নাচ ও আবৃত্তি পরিবেশনায় থাকে মলতাজাম ,ঈশান, অনুভা, ফাহমিদা, ফাহিমা, আরিবা, রায়া, মুসকান, রায়ান, রিডা, অপ্সরা ও ঐহিক। লাল–সাদায় দেশীয় পোশাক সজ্জা এবং তাদের পরিবেশনা সবার মন ছুয়ে যায়।মেধাবী কিশোর–কিশোরীদেরকে নিয়ে এই দলটির সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন সীমা আহমেদ ও সাকিনা আক্তার।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল সিডনির প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের পরিবেশনা। আতিক হেলাল ও মিতার বৈশাখের গানের পরিবেশনা ছিল মনমুগ্ধকর। একক নৃত্য পরিবেশন করেন স্মীতা। সবশেষে রোকসানা রহমান ও আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে সমবেত কণ্ঠে “এসো হয়ে বৈশাখ… এসো এসো…” এবং জাতীয় সংগীত গেয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি টানা হয়।
উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সিডনি থেকে প্রকাশিত অনলাইন ও পেপার পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিকবৃন্দ ও সুশীল সমাজসহ প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
শব্দ নিয়ন্ত্রনে ছিলেন আত্তাবুর রহমান । পোশাক এবং সাজসজ্জায় সহায়তা করেন বিলকিস খানম পাঁপড়ি ও ঈশান তারিক।
মাল্টি –মিডিয়াতে সার্বিক সহায়তা করেন শাহেদ রহমান । সার্বিক প্রচারে ছিলেন আবু তারিক ও শাহীন আক্তার স্বর্ণা। অনুষ্ঠান পরিকল্পনায় ছিলেন সাকিনা আক্তার ও পূরবী পারমিতা বোস।অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন অজয় দত্ত ও সেলিমা বেগম।
Related Articles
ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলে বিজয় দিবস উদযাপিত
প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের বিজয় দিবস পালন করেছে। বিজয় উৎসব পালনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের
News from Sydney on Manob Bandhan
সিডনীতে যুদ্বাপরাধীদের বিচারের দাবিতে মানব-বন্ধন বিস্তারিত নিচের পিডিএফ ফাইলে দেখুন। 2012/pdf/report_2nd__manob_bandhan_2012_town_hall_422433847.pdf ( B)
Arson attack in Longudu: protest demonstration in front of the Australian Parliament House
Press Release Arson attack on four Jumma indigenous villages in Longudu, Chittagong Hill Tracts, Bangladesh and protest demonstration in front























