প্রত্যাশা
প্রতিদিন ভোরে সুর্য্য ওঠার আগে ঘুঘু, চড়ুই, শালিক…. এই অপূর্ব সুন্দর পাখিগুলি এসে বসে আমার বাসার সামনে ওঠানের ছোট্ট বাগানটার গাছগুলির ওপর…প্রথমে শুরু করে ” কিচিরমিচির” করে ওদের ভালবাসা বিনিময় আর তারপর শুরু হয় ওদের মায়াবী গলার গান…কি যে মিষ্টি সে সুর! জানালা দিয়ে অপলক চোখে তাকিয়ে থাকি, ওদের গান শুনি, মুগ্ধ হয়ে দেখি ওদের কার্যকলাপ, ওরা গানের ফাকে ফাকে এ ডাল ও ডাল করে খেলা করে, গানতো চলেই তার সাথে আবার তাদের ভাবেরও আদান প্রদান!! আর এভাবে আস্তে আস্তে সকাল হয়, আমি জানালার ধারে বিছানাটায় বসে দেখতেই থাকি আর ভোরের অভিনব এ দৃশ্য মন-প্রান ভরে উপভোগ করতে থাকি, মনে হয় আমিও যদি ওদের সাথে গলা মেলাতে পারতাম! বুঝতাম ওদের ভাষা!
ভিন্ন জাতীর কয়েক রকম পাখি কিন্তু তাদের মাঝে কি দারুন ঐকতা, ভালবাসা ! জানিনা কজন মানুষের ভেতর এমনটি দেখা যায়! একসময় ধীরে ধীরে ডানা মেলে ওড়ে চলে যায় ওরা ওদের গন্তব্যে!! আর আমারও নিজেকে সপে দিতে হয় এক কর্মব্যস্ত ক্লান্তিবহুল দিন ও রাতের কোলে! তবে ভোরের চমতকার এই আবেশটুকুর ছোয়া জড়িয়ে রাখে আমাকে সারারাটাদিন, যা কিনা আমাকে সাহায্য করে যে কোন ক্লান্তিকে,কষ্টকে মুছে দিয়ে, আরও মনোযোগ নিয়োগ করে সমস্ত কাজকে সুন্দর ও সুষ্ঠ ভাবে শেষ করবার! আর তারপর সারাদিনের পরিশ্রম শেষে, সন্ধ্যার আলো-আধারের সৌন্দর্য্য উপভোগের পর যখন নেমে আসে রাতের অন্ধকার, কানের ভেতর আবারও তখন বাজতে শুরু করে পাখীদের সেই শ্রুতিমধুর সুর – ধ্বনি!! আর সেই মিষ্টি মধুর আওয়াজ গুলিকে সংগী করে পরম সুখে গভীর ঘুমে তলিয়ে যাই আমি পরবর্তি ভোরের প্রত্যাশায়!! আসলে Very little is needed to make a life happy, it is all within our self, in our way of thinking !! ?
Dr Naila Aziz Meeta
Home town is Bangladesh, live in Australia. Love to write, read, travel, and listening to music.
Related Articles
ক্রিকেটাঙ্গনের স্বৈরাচার
ফজলুল বারী: ডিসেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত লম্বা সময়ের বিদেশে ক্রিকেট সফর চললো বাংলাদেশ দলের। অস্ট্রেলিয়ায় অনুশীলন ম্যাচ-নিউজিল্যান্ড ট্যুর দিয়ে শুরু।
Our Community Our Organization – Introducing Victorian Bangladeshi Community Foundation VBCF
Dear Respected Bangladeshi Community Members in Victoria, Western Region Bengali School (WRBS) is an ethnic language school targeting the second
এভাবে হারবে বাংলাদেশ?
ফজলুল বারী, কলকাতা থেকে: কুলবান্ত সিং’এর কষ্ট নিজেকে আরও স্পর্শ করে। কলকাতায় গত দু’দিন এই কুলবান্ত সিং বেশিরভাগ সময়ের সঙ্গী।



