ইফতারি করেন, ঈদের বাজার করেন
১৯৭৬ সালে যখন এমেচার MCC প্রথম খেলতে আসে, বাংলাদেশের রকিবুল, শামীম কবির (সংবাদের আহমেদুল কবিরের ভাই), সৈয়দ আশরাফুল, উমর খালেদ রুমি, হীরা- এরা ওই MCC র বুড়া, আধা-বুড়া, পোলাপান বোলারদের বল কোথায় দিয়ে কেমনে স্ট্যাম্প ভেঙে দিচ্ছিলো তা বুঝতেই পারছিলো না। কার্টুনিস্ট রফিকুন নবী (রনবী) সেই সময়ের দৈনিক বাংলায় বেশ কিছু কালজয়ী কার্টুন এঁকেছিলেন। একটা ছিল এইরকম: দুইজন ক্রিকেট কর্মকর্তা বাংলাদেশের একজন ব্যাটসম্যানকে কোলে করে মাঠে নিয়ে যাচ্ছে ব্যাটিং করাতে, ব্যাটসম্যান হাত-পা ছুড়ছে। ক্যাপশন ছিল: “অহনো কইতাছি আমারে নামাইয়েন না”। আরেকটা কার্টুন ছিল এইরকম: MCC র ব্যাটসম্যান চার মেরেই যাচ্ছে; তা দেখে ফিল্ডিং করতে করতে ক্লান্ত বাংলাদেশের এক ব্যাটসম্যান বলছে, “আউটার স্টেডিয়ামের বালু মাঠ আর ছোট বাউন্ডারি হইলে আমরাও দেখাইয়া দিতাম”। বছর চারেক আগে রনবী ক্যানবেরা বেড়াতে এলে তাকে সেই কার্টুনের কথা বলতেই সেকি এক গাল হাসি কিন্তু পরক্ষনেই বললেন যে, “অবস্থা কিন্তু উল্টাইয়া গেছে গা”I
তা আমরা সেই অবস্থা থেকে প্রায় ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে দাঁড়িয়েছি ওই রকিবুল আর শামীম কবিরদের কাঁধে দাঁড়িয়েই। উনারা নিশ্চয় গর্বিত যে তাদেরই হাত ধরে খেলতে আশা ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমী ফাইনাল খেলে। হয়তো সামনে কোনোদিন ফাইনালেও খেলবে। তবে এই রবিবার খেলবে বলে মনে হচ্ছে না, কারণ ভারতের এই ব্যাটিং লাইনের কাছে ২৬৪ তেমন কিছু না। আমার উপর রাগ করবেন না, আমি নৈরাশ্যবাদী না, তবে একটু বাস্তববাদী। মিরাকেল সব সময় ঘটে না, মাঝে মাঝে- এই কারণেই সে মিরাকেল।
আর সবার মতো আমিও বাংলাদেশের কাছ থেকে ভালো ব্যাটিং আশা করেছিলাম, কিন্তু সেইটা হলো না। আমাদের এখনো বড় খেলার টেম্পেরমেন্টের অভাব আছে। আরো একটু ধারাবাহিকতার দরকার আছে। বোলারের প্রতিটা বলই ভিন্ন- এই কথাটা মনে রেখে ব্যাট করতে হবে। হোমওয়ার্কটা মাঠে প্রয়োগ করতে হবে। আমাদের এজিং প্লেয়ারদের যথেষ্ট রিপ্লেসমেন্ট আছে কি? আজকের ফলাফল নিয়ে তেমন না ভেবে ঐটাই বেশি ভাবা উচিত। পরবর্তী বিশ্বকাপ এই ইংল্যান্ডেই হবে, এই সময়েই আর দুই বছর পরে। শাকিব-মাশরাফি কি তখনও ফিট থাকবে?
দেশে মনে হয় ইফতারির সময় হইছে। ইফতারি শেষ করেন, ঈদের বাজার করেন। সামনে আরো খেলা হবে।
Related Articles
Proposed Diversion of Brahmaputra River by China
Fresh water is getting scarce according to a UNESCO study. The average supply of water is expected to drop by
আহা! যেন একই বৃন্তে দুটি ফুল!
ক্ষমতাসীন দলের ক্ষমতার মেয়াদ যতই ঘনিয়ে আসছে, বেশ কিছু রাজনীতিকদের প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে নানা কর্মকান্ড কারণে-অকারণে সংবাদের শিরোনামে পরিনত হচ্ছে। তাদের মধ্যে
‘ওয়ার ক্রিমিনাল’ এরিক প্রিব্ক কথন!
খবরটা ছোট্ট। লন্ডন থেকে নিউনিয়র্কের সব নামীদামী সংবাদপত্র, বিবিসি সবাই যত্ন করে প্রকাশ করেছে। খবরটা এক যুদ্ধাপরাধী সম্পর্কে। লোকটি ১০০বছর


