মনের শান্তি
মনে শান্তি পাবার জন্য, মনকে ভাল রাখবার জন্য আমরা অনেকে অনেক কিছুই করি.. বাইরে ঘোরাঘুরি, মুভি দেখি, গান শুনি, বই পড়ি, লেখালেখি করি ইত্যাদি। কেও কেও আবার শান্তি খুজে পায় বিভিন্ন রকম ধর্মীয় কার্যকলাপের মাঝ দিয়ে। আবার একই ব্যাক্তি এই সব কিছুই একসাথে করেন ভাল লাগবার জন্য, আর সেটা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে পরিস্থিতি অনুযায়ী! তবে আমার মতে মন ভাল রাখবার অনেক উপায় গুলির ভেতর অন্যতম প্রধান হচ্ছে ছেলেমেয়ে, পরিবারের সাথে সময় কাটানো– এ এক অসাধারন আনন্দ যার কোন সীমা পরিসীমা নাই! আবার আর একভাবে মনকে এক অনাবিল প্রশান্তিতে ভরিয়ে দেয়া যায় আর তা হচ্ছে নামাজের মাঝ দিয়ে আল্লাহ্তায়ালার সাথে কথা বলে, নবিজীর বাণী গুলি পড়ে, কুরান এর কথা,অনুবাদ পড়ে…এসব কিছুই মনকে ভরিয়ে দেয় ভীষন এক অন্য রকম শান্তিতে !
আমার ভীষন ভাল লাগা কুরান এর কিছু কথা এখানে সেয়ার করলাম :-
কুরান এর কিছু কথা :-
আল্লাহ تعالى যখন আমাদেরকে মাফ করেন, তিনি আমাদেরকে ভালবেসে, কোনো দাবি না রেখে, পুরোপুরি মাফ করে দেন। মানুষের মধ্যে মানসিক সীমাবদ্ধতা আছে, যে কারণে মানুষ কখনই পুরোপুরি কাউকে মাফ করতে পারে না। বাবা-মাও তাদের সন্তানদেরকে পুরোপুরি মাফ করতে পারেন না—যতই চেষ্টা করেন না কেন, মনের মধ্যে একটা ক্ষোভ থেকেই যায়। এর পরে কখনও ঝগড়া লাগলেই সেই ক্ষোভ বের হয়ে আসে, এবং আগের ঘটনাগুলোর ধারাবর্ণনা শুরু হয়ে যায়। কিন্তু আল্লাহর تعالى এধরনের কোনো মানবিক সীমাবদ্ধতা নেই, তিনি হচ্ছেন আল-আ’ফউ, তিনি যখন কাউকে মাফ করেন, সেটা হয় নিঃশর্তে, সম্পূর্ণ মাফ।
তাওবাহ-এর অর্থ সাধারণত করা হয় ‘ক্ষমা চাওয়া’ কিন্তু তাওবাহ অর্থ ঠিক ‘ক্ষমা চাওয়া’ নয়। তাওবাহ এসেছে توب থেকে যার অর্থ: ফিরে আসা। আমরা যদি শুধু মুখে বলি, “আল্লাহ, আমি ভুল করেছি, আমাকে ক্ষমা করে দিন”—তাহলে সেটা তাওবাহ হলো না। তাওবাহ হচ্ছে: ১) যেই ভুল কাজটা করছিলাম সেটা করা বন্ধ করা, ২) অন্যের সাথে অন্যায় করলে তার প্রায়শ্চিত্ত করা বা তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া, ৩) একই সাথে আল্লাহর تعالى কাছে ভুল করার জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং ৪) সেই ভুল ভবিষ্যতে আর না করার জন্য প্রতিজ্ঞা করা।[৫] তাহলেই সেটা তাওবাহ হবে।
কুরআনের কথা
ওমর আল জাবির
Dr Naila Aziz Meeta
Home town is Bangladesh, live in Australia. Love to write, read, travel, and listening to music.
Related Articles
মানবাধিকারের মহাপুরুষ হে মহান শেখ মুজিবর রহমান -ফরিদ আহমেদ
মানবাধিকারের মহাপুরুষ শেখ মুজিবর রহমান আজ বঙ্গবন্ধু সম্মানে ভূষিত ও জাতির জনকের আসনে অধিষ্ঠিত হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী। যদি আজ
বিচারপতিদের অভিশংসন: এক সংকুল পথে এগুচ্ছে সরকার
দেশে সংঘাতমূলক ও সাংঘর্ষিক রাজনীতির সাথে নতুন কিছু মাত্রা যুক্ত হয়েছে, সম্প্রচার আইন এবং বিচারপতিদের অভিশংসন এর মতো সংবেদনশীল দুটো
বইপড়া ও আমার প্রান্তিক জীবন
শিকড় মানেই তো এক প্রান্ত। তবু এই প্রান্তিক শিকড়ই জীবনকে খোরাক জোগায় ও সমৃদ্ধ করে। ১৯৭৯ সালের শরৎকাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের


