ক্যানবেরায়ন্যাশনালমাল্টিকালচারালফেস্টিভালেবাংলাদেশেরঐতিহ্য, সংস্কৃতিওউন্নয়নকর্মকান্ডপ্রদর্শন
ক্যানবেরা, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩:
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় অনুষ্ঠিত তিনদিনব্যাপী ন্যাশনাল মাল্টিকালচারাল ফেস্টিভালে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রদর্শন করা হয়।গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে এ বহু সাংস্কৃতিক উৎসবের শোভাযাত্রায় ব্যানার-ফেস্টুনসহ বিভিন্ন সাজে প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের সদস্যগণ ও তাদের পরিবারবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
এ উৎসবে বাংলাদেশ হাইকমিশনকে দুইদিনব্যাপী বরাদ্দকৃত স্টলে বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ধর্মীয় সম্প্রতি তুলে ধরা হয়। স্টলটিতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, পর্যটন, পাট ও বস্ত্র শিল্পের নানা কারুকার্যের জিনিসপত্রও প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরি সরকারের চিফ মিনিস্টার বাংলাদেশ হাইকমিশনের স্টল পরিদর্শনে এলে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী তাকে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন বিষয় ব্যাখ্যা করেন।

এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মনোমুগ্ধকর নৃত্য ও সংগীত পরিবেশনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড তুলে ধরা হয়।
প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে ক্যানবেরায় বহু সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়। তিন দিন ব্যাপী এ উৎসব এবছর ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এই উৎসবে ৩৫০ টি কমিউনিটি ভিত্তিক দলের অংশগ্রহণ এবং ৭০ টি দেশের কূটনৈতিক মিশন জড়িত থাকার মধ্য দিয়ে এটি একটি বহুজাতিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় পরিণত হয় যাতে প্রায় দুই লক্ষ মানুষের আগমন ঘটে।

Related Articles
নানান রঙের দিনগুলো
নয়ই নভেম্বর ছিল ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এ্যাসোসিয়েশন অষ্ট্রেলিয়ার (DUAAA) পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান ২০১৪ ও বার্ষিক সাধারণ সভা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কর্মদ্যোগি
Message of High Commissioner on the Occasion of Christmas
On the auspicious occasion of Christmas, my wife and I convey our heartfelt felicitation and warm greetings to our nationals
র্যান্ডউইক কাউন্সিল কর্তৃক “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” উদযাপন এবং লাইব্রেরীসমূহে “একুশে কর্নার” প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত
বিগত ৩০শে সেপ্টেম্বর’১৯ সোমবার সকাল ১০ ঘটিকায় সকল ভাষাভাষীর মাতৃভাষা, সংস্কৃতি এবং কৃষ্টির চর্চা এবং সংরক্ষণের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে


