মেলবোর্নের চিঠি – ৭

মেলবোর্নের চিঠি – ৭

বিমান বাংলাদেশ এয়ারে স্বাগতম, আমি ক্যাপ্টেন নাদেরা নদী বলছি, ভদ্রলোক ও ভদ্রমহোদয়গ্ণ, আপনারা আপনাদের সিটবেল্ট বেঁধে বসুন, এখনও না বেঁধে থাকলে। ঠিক করে নিন আপনার সিটের পজিশন এবং সামনে থাকা ট্রে’টি, আমরা এক্ষুনি উড়তে যাচ্ছি, আর অবশ্যই জরুরী অবতরণের জন্যে, ব্যবহার করুন, না থাক, এক্ষুনি যাবেননা, থাকুন অল্প কিছু সময় এখানেই …

আজ তবে উড়ি কিছুটা সময় আকাশে। বিমান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা যাদের আছে এমন সবার জানা এই ঘোষণার বিস্তারীত। বলি , আকাশ পথের কিছু ভ্রমণ- কথা।

এয়ারপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে পেছনের মায়া সময়কে ক্ষণিক চাপা দিয়ে এবার পা রাখি বিমানে। ব্যাক্তিগত ভাবে আমার এখনও বিজনেস ক্লাসের অভিজ্ঞতা হয়নি, ইকোনোমি ক্লাসই আমাদের জন্যে বরাদ্দকৃত আর্থিক সীমিত সামর্থের জন্যে। তবে বেশীর ভাগ ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইটে ঢুকতে হয়েছে বিজনেস ক্লাসটি পার হয়েই। এক ঝলক তাকিয়েই দেখা নেয়ার চেষ্টা করেছি কি তার আভিজাত্য, কি তার মাহাত্ন্য!!!

বিমান দড়জায় দাঁড়ানো সপ্রতিভ ক্যাপ্টেন, বিমানবালা বা ফ্লাইট ম্যানেজারের আন্তরিক এবং সহাস্য ‘হ্যালো’ই অল্প সময়ের জন্যে হলেও জানান দিয়ে যায় ‘আই এম সামওয়ান স্পেশাল’। যাচ্ছি কোথাও। এগিয়ে গিয়ে নিজের জন্যে বরাদ্দ সিটটি খুঁজতেও পাওয়া যায় কেবিন ক্রূর সাহায্য।

বিমানে উঠেই প্রথম কাজটি থাকে হাতে কোন কেবিন লাগেজ থাকলে সেটি মাথার উপর বসিয়ে দেয়া। না অবশ্যই নিজের মাথা না, সিটের পাশের ঠিক উপরের ক্যাবিনেট বক্সে। সেটি ঠিকঠাক নাগাল পেতে আমার মত কারো উচ্চতা সমস্যা থাকলে সেখানেও পাবেন ক্রূর সাহায্য। বেশীর ভাগ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এটেন্ডেটরা সেটি স্বেছায়ই করেন।

আকাশ ভ্রমণে অনেকেই চান উইন্ডো সিট, যদিও উইন্ডো সিটে বসার সাথে যথেষ্টই যোগসুত্র আছে, ট্রিপটি কত সময়ের বা কোন সময়ের। রাত না দিন। রাতের অন্ধকারেই পুরো ট্রিপ হলে, বাইরের একটা অন্ধকার নিরাকার কল্প জগত ছাড়া তেমন কিছু অনুভব করার নেই। দিনের আলোতে হলে, আছে ভিন্নতা। আছে মেঘদল, আশ্চর্য মেঘদল,আছে দুরের কুয়াশা। কাব্যিক মন যাদের তাদের জন্যে এ এক অন্যরকম কিছু সময়ের হাতছানি।

জীবনের প্রথম ট্রিপ হলে, কেউ টিকেট কেনার সময়েই ট্র্যাভেল এজেন্টকে আপনার প্রেফারেন্স জানাতে পারেন ‘উইন্ডো সিট’ এর। মেঘের সাথে উড়তে থাকা থাকুক কিছু স্মরণীয় সময়!!!

এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে যাওয়া মানেই মাঝখানে একটি যাত্রা বিরতি, ট্রানজিট স্টেশন। এটি হতে পারে ২/৩ ঘণ্টার, হতে পারে ৮/১০ ঘণ্টার বেশিও। ট্রানজিট এই সময়টিও অনেক সময় সুযোগ থাকলে বাড়িয়ে নিয়ে কানেক্টিং ফ্লাইটির সময় নেয়া যেতে পারে।

বিমানে উঠে, হ্যান্ড লাগেজের পাশাপাশি যদি কারো সাথে থাকে ল্যাপটপ বা ক্যামেরা সেগুলোর ব্যাবস্থা করেই হাতে থাকা যেকোন ছোট ব্যাগকে রেখে দিতে হবে ঠিক সামনের সিটের নীচে, যতক্ষণ না বিমান আকাশে উড়ছে। কোলের উপর কোন বস্তুই রাখা যাবেনা। তাই রিলাক্স হয়ে বসার জন্যে ঝটপট সেরে ফেলুন এই কাজগুলো।

ফ্লাইট যাত্রী উঠে ঠিকঠাক বসলো কিনা এবং লাগেজ পত্র যেখানে যা রাখার রাখা হয়েছে কিনা তা চকিত চেক করেই বিমান ঘোষণা পাবেন এবার সিট বেল্টটি যথাযথ ভাবে বেঁধে ফেলবার এবং তারও আগে আপনাকে অনুরোধ থাকবে হাতে থাকা ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসের সুইচ অফ করে দিতে বা ফ্লাইট মুডে দিয়ে দিতে এবং ক্যামেরা অপারেট না করতে। এবং অবশ্যই বিরত থাকতে হবে স্মোকিং থেকে কষ্ট করে হলেও!!!

দুঃখের সাথে বলতে হয় বাংলাদেশ থেকে আসবার পথের যেকোন ফ্লাইটে অনেককেই দেখা যায় এই কাজটি চালিয়ে যেতে। টয়লেট এ যেয়ে স্মোক করে আসতে, যেটা ঠিকনা।

প্লেনে উঠেই কেন যেন ক্যামেরা চালানোর কাজটি অনেকেই খুব আগ্রহ নিয়ে করে থাকেন অনুরোধ উপেক্ষা করেই। এমনকি ছবিতে তারা ব্যাস্ত থাকা বিমানবালাদেরও রেহাই দেননা। বিষয়টি দৃষ্টিকটু এবং অস্বস্থিকর।

কারো পারমিশন ছাড়া ছবি উঠানোই একটি অসৌজন্যতা এবং গর্হিত কাজ। তার উপর কি কারণে এই ঘোষণাটি দেয়া সেটা আমলে না নেয়াও একটা অপরাধ, হয়ে যেতে পারে বিপদ সবার!!!

কারো হাই-ফোবিয়া থাকলে তার জন্যে বিমান ভ্রমণ খুব সুখকর হওয়ার কথা না। এমনিতেই অনেকে পুরো সময়টি খুব গুটিয়ে থাকেন। মাথা ঘুরানো বা ভমিট টেন্ডেন্সি হলে ঠিক সামনের সিটের ব্যাক পকেটেই রাখা আছে প্যাকেট আছে হেড ফোন। কোন কারণে না পেলে চেয়ে নিন আগে ভাগেই।

উপরে উঠার অস্বস্থি বা উত্তেজনা সাময়িক চাপা দিতে আপনি একদম শুরুতেই বেছে নিতে পারেন সামনের সিটের পিছনে লাগানো আপনার জন্যে বিনোদন পর্দাটি। ছোট্ট টিভি স্ক্রিন বা অডিওতে ডুবে যেতে পারেন ভিনদেশী সুরের মূর্ছনায়। বা বসে বসে দেখতে পারেন আপনার অবস্থান, সেটি কি জলে না স্থলে, আছেন কত উপরে!!!

পারিবারিক ট্যুর হলে, সাথে অনেক সিনিয়র বা ছোট্ট সোনামণি থাকলে সবার আগে তার বিনোদন এবং সেফটিতেই দিতে হবে সবটুকু মনোযোগ।

আবহাওয়া এবং পাইলটের স্কিলের উপর নির্ভর করে বিমানের স্মোদ স্টার্ট বা টেক অফ। আবহাওয়া অনুকুল না হলে বাম্পিং হতেই পারে, একটু বেশি হলে তা ভয় না পাওয়া প্যাসেঞ্জার খুব কমই আছেন। তবে এই বিষয়ে আমার পরামর্শ, নার্ভাস হওয়া যাবেনা কিছুতেই, স্রষ্টার নাম জপতেই পারেন শান্তির জন্যে!!!

শুরুতেই কিছু ফর্মালিটি, অন্যরকম শিহরণ তারপর নিদ্রিষ্ট উচ্চতায় উঠেই আপনি অনেকটাই মুক্ত। সিট বেল্ট খুলে একটু নিজের মত করে বসেন, হোক তব হ্যাপি ট্রিপ।

ব্যাক্তিগত ভাবে আমি বিমান ভ্রমণ খুব এঞ্জয় করি, হয়তো মৃত্যু ভয় নাই বলেই !!! আন্তর্জাতিক খুব বেশি না হলেও আভ্যন্তরীণ ২/৩ ঘণ্টার জার্নি হয়েছে অনেক!!! ফ্লাইট মিস করা এবং কিছু উল্টো পাল্টা অভিজ্ঞতাও আছে। তবে ট্রিপ ছোট বড় যেমনই হোক আমি চেষ্টা করি সেটি আনন্দময় রাখতে।

ট্রিপটি যত সময়ের জন্যে হোক থাকে খাবার দাবারের বন্দোবস্ত। ছোট ট্রিপে অনেক সময় কিছু ফ্লাইটে কিনে নিতে হয় খাবার এই যা।

কিছু ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইটে একদম শুরুতেই তাদের যাত্রী-সেবা শুরু করেন হট ন্যাপকিন দিয়ে, যা দিয়ে আপনি পরিষ্কার করে নিতে পারেন হাত মুখ। রিফ্রেশমেন্টেই কিছু এয়ারলাইন্স বাদাম/আলমন্ড বা বিস্কিট প্যাকেটও দিয়ে থাকে। ওভাবে খিদে থাকলে তা উঠিয়ে রেখে শুরু করা যেতে পারে প্রিয় জুস বা ফ্রেশ ওয়াটার দিয়েই। পানি আপনার যতবার দরকার চেয়ে নিন।

লম্বা ট্রিপে লাঞ্চ/ডিনার বা ব্রেকি ব্যবস্থা থাকবে এবং আপনাকে অপশনও দেয়া হবে। তবে ২/৩ টার বেশি চয়েজেস থাকেনা। খাবার যাই বেছে নিন, চিকেন বা ল্যাম্ব, আমাদের বাংলাদেশীদের যাদের রিচ ফুড খাওয়া টেস্ট তাদের জন্যে বিমানের বিরিয়ানি টেস্ট সুখকর নাও হতে পারে। তবে একটু আয়েশ করে হলেও মুল খাবারের সাথে থাকা সালাদ/কারি এবং শেষের ডেজার্টটুকু তৃপ্তি করে খেতে ভুলবেননা। বলা যায়না এটিও হতে আপনার আকাশ ভ্রমণের অন্যতম সুখ স্মৃতি!!!

ফ্লাইটে সফট ড্রিংক্সের পাশাপাশি থাকে হার্ড ড্রিঙ্কস, বিয়ার, শ্যাম্পেন বা ওয়াইন, যেহেতু ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট, মাল্টিকালচারাল প্যাসেঞ্জার। যাদের পান করার অভিজ্ঞতা নেই, তাদের বোধ হয় কোন ফ্লাইটে প্রথম অভিজ্ঞতার ছোঁয়া না নেয়াই ভালো। শরীর, মন কিভাবে নেয় বিষয়টি তো আপনার পুরোপুরি অজানা।

সম্ভবত জীবনের প্রথম ট্রিপ, আমাদের সিট বরাবর অন্যদিকে বাংলাদেশের একজন অভিনেতাকে দেখছিলাম প্রায় ৩/৪ ঘণ্টার পুরো সময়টিই আয়েশ করে ড্রিঙ্ক করে কাটিয়ে দিতে, সে এক দেখার মত দৃশ্য, মন থেকে দেখতে না চাইলেও বারবার চোখ চলে যাচ্ছিলো।

ধর্মীয় কারণ বা হালাল মেইনটেইন করার বিষয় যাদের নাই, তাদের কেউ লম্বা জার্নিতে লাঞ্চ ডিনারের আগে অল্প ওয়াইন টেস্ট করতে পারেন জীবনের প্রথম বারের মত, সাথে যদি খুব ভালো কোন সঙ্গী থাকে। তবে অবশ্যই সেটা ড্রাঙ্ক হওয়ার জন্যে নয়… সল্পমাত্রার।

আকাশ ভ্রমণে অনেকেই কাটিয়ে দেন ঘুমিয়ে, খারাপ না ব্যাপারটা। অনেকের এমন চাপা জায়গায় ঘুম আসেনা, তাঁরা দেখে ফেলতে পারেন দারুণ কোন সিনেমা। কারণ এয়ারলাইন্স গুলো চেষ্টা করে বিখ্যাত সিনেমার কিছুই সংগ্রহে রাখতে।

খাওয়া পর্ব শেষ হলে, যাদের চা/কফি ছাড়া চলেইনা সেরে ফেলতে পারেন সেই পর্ব। তবে যারা খেয়ে অভ্যস্ত বাসায় দারুণ যত্নে বানানো চা, (আমার মতোন) তাদের কাছে একটু অন্যরকম গরম পানি খাওয়া ছাড়া তেমন কিছু না বিষয়টা। কারণ চা কফি মানে গরম পানিতে এগুলো মিশিয়ে নেয়া।

একটা সময় পর রিডিং লাইট ছাড়া সব লাইট বন্ধ করে দেয়া হবে। মৃদু আলোতে ট্র্যাভেল পিলো এবং গায়ে দেয়ার কাপড়টি নিয়ে আপনার ইচ্ছেমত কাজটি বেছে নিন, ঘুম খাওয়া, গান শোনা বা মুভি দেখা, এর কোনটিই না হলে অবশ্যই আগে ভাগেই নিয়ে নিন দারুণ প্রিয় কোন লেখকের বই, যার মাঝে আপনি হারিয়ে যেতে পারবেন। যাদের লেখালিখির অভ্যাস তাঁরা অল্প বিস্তর সেটিও করে নিতে পারেন।

অনেকেই বিমানে টয়লেট ব্যাবহার করবেননা বলে পানি কম খান। এটি খুবই অনুচিত একটা কাজ, লম্বা জার্নিতে পানি না খেলে শরীর ডিহাইড্রেশনে পড়বে। এমনিতেই হাত পায়ে দেখা দেয় ময়েশ্চারের ঘাটতি। সম্ভব হলে একশ গ্রামের লোশন বা ভেজলিন এবং চ্যাপস্টিক সাথে রাখতে পারেন, যা কাজে লাগবে।

লম্বা ট্রিপে আপনার পড়নের পোশাকটি নিয়েও একটু ভাবতে হবে। বিমান এসি বা ঠান্ডা অনেকের শরীরই ভালো ভাবে নেয়না। অবশ্যই চেষ্টা করুন ফুলস্লিভ কিছু পড়তে। রাখতে পারেন গায়ে পড়ার শাল বা চাদর। ব্লেজার, মাফলার, স্ক্রার্ফ খুব কাজে লাগে বিমান জার্নিতে।

অনেক সময় দেখা যায় লম্বা ট্রিপে ফ্লাইটের পিছনের দিকের সিট খালি থাকলে নিজের সিট ছেড়ে অনেকেই ৪ সিটের হাতল উঠিয়ে লম্বা করে শুয়ে ঘুমান, মন্দ না বিষয়টা। তবে বিমান টেক অফের কিছু সময় আগেই উঠে ধাতস্ত হয়ে নিতে হবে সময় মত এটা মাথায় রাখতে হবে এবং ভুলে যাবেননা পাসপোর্ট দেখে অবতরণ কার্ডটি ফিল আপ করে নিতে বিমানে বসেই।

না টিপস একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে, আজ তবে থামি। আমি মনে করি, একজন ভালো আন্তর্জাতিক মানের প্যাসেঞ্জার হয়ে উপভোগ করুন যেকোন এয়ারলাইন্সের সেবা। টাকা বাচানোর জন্যে খুব বেশিই খারাপ সেবা যারা দেয় তাদের সাথে উড়ে সময়গুলো নষ্ট না করাই ভালো। তারপরও কোন নিদ্রিষ্ট ফ্লাইট এটেন্ডেন্স খারাপ ব্যাবহার করলে বা আপনি চাওয়ার পরও কোন কাংখিত সেবা না পেলে তার নামটি দেখে রাখুন। ট্রিপটি শেষ করে এসে ঠান্ডা মাথায় লিখে ফেলুন ওয়েব সাইটের তাদের পেজে। ওরা তো ঠিক হবেই, পরবর্তীতে কারো সাথে এমন করার আগে দুইবার ভাববে।

তবে তারও আগে, অনেকে তেমন কোন কারণ ছাড়াই বারবার বিমানবালাদের ডাকাডাকি করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকুন। তাদের সার্ভিসটুকু স্মার্টলি নিন, দিনশেষে আপনি যদি একজন বাংলাদেশী প্যাসেঞ্জার হয়ে থাকেন, পৃথিবীর কোত্থাও ‘খারাপ প্যাসেঞ্জার হিসেবে’ আমাদের নাম যেন কিছুতেই উঠে না আসে, সেটি মাথায় রাখলে ক্ষতি তো কিছু নেই, ভালো বৈ।

আকাশে শান্তির নীড়, বেশীর ভাগ এয়ারলাইন্স চায় এমন একটা অনুভবই দিতে। সবমিলে সবার সব জার্নি সুন্দর হয়না।

শুভ কামনা উপভোগ্য হউক আপনার যেকোন আকাশ যাত্রা এবং মাথায় এবার নিয়ে নিন ভিনদেশী যে এয়ারপোর্টে নামছেন সেটি, নিন প্রস্ততি শারীরিক এবং মানসিক। আগে ভাগেই আরো একবার চাইলে একটু জ্যুস খেয়ে নিতে পারেন, নিয়ে নিতে পারেন সাথে এক কাপ পানি বিমানবালার কাছে হাসিমুখ থাঙ্কস দিয়ে!!!

নাদেরা সুলতানা নদী
মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া


Tags assigned to this article:
মেলবোর্নের চিঠি

Place your ads here!

Related Articles

World Environment Day Bangladesh

On 5th June, the World Environment Day has been observed by all nations including Bangladesh to highlight the link between

Sufi’s choice: syncretic rural Islam of Bangladesh

Following the sermons accompanying the Friday prayers in the Canberra mosque recently, the Imam took a shot at the custom

খালেদা জিয়া কি বলতে চান?

১. আজ প্রায় ২৯ দিন হয়ে গেল, শাহবাগের চত্বরে এ প্রজন্মের সন্তানরা ডাক দিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকি সহায়তাকারীদের এ

1 comment

Write a comment
  1. Dr Saniyat Islam
    Dr Saniyat Islam 5 July, 2017, 02:26

    অসাধারণ নদী আপু

    Reply this comment

Write a Comment