ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল প্রাঙ্গনে ইয়াকুব আলীর “নদীর জীবন” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন।
ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষা দানের পাশাপাশি এর চর্চা, প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে নিরবচ্ছিন্নভাবে। আর তাই বাংলা বইয়ের পাঠাভ্যাস তৈরিতে বাংলা স্কুল সবসময় সচেষ্ট।
সিডনির প্রখ্যাত লেখক এবং বাংলা স্কুল পরিবারের সদস্য ইয়াকুব আলির সম্প্রতি প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ “নদীর জীবন” এর আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে ১৮ই রবিবার স্কুল প্রাঙ্গনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আনুষ্ঠানিক ভাবে ইয়াকুব আলির নদীর জীবনের মোড়ক উন্মোচন করেন সিডনীতে বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা, ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নাজমুল আহসান খান।

নাজমুল আহসান খান তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন তিনি ইয়াকুব আলির লেখা নিয়মিত পড়েন এবং তিনি নদীর জীবনের সার্বিক সফলতা কামনা করেন। লেখক ইয়াকুব আলি তার বক্তব্যে বলেন তিনি যা বিশ্বাস করেন, যা হৃদয়ে ধারণ করেন তা লেখায় তুলে আনেন। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে, বইটি সংগ্রহ করে পড়ার অনুরোধ করেন তিনি।
স্কুলের কার্যকরী কমিটির সহ সভাপতি ফয়সাল খালিদ শুভ বলেন একটি বই একজন লেখকের কাছে নিজের সন্তানের মত। নদী ভাঙ্গনে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও ইয়াকুব আলির নদীর প্রতি ভালবাসা তার অসাধারণ লেখক সত্তাকে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
বাংলা স্কুল সভাপতি মসিউল আজম খান স্বপন তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন তিনি ইয়াকুব আলির একজন গুণমুগ্ধ পাঠক। যে কোন বিষয়ের উপর ইয়াকুবের সাবলিল লেখা তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করে। তিনি বলেন ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল অতীতের মত সবসময় বাংলা ভাষ ও সংস্কৃতির প্রচার, প্রসার ও উৎকর্ষ সাধনে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাবে। তিনি সবাইকে বাংলা স্কুলের কর্মকাণ্ডের সাথে আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে আহবান জানান।

বাংলা স্কুল সাধারন সম্পাদক কাজী আশফাক রহমানের সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে স্কুলের কার্যকরী কমিটির সদস্য, শিক্ষক, অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।
নদীর জীবন মূলত লেখকের শৈশব কৈশোরের স্মৃতিকথা হলেও এতে উঠে এসেছে আবহমান গ্রাম বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পাশাপাশি স্থান পেয়েছে শহুরে সংস্কৃতির সাথে গ্রামীন সংস্কৃতির সংঘাত ও সামঞ্জস্য। এই বইয়ের মূল উপজীব্য মানুষ এবং সময়ের সাথে মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তন।
নদীর জীবনের শুভেচ্ছা মূল্য ধরা হয়েছে বিশ ডলার। প্রতি রবিবার সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল প্রাঙ্গন থেকে বইটি সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া সরাসরি লেখকের সাথে যোগাযোগ করেও ( ইয়াকুব আলি ০৪৫২১৭৭৫৯২ ) বই সংগ্রহ করা যাবে।
Kazi Ashfaq Rahman
ছেলেবেলা থেকেই শান্তশিষ্ট ছিলাম বলে আমার মায়ের কাছে শুনেছি। দুষ্টুমি করার জন্য যে বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন তা নিশ্চয়ই আমার ছিল না। আমার এই নিবুর্দ্ধিতা একসময় আমার মাকে ভাবিয়ে তুলেছিল। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন আমার এই ছেলে জীবনে চলবে কি করে। এখন যেভাবে চলছি তাতে কোনও আক্ষেপ নেই। ভালই তো আছি। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত শিক্ষা, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যে অনন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারাকে জীবনের বড় অর্জন বলে মনে করি। আমার স্ত্রী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী, আমার শত বোকামী, আলসেমী আর বৈষয়িক না হওয়াকে প্রকারান্তরে প্রশ্রয় দেওয়াতে আমার আর মানুষ হয়ে ওঠা হয়নি। আমার দুই সন্তান, আমি চাই তারা আমার মত বোকাই থেকে যাক কিন্তু আলোকিত মানবিক মানুষ হোক যা আমি হয়তো হতে পারিনি।
Related Articles
পৃথিবীর পথে পথে, সেই পথ যেন না শেষ হয় (পর্ব ২)
সেই ছোটবেলায় প্রাইমারীতে পড়ার সময় একবার স্কুল পালিয়েছিলাম- ক্লাশে এসে ডাক্তার টিকা দিবে- সে কথা শুনে। মাধ্যমিক স্কুলে বার কয়েক
গল্পকনিকা: রুমির রবীন্দ্রে বিরাগ
মানুষ রবীন্দ্র অনুরাগী হয়। রুমির ক্ষেত্রে কথাটা খাটে না। ওর রাগ হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের উপর। বহুমুখী প্রতিভা নাকি ভদ্রলোকের। শুনেছে মানবিক
ডেল কার্নেগির জীবনবোধ
কৈশোরে নদী ভাঙনের পর যখন আমরা শহরতলিতে স্থানান্তরিত হলাম তখন বেশ কিছু উপনাম ছিল, যেমনঃ বেকুব, তিন মাথারি, গারা, কালো


