ভিভিড সিডনি
প্রতি বছরের মত এবারও মে-জুন মাসে সিডনির বিখ্যাত স্থাপনাগুলো সেজে ওঠে রং-বেরঙের আলোকসজ্জায়। সন্ধ্যা নামতেই ব্যস্ত শহর হয়ে ওঠে উৎসবের নগরী। হিমশীতল রাতের মনমুগ্ধকর শিল্প, সুর আর আলোক ঝলকানি সম্মোহিত করে তোলে দেশ-বিদেশ থেকে আসা পর্যটক দের। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই উৎসব “ভিভিড সিডনি” নামে পরিচিত।
ছয় বছর আগে শুরু হওয়া এই আলোক- উৎসব যেমন হাজারো দর্শকের মন মাতিয়ে তোলে, তেমনি অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্যে আনে বিপুল উন্নয়ন। পঞ্চাশ এরও বেশী শিল্প প্রদর্শনী নানা রঙে আর সুরে বিমোহিত করে রাখে সিডনির আকাশ, পানি আর রাস্তাঘাট। নামকরা অপেরা হাউজ, হারবার ব্রীজ, ডারলিং হারবার, রয়্যাল বোটানিক গার্ডেন, হাইড পার্ক, মারটিন প্লেস সহ শহরের বিভিন্ন জায়গা সেজে ওঠে থ্রিডিসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত অপরূপ সৌন্দর্যে ।
এসব আলোক-সজ্জিত অবকাঠামোর পাশ দিয়ে হাঁটার সময় চোখে পড়বে বর্ণিল এনিমেশন খেলা করছে অপেরা হাউজ আর নামকরা সব বিল্ডিং এ। আবার হয়তো চলার পথেই দেখা মিলবে আলোর জঙ্গল, জীবজন্তু ও হরেক রকম ফুল। আছে আলো আর সুরের ভয়ংকর ঝড়, ঝলমলে আলোর টানেল আর হাজারো আলোর ডেকোরেশন।
অধিকাংশ প্রদর্শনী বিনামূল্যেই দেখানো হয় দর্শকদের। এছাড়া এই অসাধারন শিল্পকর্ম উপভোগ করার জন্য রয়েছে স্পেশাল ক্রজ এবং ওয়াটার ট্যাক্সি তে ভ্রমনসুবিধা। অতিরিক্ত দর্শকের উপস্থিতি থাকলেও যেকোন ধরনের আপত্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থতি এড়ানোর জন্য রয়েছে সর্বাধুনিক সিকিউরিটি ব্যবস্থা। হাড়কাপানো শীতের শুরুতে এমন অনন্য আয়োজন সত্যিই উপভোগ্য এবং প্রশংসনীয়।
লেখিকাঃ নাজমা আক্তার তিথি, রিসার্চ স্টুডেন্ট, ম্যাকরী ইউনিভার্সিটি, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া।
Related Articles
ইফতারি করেন, ঈদের বাজার করেন
১৯৭৬ সালে যখন এমেচার MCC প্রথম খেলতে আসে, বাংলাদেশের রকিবুল, শামীম কবির (সংবাদের আহমেদুল কবিরের ভাই), সৈয়দ আশরাফুল, উমর খালেদ
অস্ট্রেলিয়ার স্যাটারডে মার্কেট – গরীবের বাজার
আমি পৃথিবীর মানুষকে সবসময় দুই ভাগে ভাগ করিঃ ধনী আর গরিব এবং এই ভাগটা একটা চিরায়ত সত্য। পৃথিবীর যে প্রান্তেই
Probashe Oboshar
প্রবাসে অবসর…… আমার অনেক প্রিয় ব্রিজবেন বীচ, পানির মাঝে মনে হয় হীরার টুকরো ছড়ানো……… সময় যেন কাটেনা, বড় একা একা





অসাধারণ সিডনি অভিজ্ঞতা। ছবি আর লেখায় আলোয় হারিয়ে যাওয়া।